বিনোদনের আড়ালে অশ্লীলতা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘কাশফুলের ঘাট’
Why this classification
ঘটনাটি পুলিশ কর্তৃক একটি চা-কফি শপ ভাঙার ঘটনা, যা অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পরিচালিত। এতে কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং অপরাধমূলক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত।
Killed
0
Injured
0
Summary
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চরাঞ্চলে গড়ে ওঠা 'কাশফুলের ঘাট' নামের একটি চা-কফি শপ অশ্লীলতা ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পুলিশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। অভিযানে ইউএনও, সহকারী পুলিশ সুপার ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
কুড়িগ্রামে সাংবাদিকের মা-বাবাকে পেটাল ৫ জন, থানায় মামলা
জমি নিয়ে বিরোধ কুড়িগ্রামে সাংবাদিকের মা-বাবাকে পেটাল ৫ জন, থানায় মামলা মো. আমিনুল ইসলাম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৩৮ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও দৈনিক আগামীর সময় পত্রিকার প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের মা-বাবাকে মারধর, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা ও নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পাঁচজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাংবাদিকের পিতা আহত মো. আমিনুল ইসলাম কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারটির অভিযোগ, গত ৫ অক্টোবর কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার পলাশবাড়ী কবিরাজপাড়া এলাকায় নিজ জমি দেখতে গেলে রমজান আলীসহ ৫ ব্যক্তি তাদের মারধর করে। ঘটনার দিনই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবার। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পলাশবাড়ী এলাকার ৪ দশমিক ১৬ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ওই জমি আমিনুল ইসলাম ক্রয়সূত্রে পাওয়ার পর প্রায় ৩৪ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এ নিয়ে কুড়িগ্রাম সদর সিভিল জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলাও চলমান রয়েছে। সর্বশেষ গত সোমবার দুপুর ২টার দিকে তামজিদ হাসানের বাবা-মা তাদের কেনা জমিতে গাছের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তারা। এজাহারে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে রমজান আলী বাঁশের লাঠি দিয়ে আমিনুল ইসলামের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। তিনি মাথা সরিয়ে নিলে আঘাতটি তার ডান চোখের নিচে লাগে। এতে ওই স্থানে কালো ও ফোলা জখম হয়। এরপর কয়েকজন আসামি লোহার রড দিয়ে আমিনুল ইসলামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে এক অভিযুক্ত তার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় শামসাদ বেগম এগিয়ে এসে তাকে সরিয়ে দিলে আমিনুল ইসলাম রক্ষা পান। এজাহারে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত এক নারী শামসাদ বেগমের চুলের মুঠি ধরে টানাটানি করেন এবং রমজান আলী তার পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত আমিনুল ইসলামকে স্থানীয় লোকজন অটোরিকশায় করে কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রী শামসাদ বেগম স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বিষয়ে তামজিদ হাসান বলেন, ‘বিবদমান জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। আমার বাবা-মা আমাদের কেনা জমিতে চারা রোপণ করতে যান। সেখানে বিবাদীরা আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা আমার বাবা-মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। আমি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’ এবিষয়ে অভিযুক্ত রমজান আলী বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা। আমার বাসা বানিয়া পাড়া, তার বাসা কবিরাজ পাড়ায়। জমিজমা নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। আমরা ওই জমির দুইটা রায় পাইছি। জমি দেখতে গেলেই বাগ্বিতণ্ডা হয়।’ এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিবাদীপক্ষও আরেকটি মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিনোদনের আড়ালে অশ্লীলতা, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ‘কাশফুলের ঘাট’
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে একটি চরাঞ্চলে গড়ে ওঠা ‘কাশফুলের ঘাট’ নামে একটি চা ও কফি শপ গুঁড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে আস্তানাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দুর্গম এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের এই কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুরের বিস্তীর্ণ চরে প্রাকৃতিকভাবে একটি কাশবন গড়ে ওঠে। কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সেখানে দর্শনার্থীদের আনাগোনা শুরু হলে ‘কাশফুলের ঘাট’ নামের ওই চা-কফি শপটি গড়ে তোলা হয়। তবে অভিযোগ ওঠে, ক্রেতা টানতে সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করা হতো। এমনকি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে এই কাশবনে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ত। পুলিশ জানায়, সন্ধ্যার পর সেখানে নিয়মিত বসত ডিজে পার্টি। ভাড়ায় নর্তকী এনে অশ্লীল নাচের পাশাপাশি চলত মাদক সেবন ও অসামাজিক কাজ। এলাকাটি দুর্গম চর ও যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হওয়ায় পুলিশের নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ফলে স্থানটি কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক অবক্ষয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আজ ভূরুঙ্গামারী থানা-পুলিশ ও অর্ধশতাধিক গ্রামপুলিশের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে আস্তানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। অভিযানকালে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ, ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জামিলুর রহমান এবং ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘দুর্গম কাশবনে কেবল চা কিংবা কফি খাওয়া উদ্দেশ্য ছিল না, এর আড়ালে অন্য উদ্দেশ্য কাজ করত। অশ্লীলতা ছড়ানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে কফি শপটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিনোদনের নামে পরিচালিত এমন যেকোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
কুড়িগ্রামে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, দম্পতি গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দুই বছরের শিশু আয়েশা সিদ্দিকা হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর ৪টায় থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাচাবান্দা শাহাপাড়ার রাশেদুল ইসলাম আপেল (৩০) এবং তার স্ত্রী মোছা. কহিনুর বেগম (২৬)। চিলমারী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিকভাবে তারা পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেন। বিকেলে আদালতে তোলা হলে বিচারকের সামনেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওসি জানান, আসামিদের একটি শিশুসন্তান রয়েছে, যার বয়স আয়েশার সমান। ঘটনার দিন খেলতে গিয়ে আসামির সন্তান আয়েশার চোখে মারাত্মক আঘাত করে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে গিয়ে আসামি দম্পতি শিশু আয়েশার মুখ চেপে ধরে একটি ড্রামে আটকে রাখেন। সেখানে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিল সকালে থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা শাহাপাড়া এলাকার মো. আলমগীর হোসেনের (৩৩) দুই বছর বয়সী মেয়ে আয়েশা আক্তার খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে আলমগীর হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে চিলমারী থানায় হত্যা মামলা করেন। মমিনুল ইসলাম/আরএআর
ভূরুঙ্গামারীতে তরুণীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
আনা হয় নাচ-গানের কথা বলে ভূরুঙ্গামারীতে তরুণীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গ্রেফতার ১ Advertisement কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভূরুঙ্গামারীতে নাচ-গানের কথা বলে নিয়ে আসর পর চায়ের আড্ডার আড়ালে তরুণীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোখলেছুর রহমান মিঠু নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আজিম উদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ২৫ সেপ্টেম্বর চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় নাচ-গানের জন্য ভুক্তভোগীসহ তিন তরুণীকে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চায়ের দোকানের আড্ডার আড়ালে নাচ-গানসহ অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানায়, তিন তরুণীর মধ্যে দুজন চলে গেলেও ভুক্তভোগী ওই তরুণী এলাকায় থেকে যান। অভিযোগ রয়েছে, পরে তাকে আটকে রেখে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিত সামাদের ঘাটসংলগ্ন কাশফুলের খেত এলাকায় মোখলেছুর রহমান মিঠু, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমিন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার কাছে থাকা পাঁচ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। পরে বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় ভুক্তভোগী অভিযুক্তদের কাছে টাকা চাইতে বৃহস্পতিবার নলেয়া রশিদ মোড়ে যান। সেখানে টাকা না দেওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং মিঠুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার মিঠু নলেয়া রশিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা।
