শিশুর লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে রাখা হয়
Why this classification
This is a single, specific incident in which a six-and-a-half-year-old girl was found dead, wrapped in a sack in a neighbour's house, and the suspects were arrested. Local residents then beat three people, damaged houses, and broke the windscreen of a police patrol van, so it involves a killing, physical assault, and property damage.
Killed
1
Injured
0
Summary
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে (১১ জুন ২০২৬) নিখোঁজ সাড়ে ৬ বছরের শিশু রাকা মনির লাশ প্রতিবেশী আমজাদ হোসেনের ঘর থেকে বস্তায় ভরা অবস্থায় উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা সন্দেহভাজনদের গণপিটুনি দেয়, বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং পুলিশ ভ্যানের কাচ ভাঙে, পরে চারজন গ্রেফতার হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
আদমদীঘিতে গৃহবধূকে আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণ
আদমদীঘিতে গৃহবধূকে আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণ প্রতীকী ছবি আদমদীঘি (বগুড়া) প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:৫৮ | আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:৫৯ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গৃহবধূকে আটক রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ এপ্রিল রাতের এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–সান্তাহার পোস্ট অফিসপাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। মামলা সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘির সান্তাহার পূর্ব লকু কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন ওই নারী। ২২ এপ্রিল তাদের পাশের বাসার এক মেয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন রাত ১১টার দিকে গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটে এক দোকানে ডেকে নেন মেয়েটির বাবা। তিনি মেয়েকে বের করে দেওয়ার জন্য তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আসামি মিঠু ও হৃদয় গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর করতে থাকেন। এক সময় ভয়ে পালিয়ে যান ওই নারীর স্বামী। এরপর আসামি রুনা ভুক্তভোগীকে মারধর করে তাঁর বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন। রাত ২টার দিকে আসামি সাহেদুল ও আজান ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ২৩ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগীর স্বামী ও স্বজনরা তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ও ভুক্তভোগী নারীকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে এবং ধর্ষণের শিকার নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - ধর্ষণ
প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল শিশু রাকা, পাওয়া গেল বস্তাবন্দী মরদেহ
বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া ছয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত শিশুর নাম রাকিকা আক্তার রাকা (৬)। সে সান্তাহার পৌরসভার ইয়ার্ড কলোনি নূরানি মাদরাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা রায়হান আলী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাকা প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার দাদি, ফুফু ও বাবা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও রাকার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। পরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য রাকার বাবাকে আদমদীঘি থানায় পাঠানো হয়। এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পান, সান্তাহার পৌরসভার সাহেবপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ির শয়নকক্ষ সংলগ্ন একটি কক্ষে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে রাকার মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন প্রধান সন্দেহভাজন আমজাদ হোসেনকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমজাদ হোসেন (৪০), তার স্ত্রী বন্যা (৩২) এবং অপর সহযোগী বাবুকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেন। এ সময় গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহ একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ঘরের পাশে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আব্দুল মোমিন/এসএইচএ
শিশুর লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে রাখা হয়
শিশুর লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে রাখা হয় আদমদীঘিতে নারীর স্বীকারোক্তি Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আদমদীঘির সান্তাহারে নিখোঁজের ছয় ঘণ্টা পর শিশু রাকিকা আক্তার রাকা মনির (সাড়ে ৬ বছর) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটির বাবা রায়হান উদ্দিন প্রামাণিক থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। গ্রেফতাররা হচ্ছে-মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন, তার স্ত্রী বন্যা খাতুন, প্রতিবেশী আবদুল কাদেরের ছেলে মো. বাবু এবং তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা আশা। ইনস্পেকটর (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার চারজনের মধ্যে প্রধান আসামি আমজাদ হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্য তিন আসামিকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে বন্যা খাতুন বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেন, শিশুটির কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে মাথায় আঘাত ও গলায় রশির ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুম করতে হাত-পা মুচড়ে বস্তায় ভরে রাখা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিশু রাকিকা আক্তার রাকা মনি মোটর মেকনিক রায়হান উদ্দিন প্রামাণিকের মেয়ে। শিশুটি স্থানীয় একটি নূরানি মাদ্রাসায় নার্সারি শ্রেণিতে পড়ত। মা অন্যত্র বিয়ে করে চলে যাওয়ায় শিশু রাকা তার ফুপু লিপির কাছে থাকত। বৃহস্পতিবার শিশুটি বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়। সন্দেহজনক আচরণ করায় এলাকাবাসী প্রতিবেশী মাদকাসক্ত আমজাদ হোসেনের বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি করলে ঘরে একটি বস্তায় হাত-পা মোড়ানো রাকার লাশ দেখতে পান। এ সময় এলাকাবাসী আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী বন্যা খাতুন এবং প্রতিবেশী মো. বাবুকে গণপিটুনি দেয়। বাড়িঘরও ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ আমজাদ, বন্যা ও বাবুকে উদ্ধার করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির একটি টহল ভ্যানের সামনের কাচ ভাঙচুর করেন। রাতে পুলিশ শিশু রাকা মনির লাশ উদ্ধার করে।
