স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a recent (within 14 days) physical clash between two teachers who are spouses, occurring inside Bangladesh. This meets the definition of violence (physical clash) and is classified as gender‑based (domestic) violence.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaDhaka PostJugantorCorroborated · 4 sources
02/10/26•অকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অফিস

Killed

0

Injured

0

Summary

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসে প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মধ্যে পারিবারিক বিরোধে শারীরিক মারামারি ঘটেছে। ভিডিওটি সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার ফলে ঘটনা প্রকাশ পায়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Afzal HossainAsma Begum

Affected infrastructure

School office

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 14/10/26open original ↗

অফিস কক্ষে নারী শিক্ষকের সঙ্গে মারামারিতে জড়ালেন প্রধান শিক্ষক

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে জানা যায়, মারামারিতে জড়ানো ওই দুই শিক্ষক সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। মারামারিতে লিপ্ত শিক্ষকেরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন এবং তাঁর স্ত্রী ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে তাঁদের বিয়ে হয় এবং তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। তবে প্রায় ১৪ বছর ধরে তাঁরা আলাদা বসবাস করছেন এবং আদালতে তাঁদের মামলা চলছে। ২০১১ সালে তাঁরা দুজনই এই বিদ্যালয়ে যোগ দেন। প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনার দিন তাঁদের মধ্যে মারামারি হয়। সে সময় সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে তিনি ভিডিওটি ধারণ করান। তবে বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। এর আগেও দুই-তিনবার বিদ্যালয়ে তাঁদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলেও জানান আফজাল হোসেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আজ বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ এ বিষয়ে নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘দুই শিক্ষকের মারামারির ভিডিওটি দেখেছি। ঘটনাটি অপ্রত্যাশিত। মারামারির সময় শিক্ষার্থীদেরও বিষয়টি দেখতে হয়েছে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’

Source 2: Dhaka Post · 14/10/26open original ↗

স্কুলের ভেতরেই শিক্ষক-শিক্ষিকার হাতাহাতি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়। ঘটনাটি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। মারামারিতে জড়ানো দুজন হলেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগম। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাটি আগে ঘটলেও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। জানা যায়, আফজাল হোসেন ও আসমা বেগমের বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। প্রায় ১৪ বছর ধরে তারা আলাদা থাকেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাদের মধ্যে আদালতে মামলাও চলছে। আফজাল হোসেন ও আসমা বেগম দুজনই ২০১১ সালের দিকে আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয়। তার ভাষ্য, সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে তিনি ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করান। আফজাল হোসেন আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে দূরত্ব রয়েছে। তবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক। তিনি জানান, এর আগেও ২-৩ বার বিদ্যালয়ে তাদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। তবে ফেসবুকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কাম্য নয়। আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জনের বেশি। সাখাওয়াত সুমন/এমএমবি

Source 3: Jugantor · 15/10/26open original ↗

প্রধান শিক্ষক ও নারী শিক্ষকের মারামারির ভিডিও ভাইরাল, বিভাগীয় মামলা

প্রধান শিক্ষক ও নারী শিক্ষকের মারামারির ভিডিও ভাইরাল, বিভাগীয় মামলা. ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে প্রধান শিক্ষক ও তার স্ত্রী ওই বিদ্যালয়ের নারী শিক্ষকের মধ্যে মারামারি ও ধস্তাধস্তি

Source 4: Prothom Alo · 13/10/26open original ↗

স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল

প্রতীকী ছবি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনাটি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে জানা গেছে, মারামারিতে জড়ানো দুজন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের জেরে ১০ থেকে ১২ দিন আগে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। আফজাল হোসেন ও আসমা বেগমের বিয়ে হয় ২০০৪ সালে। তাঁদের সংসারে একটি মেয়ে রয়েছে। তিনি উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রায় ১৪ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকেন। দুজনের মধ্যে মামলাও চলছে আদালতে। তাঁরা দুজনই ২০১১ সালের দিকে বিদ্যালয়টিতে যোগ দেন বলে জানা গেছে। প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মাঝেমধ্যে সেই বিরোধ বিদ্যালয় পর্যন্ত গড়ায়। ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয়। তিনিই সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে ভিডিও ধারণ করান। তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে দূরত্ব রয়েছে। তবে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করেন আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, আগে আরও দু-তিনবার বিদ্যালয়ে তাঁদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত। শিক্ষার্থী রয়েছে ৯০ জনের বেশি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের। তবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কাম্য নয়। আরও পড়ুন বিদ্যালয়ের সভায় ‘কথা কস ক্যারে’ বলে শিক্ষিকাকে থাপ্পড় আরেক শিক্ষকের ০৬ অক্টোবর ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ভাইরাল ভিডিওশিক্ষকবিদ্যালয়ময়মনসিংহমারামারিসরকারি বিদ্যালয়ফুলবাড়িয়া