গাজীপুরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports a specific attack on a house in Konabari, Gazipur, on 11 April 2026. About 30 to 32 people, led by a Chhatra Dal (BNP student wing) leader, attacked with machetes, iron rods and sticks, damaged the house and beat tenants. Because the attack itself is described and it falls within the 14-day window, it qualifies as violence, even though the press conference is the source of the report.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
11/04/26•Amabagh, Konabari

Killed

0

Injured

0

Summary

গাজীপুরের কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় ১১ এপ্রিল দুপুরে ছাত্রদলের থানা সভাপতি পদপ্রার্থী রায়হান হোসেন হৃদয় ও সাবিক হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৩২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ভাড়াটিয়াদের মারধর করে। পুলিশ ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাড়ির মালিক সাধারণ ডায়েরি করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

রায়হান হোসেন হৃদয় (Konabari Thana Chhatra Dal president candidate)সাবিক হোসেনরেজাউল করিমতাইজুদ্দিনএমএ হান্নান (house owner)রবিউল আলম (tenant)

Affected infrastructure

houses

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 13/04/26open original ↗

ভালোবেসে ঘর ছেড়েছিল মেয়েটি, ফিরল লাশ হয়ে

গাজীপুর ভালোবেসে ঘর ছেড়েছিল মেয়েটি, ফিরল লাশ হয়ে গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৩৬ পুতুল খেলার বয়স ফুরানোর আগেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ঝর্ণা আক্তার। বাবা-মায়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বছর দুই আগে প্রেমিক অপু আহমেদের হাত ধরে চলে যায় ঝর্ণা। সংসার পাতেন অপু-ঝর্ণা। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর। বিয়ের পর বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ওই কিশোরী। কিন্তু ভালোবাসার সংসারে হঠাৎ করে লাগে অশান্তির আগুন। স্বামী অপুর হাতে প্রাণ যায় ঝর্ণার। গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালার জঙ্গলাপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে ঝর্ণার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই এলাকার মাসুদ রানার ভাড়াবাড়িতে বাস করত এই দম্পতি। ঘটনার পরপরই স্বামী অপু আহমেদ পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, ঝর্ণা আক্তার শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা এলাকার হামিদুল ইসলামের মেয়ে। তাঁর স্বামী অপু শ্রীপুর পৌরসভার আসপাডা এলাকার হযরত আলীর পালিত ছেলে। পুলিশ তাঁর বাবা হযরত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। অপু পেশায় মাওনা-জয়দেবপুর সড়কে চলাচলকারী তাকওয়া (মিনি) পরিবহনের বাসচালক। নিহত ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম জানান, দুই বছর আগে পরিবারের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বাসচালক অপুকে বিয়ে করে ঝর্ণা। এরপর থেকে মেয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না। বিয়ের পর মেয়ে ঝর্ণা তাঁর স্বামী অপুকে নিয়ে বাড়ির পাশেই বেড়াইদেরচালা জঙ্গলাপাড়া এলাকার মাসুদ রানার বাড়িতে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকে। বাড়ির মালিক মাসুদ রানার স্ত্রী লাভলী আক্তার বলেন, অপু নিজেই প্রতিবেশী তানিয়াকে ফোন করে ঝর্ণার মৃত্যুর বিষয়টি জানায়। একই সঙ্গে লাশ উদ্ধারের অনুরোধ করে। পরে তানিয়া তাৎক্ষণিক বাড়ির মালিককে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তালাবদ্ধ ঘর থেকে ঝর্ণা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে। শ্রীপুর থানার ওসি নাছির আহমদ জানান, সুরতহাল রিপোর্টে মরদেহের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে বা বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে লাশ ঘরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে গেছে ঘাতক। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় রোববার বিকেলে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন ঝর্ণার বাবা হামিদুল ইসলাম। - বিষয় : - গাজীপুর

Source 2: Jugantor · 16/04/26open original ↗

গাজীপুরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি

বসতবাড়ি ভাঙচুর গাজীপুরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাজীপুরের কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক এমএ হান্নান। বুধবার দুপুরে বসতবাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এলাকায় টিনশেড বাড়ি করে ভাড়া দিয়ে আসছেন। ১১ এপ্রিল দুপুরে স্থানীয় রেজাউল করিম ও তাইজুদ্দিনের মদদে রায়হান হোসেন হৃদয় (কোনাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী) ও সাবিক হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ৩০-৩২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা রামদা, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর এবং ভাড়াটিয়াদের মারধর করে। এ সময় ভাড়াটিয়া রবিউল আলম ৯৯৯-এ ফোন করলে কোনাবাড়ী পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এমএ হান্নান কোনাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন এবং ভাড়াটিয়া রবিউল আলম লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি ন্যায়বিচার দাবি করেন।