লোডশেডিংয়ের সুযোগে দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টা
Why this classification
An accused man, Mithun Das, was caught attempting to rape two sisters in their home during a power cut, and his relatives then attacked the sisters' house, vandalised it and beat their parents. This is a concrete physical attack with injuries and property damage, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
2
Summary
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লোডশেডিংয়ের সুযোগে মিথুন দাস নামের এক যুবক দুই বোনকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন, পরে তার স্বজনরা তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান এবং তাদের বাবা-মাকে মারধর করেন। ঘটনার সাত দিন পরেও প্রধান আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় স্থানীয়রা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লোডশেডিংয়ের সুযোগে দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টা
লোডশেডিংয়ের সুযোগে দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টা বড়লেখায় আসামিদের গ্রেফতারের দাবি Advertisement বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বড়লেখার তালিমপুর ইউনিয়নের উত্তর বড়ময়দান গ্রামে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সুযোগে ঘরে ঢুকে দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টাকালে আটক হন মিথুন দাস নামের এক যুবক। পরে তাকে তার স্বজনরা ছাড়িয়ে নেয়। এ সময় দুই বোনের বাড়িতে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালায় তারা। মারধর করা হয় তাদের বাবা ও মাকে। এ ঘটনায় মিথুন দাস, তার বাবা মাখন চন্দ্র দাস, ভাই টিপু চন্দ দাস, চাচা অরুণ চন্দ্র দাস ও চাচাতো ভাই অরূপ দাসের নামে মামলা হয়। রাতেই পুলিশ অরুণ দাসকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালে সে পরদিন জামিনে বেরিয়ে আসে। এরপর থেকে তারা ভুক্তভোগীদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু ঘটনার ৭ দিনেও প্রধান আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয়রা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুকূল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস, ইউপি সদস্য সালহ আহমদ ও সঞ্জীব দাস প্রমুখ। সমাবেশে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়।
