আমির হামজার গাড়িবহরে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের
Why this classification
This incident was classified as political violence in Kushtia. Parties reported: Jamaat, Gono Odhikar Parishad. Reported casualties: 0 killed and 7 injured. Reported by 4 sources.
Killed
0
Injured
7
Summary
২০২৬ সালের ১৫ই আগস্ট সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তা মোড়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। হামলায় আমির হামজা, তাঁর পরিবারের সদস্য ও সফরসঙ্গীসহ সাতজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত এই হামলার জন্য গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 6
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 7
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মশাল মিছিল
কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়ার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মশাল মিছিল করেছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।আজ সোমবার রাত ৮টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মশাল মিছিল বের করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তাঁরা। এতে বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি ওসমান গনি রুবেল, গণঅধিকার পরিষদ সদর উপজেলার সভাপতি সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল রাজু প্রমুখ।বক্তারা বলেন, গত শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের পূর্বঘোষিত সমাবেশ ছিল। কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ের ওপর শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যের শেষ মুহূর্তে সংসদ সদস্য আমির হামজা ও আশপাশের জামায়াত শিবিরের কর্মীরা এসে অতর্কিতভাবে সমাবেশে হামলা করেন। এ সময় বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। বক্তারা জানান, জামায়াতের লোকজন তাঁদের এক কর্মীর পায়ের দুটা রগ কেটে দিয়েছেন। আরেক নেতার নাকের হাড় ভেঙে গেছে এবং কপালের হাড় ফেটে গেছে। বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে আমির হামজার সংসদ সদস্য পদ বাতিল ও এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিতে হবে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজা তার গাড়িবহরে গণঅধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ পূর্বপরিকল্পিত হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ একাডেমি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আমির হামজা বলেন, গতকাল আমার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিয়ে ফিরে আসার সময় গণঅধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা আমার গাড়িবহরে এক বর্বর ও অতর্কিত হামলা চালায়। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা বা সাধারণ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছিল না। এটি ছিল গণঅধিকার পরিষদের সন্ত্রাসীদের এক পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করা এবং আমার গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যেই তারা এই ছক এঁকেছিল। তিনি বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি ও আলেম হিসেবে জনগণের নিরাপত্তায় কাজ করাই আমার দায়িত্ব। কিন্তু যারা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, প্রকাশ্যে একজন সংসদ সদস্যের ওপর পরিকল্পিতভাবে আঘাত হানার দুঃসাহস দেখায়, তারা সমাজের শত্রু, কুষ্টিয়াবাসীর শত্রু। আমির হামজা বলেন, সংবাদ সম্মেলন থেকে আমার সুস্পষ্ট হুঁশিয়ারি ও দাবি- সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। এই পূর্বপরিকল্পিত হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত গণঅধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হব । স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে তিনি বলেন, আমি কুষ্টিয়া-৩ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে ধৈর্য ও শান্তি বজায় রাখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। তবে মনে রাখতে হবে, আমাদের এই ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করবেন। যদি প্রশাসন অবিলম্বে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনে, তবে কুষ্টিয়ার শান্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কড়া জবাব দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আমির হামজা বলেন, সামনে সদর ওসির গাড়ি এবং পেছনে সেকেন্ড ওসির গাড়ি মাঝখানে আমার গাড়ি ছিল। প্রায় ১৫-১৬ জন পুলিশ ছিল দুই গাড়িতে। এতকিছুর পরেও যদি একজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা হয় তাহলে আপনারা কোন জায়গায় আছেন টের পাচ্ছি। এই জেলার প্রশাসন নিষ্ক্রিয় এবং ব্যর্থ। এই জেলার যারা দায়িত্বে আছে, প্রশাসনে যে যেখানে দায়িত্বে আছে সব ব্যর্থ। তিনি বলেন, আমার মেয়েরও গলায় চেন টান মেরে খুলে নিয়ে গেছে। যেখানে এমপি ও এমপির মেয়ে নিরাপদ না। তারা পথে ঘাটে হামলার শিকার হয়। তাদের জিনিসপত্র ছিনতাই হয় সেখানে সাধারণ মানুষ কী অবস্থায় আছে এই জেলায়? ঘটনার সময় গাড়ির ভেতর থেকে লাঠি বের করার বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে আমির হামজা বলেন, আমার গাড়িতে সব সময় দুটি লাঠি রেখে দিই। তার কারণ সরকারিভাবে এখনো অস্ত্রের লাইসেন্স করা নেই। সরকার এখনো বডিগার্ড দেয়নি বা নিইনি। সেই হিসাবে আমার নিজের সিকিউরিটির জন্য লাঠি রাখি। যখন আমার ওপর হামলা হয়, তখন আমার চালক লাঠি হাতে নেমে যায়। আমি নিজে গাড়ি চালিয়ে সেখান থেকে যাই। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনসহ জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। রবিউল আলম ইভান/আরএআর
জামায়াত ও গণঅধিকারের পালটাপালটি মামলা
কুষ্টিয়ায় হামলা জামায়াত ও গণঅধিকারের পালটাপালটি মামলা Advertisement কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ এএম ছবি: সংগৃহীত কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলার অভিযোগে জমা দেওয়া এজাহার মামলা হিসাবে রুজু করা হয়েছে। একই সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগে জমা দেওয়া এজাহারও মামলা হিসাবে রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে মামলা দুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, সোমবার রাতে এমপি আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে দেওয়া এজাহারটি রুজু হয়েছে। একই সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন হোসেন বাদী হয়ে দেওয়া এজাহারটি রুজু হয়েছে। মামলা দুটির কোনো আসামি গ্রেফতার নেই। এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) মোমিন বিশ্বাস এজাহারটি কুষ্টিয়া মডেল থানায় জমা দিয়েছিলেন। একই দিন রুমন হোসেন একটি এজাহার জমা দেন। মোমিন বিশ্বাসের করা মামলায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ জনকে। অন্যদিকে রুমন হোসেনের করা মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে। ১৫ আগস্ট ওই হামলার ঘটনা ঘটে।
আমির হামজার গাড়িবহরে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তা মোড়ে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার জন্য গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত। হামলার ঘটনার নিন্দা–প্রতিবাদ জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতি দেন। তাঁর বিবৃতিটি গতকাল দিবাগত রাতে জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমির হামজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর গাড়িবহরে গণ অধিকার পরিষদের সন্ত্রাসীরা অতর্কিত ও বর্বরোচিত হামলা করেছে। হামলায় আমির হামজা, তাঁর পরিবারের সদস্য, সফরসঙ্গীসহ সাতজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর এ ধরনের নগ্ন–পরিকল্পিত হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হামলার ঘটনাটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির বহিঃপ্রকাশ। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে আমির হামজা আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে পুলিশের নিষ্ক্রিয় ও নীরব ভূমিকা অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ যদি সময়মতো কঠোর ও সতর্ক ভূমিকা পালন করত, তাহলে সন্ত্রাসীরা এমন দুঃসাহস দেখাতে পারত না। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিবৃতিছবি: জামায়াতের ফেসবুক পেজ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল তাঁর বিবৃতিতে আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আরও পড়ুন কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীহামলাবিবৃতিকুষ্টিয়া
