শিক্ষার্থীর বাড়িতে মিলল গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ, নেপথ্যে কী
Why this classification
এটি একটি নির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ডের ঘটনা; চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার এবং স্বর্ণের দুল লুটের উদ্দেশ্যে হত্যার তথ্য রয়েছে, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণিকৃত।
Killed
1
Injured
0
Summary
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামোশংকরবাটি চৌকাপাড়ার এক শিক্ষার্থীর বাড়ি থেকে গৃহশিক্ষিকা মরিয়ম বেগমের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হয়। স্বর্ণের কানের দুল লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা; এ ঘটনায় রুবেল, সুমি ও এক স্বর্ণকারকে আটক করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
শিক্ষার্থীর বাড়িতে মিলল গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ, নেপথ্যে কী
শিক্ষার্থীর বাড়িতে মিলল গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ, নেপথ্যে কী নিহত শিক্ষিকা মরিয়ম বেগম। ছবি: সংগৃহীত চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ | ২০:০৫ | আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ | ২০:৪২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মরিয়ম বেগম (৫৫) নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে পৌর এলাকার নামোশংকরবাটি চৌকাপাড়ার এক শিক্ষার্থীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের ধারণা, স্বর্ণের কানের দুলের জন্য ওই শিক্ষিকাকে হত্যা করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার সকালে জরুরিসেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের মাথা ও ঠোঁটে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এছাড়া মৃতদেহের কানের দুল পরার অংশ ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার দুপুরে রুবেল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতে বের হয়ে নিখোঁজ হন মরিয়ম বেগম। তবে সারাদিন পরেও তিনি আর ফিরে আসেননি। তারা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে তারা সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তাদের দাবি, মরিয়মের স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, সোমবার সকালে মরিয়ম বেগম চৌকাপাড়ার মো. রুবেল ও সুমি খাতুনের বাড়িতে তাদের দুই সন্তানকে প্রাইভেট পড়াতে যান। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। রাতেই মরিয়ম বেগমের ছেলে সদর মডেল থানায় জিডি করেন। তিনি জানান, ৯৯৯-এ ফোন করেছিলেন রুবেল নিজেই। তবে মরদেহটি সেখানে পাওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য পুলিশ রুবেল ও সুমিকে আটক করেছে। তবে তাদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, স্বর্ণের কানের দুলের জন্য মরিয়মকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একজন স্বর্ণকারের কাছ থেকে মরিয়মের স্বর্ণের দুটি দুল উদ্ধার করেছে। গতকাল ওই স্বর্ণকারের কাছে দুল দুটি বিক্রি করেছিলেন সুমি। পুলিশ ওই স্বর্ণকারকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা চলমান বলেও জানান পুলিশ সুপার। - বিষয় : - নিখোঁজ - মরদেহ উদ্ধার - পুলিশ
ছাত্রীর বাড়িতে মিলল গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি বাড়ি থেকে মরিয়ম বেগম নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুবেল ও সুমি নামে এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ। নিহত মরিয়ম বেগম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার উজ্জ্বলপাড়ার মোসাদ্দেক হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার অধিরল্যাংড়ার মোড়-চৌকাপাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা সুমি খাতুনের মেয়ে মিথীলাকে (পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী) নিয়মিত প্রাইভেট পড়ান মরিয়ম বেগম। সোমবার তিনি পড়াতে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফিরে আসেননি। রাতে মরিয়ম বেগমের এক সন্তান সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। মঙ্গলবার সকালে জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ রুবেল ও সুমি দম্পতির বাড়ি থেকে মরিয়মের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের মাথা ও ঠোঁটে আঘাতের চিহ্ন এবং কানের দুল ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহতের বড় ছেলে মারুফ আহমেদ বলেন, আমার আম্মা তাদের বাড়িতে বাচ্চাকে পড়াতে যেতো। তাদের সাথে আমাদের কোনো পূর্ব শত্রুতা ছিল না। তারা মূলত স্বর্ণের লোভের কারণে আমার আম্মাকে খুন করেছে। আমি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। অভিযুক্ত সুমি খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কয়েকজন নারীকে জুসের মাধ্যমে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন সুমি ও রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, স্বর্ণের কানের দুলের জন্যই মরিয়মকে হত্যা করা হয়েছে। আশিক আলী/আরএআর
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ Advertisement চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরিয়ম বেগম (৫০) নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছাত্রীর বাসায় প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক দম্পতি ও এক স্বর্ণকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নামোশংকরবাটি চৌকাপাড়ায় গৃহশিক্ষিকা মরিয়ম বেগম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত মরিয়ম বেগম নামোশংকরবাটি উজ্জ্বলপাড়ার আবুল কালামের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাসায় বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়িয়ে সংসার চালাতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে মরিয়ম বেগম রুবেল নামে এক ব্যক্তির মেয়েকে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য তাদের বাসায় যান; কিন্তু সারাদিন পার হয়ে গেলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আত্মীয়-স্বজনের বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে পরে সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তারা। পুলিশ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে রুবেলের বাড়ি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরিয়ম বেগমের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মরিয়ম বেগমের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও অভিযুক্ত সুমি ওরফে ফমির বিরুদ্ধে মানুষকে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি পূর্বের একটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে টাকার বিনিময়ে মীমাংসাও করা হয় বলে জানা যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, এক স্বর্ণকারের কাছ থেকে সেই দুল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক রুবেল, তার স্ত্রী সুমি ওরফে ফমি এবং স্বর্ণকার দীপককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
