মনিরামপুরে তৃতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে অন্তঃসত্ত্বাকে হত্যা
Why this classification
ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যা, যেখানে স্বামী তার তৃতীয় বিয়ের জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। এটি একটি সাম্প্রতিক ঘটনা (প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬) এবং বাংলাদেশের যশোর জেলায় সংঘটিত হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
যশোরের মনিরামপুরে তাসলিমা খাতুন ময়না (২৩) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামী হেলাল উদ্দিন তৃতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে পরিকল্পিতভাবে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে স্বজনদের অভিযোগ।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মনিরামপুরে তৃতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে অন্তঃসত্ত্বাকে হত্যা
মনিরামপুরে তৃতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে অন্তঃসত্ত্বাকে হত্যা সৎ-বাবা ও স্বামী আটক Advertisement মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মনিরামপুরে তাসলিমা খাতুন ময়না (২৩) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মোহনপুর গ্রামের বাবার নির্মাণাধীন বাড়ির একটি ঘর থেকে লাশ উদ্ধার হয়। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বজনদের দাবি। এ ঘটনায় নিহতের সৎ বাবা ও স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। নিহত ময়না পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম গাজীর মেয়ে। জানা যায়, ৮ বছর আগে উপজেলার মনোহরপুর কুমারঘাটা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে তাসলিমার বিয়ে হয়। এই দম্পতির চার বছর বয়সি একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে কলহের জেরে কয়েকদিন আগে ময়না বাবার বাড়ি চলে আসেন। নিহতের বোন মারুফা খাতুন জানান, তার বোনের স্বামী হেলাল উদ্দিন এর আগেও দুটি বিয়ে করেছিলেন। মারুফা বলেন, ভোরে নামাজ পড়তে উঠে মা দেখেন তার কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকানো। পরে মা ময়লা ফেলতে গিয়ে নির্মাণাধীন ঘরের ভেতরে ময়নাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। হেলাল উদ্দিন সম্প্রতি আরেকটি বিয়ে করেছেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। সেই স্ত্রীকে ঘরে তোলার জন্য পরিকল্পিতভাবে ময়নাকে হত্যা করা হয়েছে। রাতের কোনো এক সময় মোবাইল ফোনে ডেকে ময়নাকে ঘর থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে তাদের দাবি।
