জমি লিখে নিয়ে বাবাকে হত্যার অভিযোগ, ভাই-ভাবি-ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This report describes a confirmed criminal incident where a father was allegedly killed by his family members over a land dispute, leading to a court case.

Reported by:Dhaka PostSingle source
11/10/26•Hatbila

Killed

1

Injured

0

Summary

যশোরের সদর উপজেলায় জমি লিখে নেওয়ার পর বাবাকে হত্যার অভিযোগে দুই ছেলেসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 7

Perpetrator side

Family Members

Victim side

Family Members

Other actors

ইদ্রিস আলীছামাদ দফাদারহায়দার আলীআব্দুল কুদ্দুসরাবেয়া বেগমসাইদুরনুর ইসলামআব্দুল হান্নান

Tags

Land DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Family Members

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Family Members

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 12/10/26open original ↗

জমি লিখে নিয়ে বাবাকে হত্যার অভিযোগ, ভাই-ভাবি-ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা

জমি লিখে নিয়ে বাবাকে হত্যার অভিযোগে যশোরের আদালতে দুই ছেলেসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) নিহত ছামাদ দফাদারের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছেলে ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের বিষয়ে থানায় আগে কোনো মামলা হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের বড় ছেলে হায়দার আলী, আরেক ছেলে আব্দুল কুদ্দুস, পুত্রবধূ রাবেয়া বেগম, নাতি সাইদুর এবং সহযোগী নুর ইসলাম ও আব্দুল হান্নান। মামলার বিবরণে জানা যায়, যশোর সদর উপজেলার হাটবিলা মৌজার আরএস ১৮৬৭, ১৮৬৮ ও ১৮৭০ দাগের জমির মধ্যে ক্রয়সূত্রে ১৩ শতক জমির মালিক ইদ্রিস আলী। সেখানে বড়ভাই হায়দার আলীর একটি মাছের পুকুর থাকায়, বিনিময়ে আরএস ১১৪৪ দাগের ৩৯ শতক জমি লিখে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এই শর্তে ২০২০ সালে ইদ্রিস আলী ১৩ শতক জমি হেবা দলিল করে দিলেও পরবর্তীতে তাকে আর কোনো জমি দেওয়া হয়নি। এর আগে ২০১৯ সালে বাবাকে ভুল বুঝিয়ে আসামিরা প্রায় এক কোটি টাকার সম্পত্তি লিখে নেন। বাবা ছামাদ দফাদার ওই দলিল বাতিল ও ইদ্রিস আলীর জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হন। বাদীর অভিযোগ, জমি বিরোধের জেরে আসামিরা তার বাবাকে হত্যা করে তড়িঘড়ি দাফন করেছেন। গত ১১ অক্টোবর তিনি ভাইদের বাড়িতে গিয়ে বাবার মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তাকে লাঞ্ছিত করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। রেজওয়ান বাপ্পী/এসএইচএ