হবিগঞ্জে হোমিওপ্যাথিক তরল পানে স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জনের মৃত্যু
Why this classification
The event involves multiple fatalities from toxic liquid consumption, meeting the criteria for a severe violent incident under the criminal category, occurring within the valid 14-day window in Bangladesh.
Killed
5
Injured
0
Summary
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকান থেকে কেনা অ্যালকোহলজাতীয় তরল পান করার পর স্বামী-স্ত্রীসহ পাঁচজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে এটি পান করার পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও বাড়িতে মারা যান।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হবিগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জনের মৃত্যু
‘হোমিওপ্যাথিক তরল পান’ হবিগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জনের মৃত্যু Advertisement হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ‘হোমিওপ্যাথিক তরল পান’ করার পর স্বামী-স্ত্রীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং বাড়িতে তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ। পুলিশ খবর পেয়ে একজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতরা হলেন-লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের সুদেব দাস (৬০), সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত (৪৫)। পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ওই পাঁচজন উপজেলার মোড়াকরি বাজারের একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকান থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল কিনে নিয়মিত পান করতেন। মঙ্গলবার রাতে পান করার পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে সবাই মারা যান। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুজিতের মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান সুদেব। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেওয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস নিজ গ্রামেই মারা যান। ওসি শরীফ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। তবে নিহতদের স্বজনরা পুলিশকে না জানিয়েই চারজনের লাশ দাহ করেন। পরে সুদেব দাসের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, ‘তারা যে তরল পান করেছিলেন, সেটির উৎস কী, এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি না-তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’ এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে ওসি শরীফ আহমেদ জানিয়েছেন। সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ দাস বলেন, কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার বিকল্প নেই।
