বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আ.লীগের হামলা, আহত ৬

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports two separate attacks on BNP leaders by Awami League and its student wing, with six people injured on the night of 2026-06-10 in Khagrachari, meeting the criteria for recent, physical political violence in Bangladesh.

Reported by:JugantorProthom AloCorroborated · 2 sources
10/06/26•বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি

Killed

0

Injured

6

Summary

বুধবার রাতে গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগ ও তার ছাত্রলীগের নেতারা বিএনপি ও তার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে পাঁচজনকে এবং গুইমারা ইউনিয়ন ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ওমর ফারুক বাবুকে একজনকে আহত করে। মোট ছয়জন আহত হয়েছে এবং সকলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Awami League

Victim side

BNP

Other actors

জাকিরমামুন (বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক)জাহাঙ্গীর আলম রনিমামুন (ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য)মাহবুব আলমওমর ফারুক বাবুবাপ্পি ত্রিপুরা

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 6

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 12/06/26open original ↗

বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আ.লীগের হামলা, আহত ৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আ.লীগের হামলা, আহত ৬ Advertisement খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ খাগড়াছড়ির গুইমারায় পৃথক দুটি হামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিএনপির ছয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে উপজেলার বাইল্যাছড়ি ও বড়পিলাক এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায়, বুধবার রাতে গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক এলাকার হাসেমের বাড়িতে আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন এমন খবর পেয়ে সেখানে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আহত হন। আহতরা হলেন-হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি এবং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য মামুন ও মাহবুব আলম। অপরদিকে গুইমারা ইউনিয়ন ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ওমর ফারুক বাবুর ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী বাপ্পি ত্রিপুরার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় বাবুর মাথা গুরুতর জখম হয়। বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ জানান, বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী জানিয়ে বলেন, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার জানান, পৃথক দুটি ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে। তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী জানান, বড়পিলাক এলাকায় হামলার ঘটনাটি তিনি শুনেছেন, তবে বাইল্যাছড়ির বিষয়টি তার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Prothom Alo · 11/06/26open original ↗

খাগড়াছড়িতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগ, আহত ৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় পৃথক সময়ে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুইমারার বড়পিলাক এলাকায় আওয়ামী লীগের এক কর্মীর বাড়িতে নেতা-কর্মীরা বৈঠক করছেন, এমন খবরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সেখানে যান। পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, উত্তেজনার একপর্যায়ে তাঁদের ওপর হামলা হয়। এতে তাঁদের পাঁচ নেতা-কর্মী আহত হন। আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মামুন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের সদস্য মো. মামুন ও মাহবুব আলম। তাঁদের গুইমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে একই দিন রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় গুইমারা ইউনিয়নের এক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, এ হামলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীরা জড়িত। হামলায় তাঁর মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে। তিনি এখন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানতে চাইলে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রিপল বাপ্পি বলেন, গুইমারা থেকে একজনকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁর মাথার পেছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছে গুইমারা উপজেলা বিএনপি। তারা এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানিয়েছে। গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী এ বিবৃতিতে সই করেন। তাঁরা দাবি করেন, এসব হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল। গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, বড়পিলাক এলাকার ঘটনার বিষয়ে তিনি শুনেছেন, কিন্তু বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।