ধর্ষণ করতে গিয়ে নিজের বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক
Why this classification
A local woman in Bhola cut a man's genitals with a razor blade after he forced his way into her home to attempt rape on 29 May 2026. The man was seriously injured, the woman filed a police case, and the police later detained him for treatment. This is a single, recent, concrete physical attack in Bangladesh, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
ভোলার চরফ্যাশনে ২০২৬ সালের ২৯ মে (শুক্রবার) রাতে ধর্ষণের চেষ্টাকালে আত্মরক্ষায় গৃহবধূ ব্লেড দিয়ে অভিযুক্ত ইমাম সন্দারের গোপনাঙ্গে আঘাত করেন, যাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে অভিযুক্তকে হাসপাতাল থেকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ভুক্তভোগী থানায় মামলা করেছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ
দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ ফাইল ছবি চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০০:২৬ ভোলার চরফ্যাসনে রাতের আঁধারে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট ও গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার চার দিন পর গত শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামি করে চরফ্যাসন থানায় লিখিত এজাহার দেন। শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও বিকেল পর্যন্ত মামলা গ্রহণ করা হয়নি। এদিকে থানায় এজাহার দাখিল করায় আসামিরা বাদীকে হুমকি দিচ্ছে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে শিশু সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহববধূ। পুলিশের দাবি, অভিযোগের তদন্ত শেষ হলে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। গত মঙ্গলবার রাতে আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। ভিকটিম ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর স্বামী কর্মসূত্রে অন্য জেলায় থাকেন। তিনি শিশু সন্তানদের নিয়ে একাই বাড়িতে থাকেন। গত মঙ্গলবার তিনি বাড়ি-সংলগ্ন স্থানে জমি কেনার জন্য ৪ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে ঘরে নিয়ে রাখেন। পরদিন সকালে ওই টাকা জমির মালিককে দেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার রাতে তিনি সন্তানদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় তার সিঁড়ির চিলেকোঠার গেট খোলা ছিল। গভীর রাতে তিনি ঘরের মধ্যে কারও হাঁটার শব্দে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পান ওই গ্রামের নুর করিম, নাজমুল ও হানিফ আবদুল তাঁর ঘরে ঢুকে হাঁটাচলা করছে। তিনি চিৎকার করলে তারা তাঁর মুখ চেপে ধরে। তাঁর বড় সন্তান সজাগ হলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলা হয়। তারা ঘরে থাকা জমি কেনার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। পরে চার সন্তানকে অন্য একটি কক্ষে আটকে তাঁকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। দুর্বৃত্তরা বেরিয়ে গেলে তিনি সন্তানদের কক্ষ থেকে উদ্ধার করে চিৎকার দেন। স্বামীসহ স্বজনদেরও বিষয়টি ফোনে জানান। সকালে স্বজনরা এসে তাঁকে চরফ্যাসন হাসাপাতালে ভর্তি করেন। গৃহবধূ জানান, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মামলা দিতে থানায় গিয়ে ঘুরলেও কোনো সাহায্য পাননি। সমকালসহ একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় শুক্রবার রাতে থানায় একটি লিখিত এজাহার দেন। গতকাল সকালে চরফ্যাসন থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও বিকেল পর্যন্ত মামলা নেওয়া হয়নি। গৃহবধূ বলেন, থানায় এজাহার দাখিল করে আসামিদের হুমকির মুখে পড়েছি। চার শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। থানায় এহাজার দাখিলের খবর শুনে অভিযুক্তরা গা-ঢাকা দেওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা জায়নি। চরফ্যাসন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, ভিক্টিম নারীর একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি। বিয়য়টির তদন্ত চলমান। পরে মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। - বিষয় : - ভোলা - দলবদ্ধ ধর্ষণ
ধর্ষণ করতে গিয়ে নিজের বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক
ধর্ষণ করতে গিয়ে নিজের বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক Advertisement চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৩:৪০ এএম ভোলার চরফ্যাশনে এক গৃহবধূকে ধর্ষণে করতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতির শিকার হয়েছেন ইমাম সন্দার নামে এক ব্যক্তি। আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের বিশেষ অঙ্গে আঘাত করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি। এতে ওই ব্যক্তি নিজের বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন। পরে ইমাম সন্দার সেখান থেকে পালিয়ে এসে চরফ্যাশন হাসপাতালে ডা. জাহিদুল ইসলামের নিকট চিকিৎসা নিয়ে সটকে পড়েন। শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনার পর ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলাও করেছেন দক্ষিণ আইচা থানায়। অভিযুক্ত ইমাম সন্দার (৩৫) একই এলাকার মজিদ সন্দারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে অভিযুক্ত তাকে সরাসরি ও মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তিনি প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বিভিন্ন সময় তার নামে অপপ্রচার ও অশালীন মন্তব্য করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ। রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত তাকে ফোন করেন। একপর্যায়ে তিনি ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এ সময় আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে রান্নাঘরে থাকা একটি ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে তিনি চিৎকার করতে করতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আহতের পুরুষাঙ্গ নিচের অংশে কাটা গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবীর। তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সটকে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় অভিযুক্ত ইমাম সন্দারকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে পুনরায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
