লাথি মেরে কিশোরকে হত্যা, মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় খালে
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Barishal. Parties reported: Mosharraf Boyati, Arif Rarhi. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
বরিশালের হিজলায় নামাজ পড়তে বলায় ১৩ বছর বয়সী কিশোর আরিফকে লাথি মেরে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে দেয় এক প্রতিবেশী যুবক। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এশার নামাজের আগে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে এবং পরদিন সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
76% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
লাথি মেরে কিশোরকে হত্যা, মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় খালে
সারাদেশ বরিশাল লাথি মেরে কিশোরকে হত্যা, মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় খালে জেলা প্রতিনিধি বরিশাল ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৩৯ অ+ অ- বরিশালের হিজলায় স্কুলছাত্রকে লাথি মেরে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয় বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছে প্রতিবেশী যুবক মোশারফ। হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে ওই যুবকের দেওয়া স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে। শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা হত্যাকারীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বলে বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না নিশ্চিত করেছেন। নিহত ১৩ বছর বয়সী কিশোর আরিফ রাঢ়ী উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। তাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে। গ্রেপ্তার মোশারফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশারেফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে। কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এ সময় মোশারফ রেগে আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আরিফের মৃত্যু হয়েছে। পরে মোশারফ তার মরদেহ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে আরিফের মরদেহ খালের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে। ওই স্বীকারোক্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আরিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছ। এছাড়া মোশারফের মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় মোশারফের মাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরিফ হোসেন/এসএইচএ
কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম পানি ঢেলে দগ্ধ করায় কারাগারে নারী
কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম পানি ঢেলে দগ্ধ করায় কারাগারে নারী Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম ফাইল ছবি। মেহেন্দীগঞ্জে এক গৃহকর্মীর শরীরে গরম পানি ঢেলে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে ফাইজা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার চরহোগলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার ফাইজা উপজেলার চরহোগলা এলাকার প্রবাসী জহির তালুকদারের স্ত্রী। লামিয়া (১৪) নামে ওই গৃহকর্মী মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগী লামিয়া জানায়, প্রবাসীর বাড়িতে অনেক দিন ধরে সে কাজ করে। বিভিন্ন অজুহাতে তাকে মারধর করা হতো। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী ফাইজা তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান দগ্ধ হয়। শুক্রবার লামিয়া পালিয়ে গিয়ে তার মামা সিরাজুল ইসলামের কাছে আশ্রয় নেয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সংবাদ পেয়ে মেহেন্দীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মোশারেফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম চরহোগলা এলাকায় স্বর্ণা বেকারির পাশের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ফাইজা আক্তারকে গ্রেফতার করে। মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ইমরানুল হক বলেন, ওই কিশোরী এক বাসায় কাজ করতো। তাকে নাকি সেখানে অত্যাচার করা হতো। গরম পানিতে কিশোরীর এক হাতে বেশি এবং অপর হাতে কিছুটা কম দগ্ধ হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে মেহেন্দীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের পর বাড়িতে আগুন, ভাঙচুর
বরিশাল নগরে অটোরিকশাচালক হত্যার প্রধান আসামি মিরাজ হাওলাদারকেগ্রেপ্তারের পর বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। বুধবার দুপুরেছবি: সংগৃহীত বরিশাল নগরে নাজমুল হোসেন (২৩) নামের এক অটোরিকশাচালক হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মিরাজ হাওলাদারকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ বুধবার সকালে নগরের জাগুয়া নতুনহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একাধিক সূত্রে জানা যায়, নিজ বাড়িতে আসামি মিরাজ হাওলাদার অবস্থান করছেন বলে পুলিশকে জানান স্থানীয় কয়েকজন। পরে সকালে অভিযান চালিয়ে মিরাজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় স্থানীয় লোকজন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও আসামিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শত শত স্থানীয় বাসিন্দা এবং নিহত নাজমুলের স্বজনেরা মিরাজের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে গত শনিবার সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন নাজমুল হোসেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই দিন দুপুরের পর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন রোববার নাজমুলের বাবা আবদুল রশিদ মোল্লা বরিশাল বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের দুই দিন পর সোমবার নগরের কালিজিরা নদীর পূর্ব তীর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ভাসমান একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে স্বজনেরা সেটি নাজমুলের লাশ বলে শনাক্ত করেন। নাজমুল বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রশিদ মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় নাজমুলের বাবা বাদী হয়ে বিমান বন্দর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি মিরাজ হাওলাদার ছাড়াও আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নাজমুলের অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। শ্বাসরোধ অথবা আঘাত করে হত্যার পর তাঁর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার আবদুল হান্নান বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং নিহত নাজমুলের অটোরিকশা উদ্ধারে পুলিশ শুরু থেকেই তৎপর ছিল। তদন্তের সূত্র ধরে প্রধান আসামি মিরাজ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ। আবদুল হান্নান আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর কিছু মানুষ উত্তেজিত হয়ে তাঁর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদেরও চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশালগ্রেপ্তারআগুনবরিশাল বিভাগআসামিহত্যা
