‘চাল চাতি গেলি ঘাড় ধইরে ফেলায় দেছে’

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A union parishad chairman pushed a 65-year-old day labourer to the ground after he asked for rice during a relief distribution, which is a physical assault with witness accounts confirming it. The incident happened on 17 March 2026, is recent, and took place in Bangladesh.

Reported by:SamakalSingle source
17/03/26•Maharajpur Union Parishad (মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ)

Killed

0

Injured

0

Summary

খুলনার কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় তালিকায় নাম না থাকায় দিনমজুর একাব্বর আলী (৬৫) চাল চাইতে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ তাঁকে গলাধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। ভুক্তভোগী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং ইউএনও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদএকাব্বর আলী (৬৫), দিনমজুরইউপি সদস্য মাসুদুর রহমানপ্রত্যক্ষদর্শী শাহারুজ্জামানপ্রত্যক্ষদর্শী ও সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকী

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 18/03/26open original ↗

‘চাল চাতি গেলি ঘাড় ধইরে ফেলায় দেছে’

কয়রায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘চাল চাতি গেলি ঘাড় ধইরে ফেলায় দেছে’ ফাইল ছবি কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ১৬:২৬ | আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ১৭:০৭ খুলনার কয়রায় ভিজিএফের চাল নিতে এসে ইউপি চেয়ারম্যানের গলাধাক্কা খেয়েছেন একাব্বর আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। পেশায় তিনি দিনমজুর। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে দুস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণের সময় এ ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার এ বিষয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার উপজেলার মহারাজপুর ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুস্থ মানুষের মাঝে ভিজিএফের ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা চাল নিয়ে ফেরার পর দিনমজুর একাব্বর আলী সেখানে গিয়ে ইউপি সদস্যের কাছে তালিকায় তাঁর নাম আছে কি-না জানতে চান। তালিকা দেখে ইউপি সদস্য মাসুদুর রহমান জানিয়ে দেন, তাঁর নাম নেই। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের কাছে গিয়ে একাব্বর আলী চালের জন্য অনুরোধ করেন। শুরুতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে গালাগালি করে তাঁকে বের করে দেন। কিছুক্ষণ পর ওই বৃদ্ধ আবার এলে চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ তাঁকে গলাধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। বৃদ্ধ একাব্বর আলী বলেন, ‘আমি গরীব মানুষ। কামাই (রোজগার) করার আর কেউ নেই। ইউনিয়ন পরিষদে চাল দেবার খবর শুনি সেকেনে গেলাম। চিয়ারম্যানের কাছে চাল চাতি গেলি ঘাড় ধইরে ঠেলা মাইরে ফেলায় দেছে।’ প্রত্যক্ষদর্শী শাহারুজ্জামানের ভাষ্য, একাব্বর আলী বারবার চেয়ারম্যানের কাছে চালের জন্য অনুনয়-বিনয় করছিলেন। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান বিরক্ত হয়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই বৃদ্ধ মাটিতে পড়ে যান। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার থেকে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ১৭ হাজার ৯৫৬ জন দুস্থদের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা শুরু হয়েছে। চাল বিতরণে তালিকার সময় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাসুদুর রহমান বলেন, চাল বিতরণের সময় ওই বৃদ্ধ এসেছিলেন। তালিকায় নাম না থাকায় তাঁকে চলে যেতে বলেন। জোহরের নামাজ পড়ে এসে শুনেছেন, চেয়ারম্যান ওই বৃদ্ধের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী মহারাজপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের ভাষ্য, তালিকায় নাম না থাকায় ওই বৃদ্ধকে চেয়ারম্যান পরে আসতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি বারবার চেয়ারম্যানকে বিরক্ত করছিলেন। এ সময় চেয়ারম্যান তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘ইউএনও সাহেবের কাছে যখন অভিযোগ দিয়েছে, তখন উনি ঘটনা তদন্ত করে দেখুন, কি ঘটেছিল। এর বেশি আমার কিছু বলার নেই।’ ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, অফিস খোলার পর অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।