শিক্ষকের পিটুনিতে শিশুর ‘মস্তিষ্কে জমাট বেঁধেছে রক্ত’

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A madrasa teacher allegedly beat a 9-year-old student with a cane and his head struck a wall on June 17, 2026, causing a blood clot in the brain and possible need for surgery. This is a concrete, recent, severe physical attack on a single victim within Bangladesh, so it qualifies as violence.

Reported by:Dhaka PostSamakalCorroborated · 2 sources
17/06/26•Nurul Quran Tahfiz Academy, Doctorpara, Sonadanga Thana

Killed

0

Injured

1

Summary

গত ১৭ জুন রাতে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ডাক্তারপাড়ায় নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমিতে হাফেজ আবদুর রহমান পড়া না পারায় ৯ বছরের শিশু ইসমাইল শিকদারকে বেত দিয়ে বেদম পেটান, এবং তার মাথা দেওয়ালে লাগে। এতে শিশুটির মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে এবং প্রাথমিক ওষুধে কাজ না হলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Individual

Victim side

Individual

Other actors

Hafez Abdur Rahman (madrasa operator, accused teacher)Ismail Shikdar (9-year-old victim)Omar Faruk Shikdar (victim's father)Hafez Masud (part-time teacher, not present during incident)Aminul Islam (building owner)Rafiqul Islam (acting OC, Sonadanga Thana)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Individual

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Individual

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 07/06/26open original ↗

শাশুড়িকে খুন করতে দেখে ফেলায় দুই শিশুকে হত্যা: আদালতে সৎ বাবার জবানবন্দি

শাশুড়িকে খুন করতে দেখে ফেলায় দুই শিশুকে হত্যা: আদালতে সৎ বাবার জবানবন্দি অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম হাওলাদার। ছবি: সংগৃহীত খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ১৯:১৩ খুলনায় গালিগালাজ করায় রাগের মাথায় শাশুড়িকে এবং বিষয়টি দেখে ফেলায় একে একে দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁদের সৎ বাবা রফিকুল ইসলাম হাওলাদার ওরফে রফিক। শনিবার দুপুরে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি এই তথ্য জানান। খুলনা মহানগর হাকিম মো. ফরিদুজ্জামান তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে রফিককে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ৩০ মে বিকেলে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার দারুল আমান মসজিদ রোড এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বেবী বেগম (৬২), শামীম (১৩) ও মুস্তাকিম (৪) নামে তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মা বেবী বেগম ও দুই সন্তানকে নিয়ে সোনাডাঙ্গার ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন ফাতেমা বেগম মেরী নামের এক নারী। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শিশু দুটির প্রথম বাবা মাসুম ব্যাপারী বাদী হয়ে সৎ বাবা রফিকুল হাওলাদারকে আসামি করে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। গত শুক্রবার সকালে বরিশালের কাশিপুর এলাকা থেকে রফিককে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬। রাতেই তাঁকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সোনাডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল জানান, চার বছর আগে প্রথম স্বামী মাসুম ব্যাপারীর সঙ্গে ডিভোর্স হয় ফাতেমা বেগম মেরীর। প্রথম স্বামীর দুই সন্তান ও মাকে নিয়ে সোনাডাঙ্গার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন মেরী। কিছুদিন পর মেরী নগরীর মানিকতলা এলাকার বাসিন্দা ট্রাকচালক রফিককে বিয়ে করেন। কিন্তু তাঁর বিয়ে মা ও বড় সন্তান মেনে নিতে পারেননি। মেরীর দ্বিতীয় স্বামী রফিক মাঝে মাঝে ওই বাড়িতে যেতেন। এ নিয়ে বেবী বেগম ও বড় সন্তান শামীমের সঙ্গে প্রায় ঝগড়া হতো মেরী ও রফিকের। গত বৃহস্পতিবার রাতে রফিক ওই বাড়িতে গেলে আবারও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। রাত ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান রফিক। জবানবন্দির উদ্ধৃতি দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রফিক আবার ওই বাড়িতে ফিরে আসেন। সকালে ঘরের দরজা খোলা ছিল। রফিক ঘরে ঢুকতে গেলে শাশুড়ি বেবী বেগম তাঁকে দেখে গালিগালাজ করতে থাকেন। রফিক গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে বেবী বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। বিষয়টি দেখে ফেলে শিশু শামীম। তখন তাকেও একই কায়দায় হত্যা করা হয়। শামীমের চিৎকার শুনে মুস্তাকিম ঘুম থেকে জেগে হত্যার বিষয়টি দেখে ফেলে। ট্রাংকের ওপর থাকা পায়জামা দিয়ে তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন রফিক। এরপর শাশুড়ির মরদেহ খাটের নিচে, শামীমের মরদেহ ট্রাংকের ওপর ও মুস্তাকিমের মরদেহ ওয়ারড্রবের একটি ড্রয়ারের মধ্যে লুকিয়ে রেখে দরজায় তালা দিয়ে দেন তিনি। - বিষয় : - খুলনা - জবানবন্দি - শিশু হত্যা

