ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Brahmanbaria. Parties reported: Atikur Rahman (Shishu Miah) Group, Former UP Chairman Abul Hossain Ahmed Group. Reported casualties: 0 killed and 50 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
50
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে ২০০৬ সালের ৮ আগস্ট দুটি পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 6
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 50
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নাসিরনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক
নাসিরনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক ছবি: সংগৃহীত নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬ | ২০:২৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ঈদের দিন পৃথক ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। শনিবার উপজেলার ভলাকুট ও বুড়িশ্বর ইউনিয়নে পৃথক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উভয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঈদের নামাজ শেষে ভলাকুট ইউনিয়নের বালিখোলা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. তৈয়ব মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন ওষুধ কিনতে গেলে সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়ার ছেলে মজনু মিয়ার সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। তিন মাস আগের একটি হুমকিমূলক মেসেজকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বাকবিতণ্ডা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বাচ্চু মিয়ার পক্ষের ইকরাম মিয়া, রুবেল মিয়া, কাপতান মিয়া, মফিজ মিয়া, আরিফ মিয়া, জসিম মিয়া, আলমগীর মিয়া, ফরসু মিয়া, গিয়াস উদ্দিন, আয়ুব আলী, খেলু মিয়া, ইউনুস মিয়া, হামিম মিয়া, ইমন মিয়া, রিফাত মিয়া, জহিরুল মিয়া, ছেনু মিয়া, তৈয়ব মিয়া, রফিজ আলী, ইসব আলী, খাজা আলম, জাহাঙ্গীর মিয়া, কালন মিয়া, আক্কাস আলী ও ইয়াসিন মিয়ার নাম জানা গেছে। অন্য পক্ষের আহতদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একইদিন সন্ধ্যায় বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামে যুবককে চোর সন্দেহে মারধরের সময় তার আত্মীয়রা উদ্ধার করতে গেলে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল সরকারের বাড়িতে ঈদের দাওয়াতের কথা বলে ৬০ ঘর পাড়ার যুবক আমিন মিয়াকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। পরে আমিনের মাধ্যমে কৌশলে আরেক যুবক ইব্রাহিমকে ডেকে এনে তাকেও একইভাবে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে তাদের স্বজনরা উদ্ধার করতে গেলে হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত নিজাম উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম ছুটিতে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এসআই মো. সোহেল জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পেয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া - নাসিরনগর - দুই পক্ষের সংঘর্ষ - আহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। এ সময় অনেকের হাতে বল্লমসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। শনিবার বেলা ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামেছবি: সংগৃহীত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। আজ শনিবার উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা চলে সংঘর্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আতিকুর রহমান ওরফে শিশু মিয়া এবং একই গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন আহমেদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল ফুটবল খেলা শেষে বাড়ি ফিরছিল আবুল হোসেনের পক্ষের আপন মিয়া (১৮) ও বায়েজিদ আহমেদ (১৬)। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে টিয়ারা গ্রামে তাদের পেয়ে মারধর করেন আতিকুর রহমানের লোকজন। এ ঘটনার জের ধরে এদিন বিকেল পাঁচটার দিকে স্থানীয় টিয়ারা বাজারে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আজ টিয়ারা বাজারে আবারও দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দা, ছুরি, টেঁটা, বল্লমসহ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।বেলা একটা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষছবি: সংগৃহীত সংঘর্ষে উভয় পক্ষের দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অন্তত ৪০ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকি লোকজন স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকসহ নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। আহত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আবু কাউসার, শেখ ফরিদ ও মো. আলামিন প্রথম আলোকে বলেন, সকালে কথা কাটাকাটি পর উভয় পক্ষ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে নামে। পরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আবুল হোসেন ও আতিকুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। তবে আবুল হোসেনের পক্ষের আহত আবু কাউসার নামের একজন প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার উপজেলার ভদ্রগাছা থেকে ফুটবল খেলে ফেরার পথে আপন ও বায়েজিদকে মারধর করে শিশু মিয়ার (আতিকুর রহমান) লোকজন। বিকেল পাঁচটার দিকে টিয়ারা বাজারে গলে তারা আবার হামলা চালায়। আমরাও পরে হামলা চালাই।’ সংঘর্ষে আহত অন্তত ৪০ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেনছবি: প্রথম আলো এর আগে ১ ও ২ জুন দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আবুল হোসেনের পক্ষের ইকবাল মিয়া নামের একজন আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জুন তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ভাই আতিকুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি ২৫ থেকে ৩০ জন। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোরশেদ আলম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, গ্রামের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ও একই গ্রামের আতিকুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ববিরোধের জের ধরে এবারও তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বর্তমানে পরিস্থিত শান্ত রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াসরাইলসংঘর্ষচট্টগ্রাম বিভাগআহত
