অস্ত্রের মুখে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডাকাতি
Why this classification
The article reports an armed robbery at a private residence in Faridpur, Bangladesh, with a masked group of 15‑20 people. This meets the criteria for a recent violent incident and is classified as criminal violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস ফকিরের বাড়িতে অস্ত্রের মুখে ১৫-২০ জনের একটি মুখোশ পরা ডাকাত দল প্রবেশ করে। ঘটনায় কোনো আহত বা নিহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
পাবনায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
পাবনায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ছবি: সমকাল সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ০১:৪৮ পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি দোকানে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার সরকারি বেড়া বিবি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে পৌরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতা চলছিল। গতকাল রোববার ছিল ২ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা। নির্ধারিত সময়ে দুই দল ১-১ গোলে সমতায় থাকায় খেলার ফল নির্ধারণে টাইব্রেকার অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে দুই ওয়ার্ডের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি, পরে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে এ বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া ও বনগ্রামের খাঁপাড়া মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে। পরে মৈত্রবাঁধা, সান্দিয়ালপাড়া ও বনগ্রাম মহল্লার লোকজনও এতে জড়িয়ে পড়েন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ চলে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত। সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই পক্ষের লোকজন ও হাসপাতাল সূত্রে আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা অর্ধশতাধিক বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে প্রথমে বেড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা এবং পাবনা পুলিশ লাইনসের পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা সেখানে পৌঁছান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। রাত ১১টার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় প্রশাসন। তবে এ ঘটনায় কোনো আটকের খবর পাওয়া যায়নি। বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। এলাকায় যাতে নতুন করে সংঘর্ষ না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিলে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
পাবনার বেড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৫টি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বেড়া পৌর এলাকার নাজিম বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার বেড়া বিবি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বেশ কিছুদিন ধরে ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতা চলছিল। রোববার প্রতিযোগিতায় পৌরসভার ২ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হয়। পরে পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে খেলার ফল নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সরদারপাড়া ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম মহল্লার বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি অন্তত ১৫টি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের অনেকে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেড়া মডেল থানার পুলিশের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা এবং পাবনা পুলিশ লাইনসের পুলিশ সদস্য ও এসআরবি সদস্যরা সেখানে পৌঁছান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি। পাবনার বেড়া পৌর এলাকার নাজিম বাজারে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এলাকায় যাতে নতুন করে সংঘর্ষ না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেড়ার ইউএনও রুনাল্ট চাকমা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিলে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে চুল কেটে নির্যাতন
ফরিদপুরের সদরপুরে পরকীয়ার অভিযোগে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২৮) জোর করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই নারী চিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চালিয়ে যান দুই যুবক। এ ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড ও ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার নারী ওই গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জলিল মোল্লা। ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারীকে একটি চেয়ারে বসিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। এ সময় কালো টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক তার হাত টেনে ধরে রাখেন। চেক টি-শার্ট পরিহিত অপর এক যুবক কাঁচি দিয়ে ওই নারীর মাথার চুল এবড়োখেবড়োভাবে কাটতে থাকেন। নির্যাতন থেকে বাঁচতে ওই নারী আর্তচিৎকার করতে থাকলেও নির্যাতন চলতে থাকে। ভিডিওর শেষের দিকে দুজনই ওই নারীর মুখে থাপ্পড় দিতে থাকেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্যাতনকারী দুই যুবক হলেন সুমন হোসেন ও জয় হোসেন। তাদের বয়স ২৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে। তারা ওই সৌদি প্রবাসীর ভাগনে। অপরদিকে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাতে ওই নারীকে তার কথিত পরকীয়া প্রেমিকসহ একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। তখন তাদের দুজনকেই মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ওই নারী শনিবার (১০ অক্টোবর) বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন। শনিবার দিবাগত রাতে তার কক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যরা এক যুবকসহ তাকে আটক করেন। এ সময় ওই যুবক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। পরে তাদের দিনভর আটকে রেখে বিকেলে ওই নারীর চুল কেটে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে আটক ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সদরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ বলেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। কেউ অপরাধ করলে তার জন্য আইন রয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনোই কাম্য নয়। এ ধরনের কাজ অবশ্যই আইনবিরোধী। জহির হোসেন/আরএআর
অস্ত্রের মুখে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডাকাতি
অস্ত্রের মুখে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে ডাকাতি. ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস ফকিরের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মুখোশ পরা ১৫-২০ জনের একটি ডাকাত দল
পাবনায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টর্চ জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষে আহত অর্ধশতাধিক
পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যেরা। রোববার রাতে বেড়া বাজারের তরমুজপট্টি এলাকায়ছবি: প্রথম আলো পাবনার বেড়া পৌর এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে হামলা চালান। এ সময় একাধিক দোকানে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি অন্তত ১৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেড়া থানার পুলিশের পাশাপাশি সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা এবং পাবনা পুলিশ লাইনসের পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার সরকারি বেড়া বিবি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে পৌরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল খেলা চলছিল। গতকাল ছিল ২ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হলে ফল নির্ধারণে টাইব্রেকার অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া ও বনগ্রামের খাঁপাড়া মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে মৈত্রবাঁধা, সান্দিয়ালপাড়া ও বনগ্রাম মহল্লার লোকজনও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের লোকজন শক্তিশালী টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আহত ব্যক্তিদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় একাধিক দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা। তাঁদের ভাষ্য, অন্তত ১৫টি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি। নয়ন কুমার সরকার, বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ ঘটনার পর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে বলে জানিয়েছেন বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার। তিনি গতকাল রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।’ বেড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনাল্ট চাকমা বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় আমি নিজেও ঘটনাস্থলে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছি। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারির চিন্তাভাবনা করা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মারামারিসংঘর্ষরাজশাহী বিভাগবেড়াপাবনা