Source 2: Dhaka Post · 22/06/26open original ↗

শিক্ষকের পিটুনিতে শিশুর ‘মস্তিষ্কে জমাট বেঁধেছে রক্ত’

খুলনায় ইসমাইল শিকদার (৯) নামের এক শিশুকে বেদম পেটানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মাথায় আঘাতের কারণে শিশুটির মস্তিকে রক্ত জমাট বেঁধেছে। গুরুত্বপূর্ণ একটি রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে চোখের নিচে, মুখে ও গলার নিচে রক্ত জমাট বেঁধেছে। গত ১৭ জুন রাতে খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার ডাক্তারপাড়া এলাকার নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমিতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির আঘাত গুরুতর হলেও পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়নি। মারধরের ২৪ ঘণ্টা পর অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে শিশুটির বাবা তাকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় ঘটনার দ্বিতীয় দিনেও তাকে চিকিৎসা দেওয়া যায়নি। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, মাথায় আঘাতের কারণে মস্তিকে রক্ত জমাট বেঁধেছে। গুরুত্বপূর্ণ একটি রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে চোখের নিচে, মুখে ও গলার নিচে রক্ত জমাট বেঁধেছে। প্রাথমিক ওষুধে কাজ না হলে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। ভুক্তভোগী শিশু ইসমাইল শিকদারের বাড়ি সরকারি কলেজের (প্রাক্তন জয় বাংলা কলেজ) পাশে বাবা ওমর ফারুক শিকদারের মুদী দোকানের ব্যবসা রয়েছে। তাদের একমাত্র সন্তান ইসমাইল। কোরআনের হেফজ করতে গতবছর শিশুটিকে ওই মাদরাসায় ভর্তি করা হয়। জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির দুইতলা ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে বছর দুয়েক আগে নুরুল কুরআন তাহফিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন হাফেজ আবদুর রহমান। কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই ব্যক্তি উদ্যোগে চালু এই মাদরাসায় হেফজ, নাজেরা ও শুনানি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। সেখানে ২০ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। সবার বয়স ৮ থেকে ১৭ বছরের ভেতরে। হাফেজ মাসুদ নামে একজন বলেন, অভিভাবকদের অনুরোধে কোচিং সেন্টারের আদলে মাদরাসাটি চালু করেন আবদুর রহমান। তিনি একাই মাদরাসাটি পরিচালনা করেন। গত জানুয়ারি মাসে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে মাসুদ যোগ দেন। ঘটনার সময় তিনি ছিলেন না। কীভাবে মেরেছিল তাও দেখেননি। তিনি আরও বলেন, পরদিন আবদুর রহমানের কাছে শুনেছেন, শিশুটি খুব দুষ্টামি করত। পড়া না পারায় তাকে বেত দিয়ে মারা হয়। একপর্যায়ে শিশুটির মাথা দেওয়ালে গিয়ে লাগে। কিন্তু রাতে অসুস্থতার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। পরদিন সকালে চোখ ও মাথায় রক্ত জমাট বাঁধা দেখে সবাই ভয় পেয়ে যায়। ফ্রিজ থেকে বরফ দেওয়া হয়। রাতে তার বাবা এসে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরদিন স্থানীয় বাসিন্দারা লাঞ্ছিত করে আবদুর রহমানকে বের করে দেন। গত দুই দিন শিশুদের সঙ্গে তিনি মাদ্রাসায় অবস্থান করছেন। শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘুমের মধ্যেও কেঁপে কেঁপে উঠছে শিশুটি। দুরন্ত হওয়ায় তাকে আবাসিক মাদরাসায় রেখে হেফজ পড়ানো হচ্ছিল। শিশুটির বাবা ওমর ফারুক শিকদার জানান, তিনিও খুলনার দারুল কুরআন সিদ্দিকিয়া মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস উত্তীর্ণ। পারিবারিক সিদ্ধান্তে ছেলেকে হাফেজ বানাতে ওই শিক্ষকের মাদরাসায় ভর্তি করেন। ওমর ফারুক বলেন, আগেও ওই শিক্ষক শিশুদের মারপিট করেছে বলে শুনেছি। এভাবে কেউ কাউকে মারতে পারে? মারার ২৪ ঘণ্টা পরও আমাকে জানানো হয়নি। দুই দিন পর ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, অভিযোগ করে কি করব? ছেলে আগে সুস্থ হোক, তারপর ভেবে দেখব। নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ওই মাদরাসায় যাই। শিশুটির বাবার সঙ্গে কথা বলে এজাহার দিতে বলেছি। কিন্তু তিনি রাজি হচ্ছেন না। পরিবার মামলা করলে আমরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। মোহাম্মদ মিলন/এএমকে