একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষক বহিষ্কার

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident on 7 May 2026, within the recent window, in which the accused madrasa teacher was physically beaten by people at a local tribunal meeting in Fatikchhari. Because it involves a physical assault, it counts as violence even though the report does not specify the severity of his injuries or any deaths.

Reported by:Dhaka PostSingle source
07/05/26•Bayatul Karim Nurani Madrasa, Nazirhat Pourashava Ward 6

Killed

0

Injured

1

Summary

ফটিকছড়িতে একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে নাজিরহাটের বায়তুল করিম নূরানী মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মারুফকে গত ৭ মে স্থানীয় সালিশি বৈঠকে বহিষ্কারের সময় মারধর করা হয়। ঘটনাটি ১০ মে প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Mawlana Mohammad Maruf (accused madrasa teacher, beaten during salish)Local notables participating in salish meetingMawlana Emdadullah (madrasa Muhtamim)Akhtar Hossain (local resident)

Tags

Vigilante JusticeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 10/05/26open original ↗

একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষক বহিষ্কার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মারুফ উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল করিম নূরানী মাদরাসায় কর্মরত ছিলেন। ঘটনার তিন দিন পরে রোববার (১০ মে) বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জানা যায়, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে বহিষ্কার করে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ওই শিক্ষককে মারধর করা হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবার বৈঠকে পুরো বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা বা সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা মোহাম্মদ মারুফ ওই মাদরাসার এক শিশু শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা এমদাদ উল্ল্যাহ বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো জানার পরেই আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। স্থানীয় বাসিন্দা আকতার হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে ওই শিক্ষার্থীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ওই শিক্ষক প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে তাকে যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে আরও অনেক অভিভাবক মুখ খুলতে শুরু করেন। মাওলানা মারুফ আরও একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী পরিবার বা অন্য কেউ অভিযোগ দিলে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এমআর/আরএফ/এমএন