পুত্রবধূর পরকীয়ার বলি শাশুড়ি

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A 53-year-old woman was found dead in her home with her hands and feet tied and her mouth taped, and police say she was strangled. The article describes this as a planned murder carried out by her daughter-in-law and her lover to steal gold, which makes it a concrete, recent killing and therefore a valid violence incident.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
16/03/26•লামনীরপাড় গ্রাম, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পুত্রবধূ তামান্না আক্তার পরকীয়া প্রেমিক ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিলে ৫৩ বছর বয়সী শাশুড়ি ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীকে হাত-পা বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে এবং স্বর্ণালংকার লুট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পুলিশ পুত্রবধূকে আটক করেছে এবং তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

তামান্না আক্তার (পুত্রবধূ, আটক)পরকীয়া প্রেমিক (অজ্ঞাতনামা)অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (নিহত, ৫৩)ফারুক আহমেদ (মৃতের ভাই, মামলার বাদী)মোনায়েম মিয়া (নবীগঞ্জ থানার ওসি)

Affected infrastructure

বসতঘরআলমারি

Tags

MurderRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 18/03/26open original ↗

মুখে টেপ, হাত-পা বাঁধা লাশ পড়ে ছিল ঘরে

মুখে টেপ, হাত-পা বাঁধা লাশ পড়ে ছিল ঘরে নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ নবীগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী নামের এক নারীর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে পুত্রবধূকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনার মোটিভ উদ্ধারে কাজ চলছে। পুত্রবধূকে আটকের পর তাঁর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তদন্তের স্বার্থে এখন বিষয়টি পরিষ্কার করা হচ্ছে না। পরকীয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। এ ঘটনায় নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর ভাই ফারুক হোসেন বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। গত সোমবার গভীর রাতে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূকে নিজ ঘরে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ও মুখে টেপ প্যাঁচানোর পর হত্যা করা হয়েছে। তারা সেই অবস্থাতেই তাঁর লাশ দেখতে পান। স্বজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফেরদৌসীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাকা ঘরের ভেতরে ঘটনা ঘটলেও কোনো দরজা জানালা ভাঙা ছিল না। যা থেকে সবার ধারণা– বাইরের কেউ নয়, বরং ভেতরের কেউ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, মৃত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর একমাত্র ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে দুবাই আছেন। বাড়িতে ফেরদৌসীর সঙ্গে থাকতেন তাঁর ছেলের বউ তামান্না বেগম চৌধুরী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ বিষয়ে পুত্রবধূর কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে তাঁকে পুলিশ আটক করে নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। সূত্র জানায়, পুত্রবধূ তামান্না বেগম চৌধুরী তাঁর স্বামী প্রবাসে থাকার কারণে শাশুড়িকে নিয়ে একা বসবাস করতেন। এই সুযোগে তাঁর এক আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি তাঁর শাশুড়ি ফেরদৌসী জেনে যায়। বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই এই হত্যাকাণ্ড। ঘটনার দিন প্রচুর বৃষ্টি ও ঝড় ছিল। বিদ্যুৎ ছিল না পুরো এলাকা। সুযোগ বুঝে সে রাতেই পরিকল্পনা করে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে শাশুড়িকে হত্যা করেন তামান্না। পরে সকালে প্রতিবেশীদের জানান, ডাকাতরা তাঁকে হত্যা করেছে। এদিকে আটকের পর নিহত ফেরদৌসীর ভাইয়ের করা মামলার আসামি হিসেবে মঙ্গলবার পুত্রবধূ তামান্নাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোতাচ্ছির মিয়া বলেন, শুরু থেকেই ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হচ্ছিল। তিনিও তামান্নার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ব্যাপারে শুনেছেন। মামলার বাদী ফারুক হোসেন চৌধুরী বলেন, তাঁর বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ১১ ভরি স্বর্ণ লুট করা হয়েছে। - বিষয় : - লাশ

Source 2: Jugantor · 17/03/26open original ↗

পুত্রবধূর পরকীয়ার বলি শাশুড়ি

পুত্রবধূর পরকীয়ার বলি শাশুড়ি Advertisement নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী তামান্না আক্তারের পরকীয়ার বলি হলেন শাশুড়ি ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩)। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ পুত্রবধূকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তামান্না। নিহত বৃদ্ধা ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী ওই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসী। বাড়িতে বউ-শাশুড়ি একাই থাকতেন। উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) নামে ওই নারীর হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় সোমবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পুলিশ মৃতের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এদিকে বৃদ্ধা ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করে পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তামান্না আক্তার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। তামান্না জানান, সুনামগঞ্জের একটি ছেলের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। একপর্যায়ে ওই ছেলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। রোববার দিবাগত রাতে পরকীয়া প্রেমিক আরও দুটি ছেলেসহ তামান্না আক্তারের সঙ্গে দেখা করতে আসে; কিন্তু পরকীয়া প্রেমিক তামান্না আক্তারকে জানান, তার কাছে রক্ষিত স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দিয়ে দিতে। পরে তাকে নিয়ে যাবে। তখন তামান্নার কাছে রক্ষিত ৬ ভরি স্বর্ণ, তারা শাশুড়ির আরও ৫ ভরি স্বর্ণ আলমারির তালা খুলে দিয়ে দেয়। এ সময় ফেরদৌসীর গলার চেইন নিতে গেলে তার ঘুম ভেঙে যায়, তখন তিনি চিৎকার করলে পুত্রবধূ ও পরকীয়া প্রেমিকসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জন মিলে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর হাত-পা বেঁধে এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। এ ব্যাপারে মৃতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ তামান্না আক্তার, তার পরকীয়া প্রেমিকসহ ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের ছেলের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দ্রুত রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।