হামলায় অংশ নিতে রাজি না হওয়ায় বাড়িতে হামলা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The incident meets the definition of political violence: it involves a BNP leader's faction attacking civilians, resulting in injuries and property damage. All decision trace checks are true, so it is classified as political violence.

Reported by:SamakalProthom AloJugantorAjker PatrikaCorroborated · 4 sources
02/10/26•ধুমঘাট মঠেরচক, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

7

Summary

শুক্রবার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট মঠেরচক এলাকায় দুই যুবকের বাড়িতে সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা হয়। হামলাকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বাড়ি ও দুইটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে সাতজন আহত হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

সাইদুল ইসলাম (BNP যুগ্ম আহ্বায়ক)সাব্বির হোসেন রাজু (সাইদুলের ছেলে)রশিদুল ইসলাম (BNP সদস্য)জয়ন্ত মণ্ডলমিলন মণ্ডলজয়ন্তজগদীশমিঠুআমির হোসেনআরিজুলপিয়ার আলীপিয়ার উদ্দিন (থানার পরিদর্শক)

Affected infrastructure

housesmotorcycles

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 7

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 03/10/26open original ↗

হামলায় অংশ নিতে রাজি না হওয়ায় বাড়িতে হামলা

হামলায় অংশ নিতে রাজি না হওয়ায় বাড়িতে হামলা শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:০৯ | প্রিন্ট সংস্করণ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হামলায় অংশ না নিতে রাজি না হওয়ায় দুই যুবকের বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়েছে। এ সময় বাধা দেওয়ায় ওই নেতার ভাইয়ের লোকজনের হামলায় সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের দুজনকে গুরুতর অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট মঠেরচক এলাকায় জয়ন্ত মণ্ডল ও মিলন মণ্ডলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তাদের অভিযোগ, হামলায় ২৪-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি অংশ নেন। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে সাব্বির হোসেন রাজু।  এলাকাবাসী জানায়, সাইদুল ইসলামের ভাই রাশিদুল ইসলাম বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগে থাকার পর সম্প্রতি দলে ফিরে ইউনিয়ন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পান সাইদুল। তাঁর ছেলে সাব্বির হোসেন রাজু মাস দুয়েক আগে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে নির্বাচন করে হেরে যান। বাবা-ছেলের সঙ্গে রাশিদুল ইসলামের নানা বিষয়ে বিরোধ রয়েছে।  মিলন মণ্ডলের ভাষ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে দুই ভাই নিজ নিজ অনুসারীদের নিয়ে এলাকায় মহড়ার চেষ্টা করেন। গতকাল সকালে রাশিদুলের লোকজনের ওপর হামলা করতে প্রতিবেশী হিসেবে তাঁকে ও জয়ন্তকে ডেকে পাঠান সাইদুল। কিন্তু তারা রাশিদুলের বিপক্ষে লাঠি ধরতে রাজি হননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুরের দিকে সাইদুল ও তাঁর ছেলের নেতৃত্বে দুজনের বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়। এ সময় ছোড়া ইটপাটকেলে তাদের বাড়িঘরে ক্ষতি হয়। হামলাকারীরা তাদের দুটি মোটরসাইকেল গুঁড়িয়ে দিয়েছে।  এলাকাবাসী তাদের রক্ষা করতে এসে আহত হন। তারা হলেন– জয়ন্ত, জগদীশ, মিঠু, আমির হোসেন, আরিজুল, পিয়ার আলী ও মিলন। তাদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমির হোসেন ও পিয়ার আলীকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।  সাইদুল ইসলামের দাবি, তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করায় এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় দু’চারজন আহত হন। তবে অবস্থা মারাত্মক কিছু না।  শ্যামনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পিয়ার উদ্দিন বলেন, আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের দুজনকে সাতক্ষীরা রেফার করা হয়েছে। ভাঙচুর করা মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।    - বিষয় : - হামলা

Source 2: Ajker Patrika · 06/10/26open original ↗

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া হত্যা: সীমান্ত থেকে প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র জাকারিয়া খানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর এলাকা থেকে তাঁর এক সহযোগীসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকার মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে। তাঁর সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপন হাসান (৩০) একই এলাকার হুমায়ুন কবীরের ছেলে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্র জাকারিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছেন—এমন তথ্য পুলিশের কাছে আসে। এর ভিত্তিতে সদর থানা, কালিগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে সেখানে অভিযান চালায়।অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী একটি এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নাহিদ হাসান এবং জাকারিয়া হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি অমিত হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। যেভাবে হত্যার অভিযোগপুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকানের মালিক রবিউল ইসলামের ভাইপো বাপ্পি হাসানের সঙ্গে নাহিদসহ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরোধ বাধে। এ সময় বাপ্পি হাসানকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কলেজছাত্র জাকারিয়া নাহিদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় নিহত জাকারিয়ার ভাই শাহরিয়ার খান বাদী হয়ে শনিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।এর আগে শনিবার ভোরে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Source 3: Jugantor · 20/06/26open original ↗

কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, অবিস্ফোরিত দুই ককটেল উদ্ধার

কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, অবিস্ফোরিত দুই ককটেল উদ্ধার Advertisement সাতক্ষীরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় একটি বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেলও উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী এলাকায় অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে ককটেল দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হেমায়েত আলী বাবু জানান, সকালে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে এসে আগুন লাগানোর বিষয়টি দেখতে পান। পরে কার্যালয়ের আশপাশে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ককটেল দুটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে। এতে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রীর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

Source 4: Prothom Alo · 03/10/26open original ↗

সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়ে তরুণের মৃত্যু

জাকারিয়া খানছবি: পরিবারের সৌজন্যে সাতক্ষীরা শহরে দোকানদারের সঙ্গে কয়েকজন তরুণের মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাহত হয়ে এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাকারিয়া খান (১৯) সাতক্ষীরা সদরের বেকারি ব্যবসায়ী আবদুল গফুরের ছেলে। তিনি সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহর মামাতো ভাই। পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে জাকারিয়া তাঁর মামার দোকানে গিয়েছিলেন। দোকান বন্ধ হওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ে একটি জটলা দেখতে পান। সেখানে কয়েকজন তরুণকে এক দোকানদারের সঙ্গে মারামারি করতে দেখে জাকারিয়া তাঁদের থামাতে যান। এ সময় তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় জাকারিয়াকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ বলেন, ‘একজন মানুষ অন্যায় থামাতে গিয়ে যদি জীবন হারায়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউ অন্যায় দেখেও এগিয়ে আসতে ভয় পাবে। শহরটা দিন দিন অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।’ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানান সাতক্ষীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. শহীদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে। ময়নাতদন্তের জন্য জাকারিয়ার মরদেহ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশলাশহাসপাতালসাতক্ষীরাখুলনা বিভাগ