বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, জরিমানায় ধামাচাপার চেষ্টা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A local man allegedly raped a mentally disabled woman in a paddy field on April 16, 2026. Afterward, a village arbitration meeting beat the accused with shoes and fined him 50,000 taka, and the victim's family was pressured not to go to the law.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
15/04/26•ধোপাকান্দি ইউনিয়ন, গোপালপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে গ্রাম্য সালিশে অভিযুক্তকে জুতাপেটা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

একাব্বর আলী (৫৩), মালয়েশিয়া প্রবাসী, অভিযুক্ত ধর্ষকশাহজাহান মিয়া, অভিযুক্তের ছোট ভাই, যার বাড়িতে সালিশ বসেসালিশে যুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিরাডা. খায়রুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাআনোয়ার হোসেন, গোপালপুর থানার ওসিআনোয়ারা বেগম, ভুক্তভোগীর চাচী

Tags

RapeVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 19/04/26open original ↗

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, সালিশে ধামাচাপার চেষ্টা

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, সালিশে ধামাচাপার চেষ্টা প্রতীকী ছবি টাঙ্গাইল প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৫:০১ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গোপনে সালিশ বৈঠক করা হয়। সেই বৈঠকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও জুতাপেটা করা হয়। ওই বৈঠক থেকে ঘটনার মীমাংসা হয়েছে বলে মামলা না করার জন্য বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীর পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে গোপালপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির পাশের বোরো ধানক্ষেতে কাজ করতে যান ওই নারী। এ সময় তাঁকে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দা ইউনিয়নের বাসিন্দা একাব্বর আলী। পরে ওই নারীর কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। ধর্ষণের শিকার নারীর চাচি জানান, ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর থেকে ওই নারী তাঁর মায়ের সঙ্গে বসবাস করছেন। তাঁর মা, ভাইও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ঘটনার পরপরই এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের থানা বা হাসপাতালে যেতে বাধা দেন। ওই রাতেই অভিযুক্ত একাব্বরের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও ভুক্তভোগীকে পাশাপাশি বসিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘটনাটি বর্ণনা করতে চাপ দেওয়া হয়। লজ্জা ও ভয়ের কারণে ওই নারী কথা বলতে সংকোচ বোধ করলে তাঁকে ধমক দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে আপসের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। সালিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জুতাপেটা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে নিষেধ করা হয়। এদিকে ওই নারীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে শুক্রবার বিকেলে তাঁকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। পরে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, শনিবার দুপুরে থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Source 2: Jugantor · 17/04/26open original ↗

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, জরিমানায় ধামাচাপার চেষ্টা

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, জরিমানায় ধামাচাপার চেষ্টা Advertisement গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম ফাইল ছবি। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে অভিযুক্তকে জুতা পেটা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খায়রুল ইসলাম ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ির পাশের বোরো ধানখেতে কাজ করতে গেলে একই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী একাব্বর আলী (৫৩) তাকে ফুসলিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তার কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। ভুক্তভোগীর চাচী আনোয়ারা বেগম বলেন, ছোটবেলায় বাবাকে হারানোর পর থেকে ভুক্তভোগী তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করছেন। তার মা ও ভাইও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ঘটনার পরপরই এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের থানা বা হাসপাতালে যেতে বাধা দেন। পরে ওই রাতেই অভিযুক্তের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে একটি সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে ধর্ষক ও ভুক্তভোগীকে পাশাপাশি বসিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘটনাটি বর্ণনা করতে চাপ দেওয়া হয়। লজ্জা ও ভয়ের কারণে ভুক্তভোগী কথা বলতে সংকোচবোধ করলে তাকে ধমক দেওয়া হয়। একপর্যায়ে আপসের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। শেষ পর্যন্ত সালিশে অভিযুক্তকে জুতাপেটা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীর পরিবারকে আইনের আশ্রয় না নিতে বলা হয়।   পরে বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে এলে শুক্রবার তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীর স্বজনদের সহায়তায় তাকে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলে তাকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। গোপালপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, তিনি লোকমুখে ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।