‘জুলাই যোদ্ধা’ ট্যাগ দিয়ে জাবি ছাত্রকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A student was pulled from a rickshaw by three men, beaten, stripped, robbed of about 10,500 taka and his phone, and forced to record a humiliating video. This is a concrete physical attack with an injury and extortion, occurring on 10 June 2026 in Netrokona, Bangladesh.

Reported by:JugantorSingle source
10/06/26•নেত্রকোনা-পূর্বধলা সড়কের ত্রিমোহনী সেতু সংলগ্ন সিন্দুররাটিয়া শালদিঘা এলাকা

Killed

0

Injured

1

Summary

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ১০ জুন ২০২৬ রাতে ত্রিমোহনী সেতু এলাকায় তিনজন যুবক জাবির শিক্ষার্থী শরীফ হোসেনকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে 'জুলাই যোদ্ধা' ও 'মাদক কারবারি' ট্যাগ দিয়ে মারধর করে, প্রায় সাড়ে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করে এবং বিবস্ত্র করে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। ভিডিওতে তাকে দিয়ে 'জয় বাংলা' স্লোগান দেওয়ানো হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

তিনজন যুবক (অজ্ঞাত)ভুক্তভোগী শরীফ হোসেনউজ্জ্বল খান (ভুক্তভোগীর বড় বোনের জামাই)পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 12/06/26open original ↗

‘জুলাই যোদ্ধা’ ট্যাগ দিয়ে জাবি ছাত্রকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন

‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে বাধ্য করার ভিডিও ভাইরাল ‘জুলাই যোদ্ধা’ ট্যাগ দিয়ে জাবি ছাত্রকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নেত্রকোনার পূর্বধলায় ‘জুলাই যোদ্ধা’ ট্যাগ দিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রকে হেনস্তা, বিবস্ত্র করে নির্যাতনসহ মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নেত্রকোনা-পূর্বধলা সড়কের ত্রিমোহনী সেতুর সিন্দুররাটিয়া শালদিঘা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রাত ১২টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভুক্তভোগী মো. শরীফ হোসেন নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার শুনই এলাকার জানু মিয়ার ছেলে এবং জাবির নাট্যকলা ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার বিকালে শরীফ হোসেন নেত্রকোনা শহরের বাইপাস মোড় এলাকায় ঘুরতে বের হন এবং সন্ধ্যার পর পূর্বধলার উদ্দেশে ইজিবাইকে রওয়ানা দেন। পথে ত্রিমোহনী সেতু পার হয়ে সিন্দুররাটিয়া শালদিঘা এলাকায় পৌঁছালে তিনজন যুবক তাকে ইজিবাইক থেকে নামতে বাধ্য করে। পরে তারা শরীফ হোসেনকে ‘মাদক কারবারি’ ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা শুরু করে এবং মারধর করে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় তার কাছে মুক্তিপণ হিসাবে প্রথমে ২০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে নগদ ও বিকাশে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার টাকা আদায় করে। এ সময় তার মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে বস্ত্রহীন করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরে ভাইরাল হয়। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, শরীফ হোসেনকে বস্ত্রহীন করে বলানো হচ্ছে-‘আমি একজন জুলাই যোদ্ধা, আমি আর জুলাই করতাম না। জুলাই...। আমি আগে ভুল করছি ছাত্রদের পক্ষে থাইক্কা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’ এ সময় বস্ত্রহীন অবস্থায় শরীফকে কাঁদতে দেখা যায়। তার ঠোঁটে জমাট বাধা রক্ত। ভুক্তভোগী জানান, তাকে অন্ধকারে মারধর করা হয়েছে। ঘটনাটি তার জন্য গভীর মানসিক ট্রমা তৈরি করেছে। তার পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেছে। তার বড় বোন জামাই উজ্জ্বল খান বলেন, শরীফ অত্যন্ত নিরীহ প্রকৃতির একজন শিক্ষার্থী। পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি পূর্বধলা থানার আওতাধীন হওয়ায় সেখানে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তিনি জানান, অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।