জ্বালানি তেল নিয়ে ২ গ্রামের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, specific incident on 29 April 2026 in which residents of two villages clashed outside a petrol station in Shibganj, Chapainawabganj. Cocktail bombs exploded and at least 10 people were injured, which qualifies as physical violence and explosions.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
29/04/26•মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে, শিবগঞ্জ

Killed

0

Injured

10

Summary

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে ১২ রশিয়া ও দাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে এবং উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

১২ রশিয়া গ্রা��ের বাসিন্দাদাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদুর্লভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আযমঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাতঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) একরামুল হকশিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO)শিবগঞ্জ থানার ওসিজেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ

Tags

Party ClashExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 30/04/26open original ↗

পাম্পে তেল নিতে গিয়ে সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

পাম্পে তেল নিতে গিয়ে সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০ ছবি: সমকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:১৩ | আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:১৯ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক হলমোড়ে পাম্প থেকে তেল নিতে গিয়ে বিরোধের জেরে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে ১২ রশিয়া গ্রাম ও দাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তিনি আরও বলেন, দুলভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. গোলাম আযমের নেতৃত্বে উভয় গ্রামের ৫ জন করে মোট ১০ জন প্রতিনিধিকে নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ নিয়ে সমঝোতা চলছে। - বিষয় : - চাঁপাইনবাবগঞ্জ - শিবগঞ্জ - সংঘর্ষ

Source 2: Jugantor · 29/04/26open original ↗

জ্বালানি তেল নিয়ে ২ গ্রামের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০

জ্বালানি তেল নিয়ে ২ গ্রামের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১০ Advertisement চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ পিএম চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে মির্জা ফিলিং স্টেশনের সামনে ১২ রশিয়া গ্রাম ও দাদনচক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হলেও পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) একরামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি দল দুই গ্রামের বাসিন্দাদের আলাদা করে দেয় এবং এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়। এদিকে দুর্লভপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আযমের নেতৃত্বে উভয় গ্রামের ৫ জন করে মোট ১০ জন প্রতিনিধি নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুপুরে সমঝোতা সভার আয়োজন করা হয়। পরে ইউএনও ও ওসির মধ্যস্থতায় মীমাংসা করা হয়। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, পেট্রল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসির মধ্যস্থতায় মীমাংসা করা হয়। ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ কথা জানান। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।