শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে স্বজন–ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Bogura. Parties reported: Intern Doctors, Patient's Relatives. Reported casualties: 0 killed and 5 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaCorroborated · 2 sources
13/05/26•Shahid Ziaur Rahman Medical College Hospital

Killed

0

Injured

5

Summary

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ মে ২০২৬ তারিখে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্বজনদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং স্বজনদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 4

Parties involved

Intern DoctorsPatient's Relatives

Tags

Hospital ViolenceAssaultGroup Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 14/05/26open original ↗

রোগীর স্বজনদের হামলার প্রতিবাদে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে কর্মবিরতি

রোগীর স্বজনদের ‘হামলার’ প্রতিবাদে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে। বেলা ১২টার দিকে মানববন্ধন করে চার দফা দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। শজিমেক-এর ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিয়ামুল হাসান জানিয়েছেন, বুধবার রাতে হামলার ঘটনার পর থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতিতে আছেন তাঁরা। দাবি মানা না হলে চলবে এই কর্মসূচি। তাঁদের দাবির মধ্যে আছে, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা। গতকাল বুধবার বিকেলে হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত নিহান নামে এক শিশুর মৃত্যুর পর তার ফুপু ক্ষিপ্ত হয়ে এক নার্সকে ধাক্কা দেন। এর জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে শিশুর স্বজনদের হট্টগোল ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে মৃত শিশুর মা, ফুপু, চাচাসহ কয়েকজনকে আটকে রাখেন চিকিৎসক ও আনসার সদস্যরা। রাত ১১ টার দিকে মুচলেকা দিয়ে তাঁরা মুক্ত হন, মৃতদেহ নিয়ে ছাড়েন হাসপাতাল। এ বিষয়ে নিহানের বাবা খোকন বলেছেন, ‘দুপুরে আমি হাসপাতালে ছিলাম না। বাচ্চার অবস্থা খারাপ হলে আমার বোন কয়েকবার নার্সদের ডাক দেয়। কিন্তু কেউ আসেনি। এরপর যখন বিকেলে আমি হাসপাতালে আসি, তখন আমার বাচ্চা মারা যায়। ওই সময় এক নারী চিকিৎসক আসলে আমার বোন তাঁকে বলে, এখন কেন আসছেন? বাচ্চা মারা যাওয়ার পর এসে কি করবেন? এ কথা বলে ওই চিকিৎসককে ধাক্কা দেয় আমার বোন। এ সময়ে ওই চিকিৎসক অভিযোগ করেন যে আমরা নাকি তাঁর ওপরে হামলা করেছি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা এসে আমাদের মারধর করেন। চিকিৎসক ও আনসার সদস্যরা আমাদেরকে আটকে রাখেন। পরে রাত ১১ টার দিকে নিজেদের ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আসি।’শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন জানান, ঘটনা তদন্তে রাতেই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ দুপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিয়ামুল বললেন, ‘এই হাসপাতালের ক্যাপাসিটি ৫০০ বেড। কিন্তু বেড বসানো আছে ১২০০। আজকেও রোগী আছে ৩০০০। আমরা দিনরাত রোগীদের সেবা দিয়ে যাই। তারপরও কিছু হলেই রোগীর স্বজনরা আমাদের ওপর হামলা করে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো হাসপাতালে ডাক্তারদের মারধর, লাঞ্ছিত করে। ডাক্তারদের কোনো নিরাপত্তা নেই। এ জন্য আমরা ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি দিয়েছি। আর চার দফা দাবি জানিয়েছি। এই দাবি মানা না হলে আমাদের কর্মবিরতি চলবে।’

Source 2: Prothom Alo · 14/05/26open original ↗

শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে স্বজন–ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে স্বজন–ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ গতকাল বুধবার রাতেছবি: প্রথম আলো বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তার স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মৃত শিশুর স্বজনদের হাসপাতালে আটকে রাখার অভিযোগও উঠেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। পরে হাসপাতাল প্রশাসন মুচলেকা নিয়ে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত শিশুর লাশসহ স্বজনদের ছেড়ে দেয়। মারা যাওয়া শিশুটির নাম নিহান। তার বয়স পাঁচ মাস। সে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী ডাবতলা এলাকার মো. খোকনের ছেলে। খোকন বলেন, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তাঁর শিশুসন্তানকে গত সোমবার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর শিশুটিকে রক্তও দেওয়া হয়। গতকাল দুপুরের পর থেকে নিহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে সন্ধ্যার কিছু আগে মারা যায় সে। খোকন আরও বলেন, নিহান মারা যাওয়ার সময় সেখানে তাঁর স্ত্রী ও বোন উপস্থিত ছিলেন। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁরা কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সকে জানান। কিন্তু তাঁরা বলেন, শিশুর শারীরিক অবস্থা ভালো আছে। মারা যাওয়ার সময় সেখানে কোনো চিকিৎসক ও নার্স উপস্থিত ছিলেন না। মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক ইন্টার্ন চিকিৎসক সেখানে আসেন। তাঁর সঙ্গে বোনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। খোকন বলেন, ‘আমার বোন চিকিৎসককে বলেন “এখন কেন এসেছেন? বাচ্চা মারা যাওয়ার পর এসে কী করবেন?” এ কথা বলে তিনি ওই চিকিৎসককে সামান্য ধাক্কা দিয়ে লাশের কাছ থেকে সরে যেতে বলেন। এরপর ওই ইন্টার্ন চিকিৎসক ছড়িয়ে দেন যে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। এ সময় ৩০–৪০ ইন্টার্ন চিকিৎসক এসে আমার বোনসহ আমাকে ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা ও মারধর করেন। খবর পেয়ে আমার ভাই সেখানে গেলে তাঁকেও দলবদ্ধভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আমাকে, আমার স্ত্রী, বোন, ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের আটকে রাখা হয়। রাত ১১টার দিকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পাওয়ার পর সন্তানের লাশ নিয়ে বাড়ি আসি।’ রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে আসেন বিএমএ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি আফসারুল হাবিব। তিনি বলেন, হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ হলেও সেখানে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী ভর্তি থাকেন। তাঁদের সঙ্গে একাধিক স্বজনও থাকেন। ওই শিশুর সঙ্গে পরিবারের চার নারী ছিলেন। তাঁরা হাসপাতালের নারী চিকিৎসকের ওপর হামলা করেছেন এবং নেকাব টেনে খোলার চেষ্টা করেছেন। এ ঘটনায় কারা দায়ী, তা জানতে বিএমএর পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশুটির সঙ্গে থাকা এক স্বজন চিকিৎসককে মারধর করেছেন এবং নেকাব খুলে ফেলার চেষ্টা করেছেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল প্রশাসন কোনো পক্ষের ওপর হামলা সমর্থন করে না। তারপরও শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটা সেন্টিমেন্টাল ইস্যু তৈরি হয়েছে। আমরা রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা এখন অনুতপ্ত। নিজেদের ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়েছেন। এ ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বগুড়ামৃত্যুচিকিৎসাবগুড়া সদরঅভিযোগমেডিকেল কলেজরাজশাহী বিভাগ