নির্যাতনের পর নারীকে বাঁধা হলো বৈদ্যুতিক খুঁটিতে
Why this classification
The article describes a specific attack on a woman on 13 June 2026 by members of a neighbouring family, who beat her with a hockey stick, cut her hair, smeared tar on her face, and tied her to an electric pole. She was hospitalised after police rescued her, so this is a real, recent physical attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
শরীয়তপুরের উত্তর পালংয়ে আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে প্রতিবেশী দেলোয়ার দপ্তরির পরিবারের সদস্যরা ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার) এক নারীকে মারধর করে, চুল কেটে ও মুখে আলকাতরা মাখিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে রাখে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নির্যাতনের পর নারীকে বাঁধা হলো বৈদ্যুতিক খুঁটিতে
নির্যাতনের পর নারীকে বাঁধা হলো বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬ | ০৮:১১ | প্রিন্ট সংস্করণ শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকায় গতকাল শনিবার এক নারীকে নির্যাতনের পর বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই নারী উত্তর পালং এলাকায় থাকেন। তাঁর দুই সন্তান আছে। স্বামী বিদেশে থাকেন। সম্প্রতি আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী দেলোয়ার দপ্তরি ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ওই নারীর বিরোধের সৃষ্টি হয়। গতকাল সকালে আপস-মীমাংসার কথা বলে তাঁকে দেলোয়ার দপ্তরির পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ডেকে নেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দেলোয়ার দপ্তরির ছেলে পলক, মেয়ে, স্ত্রী ও এক আত্মীয় ওই নারীকে মারধর করেন। পরে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে মুখে আলকাতরা মাখা হয়। এরপর গলায় জুতার মালা পরিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন ওই নারী বলেন, ‘আমি কোনো মাদক বিক্রি করি না। যদি কোনো প্রমাণ মেলে, তাহলে যেই শাস্তি হবে তা আমি মেনে নেব। দেলোয়ার দপ্তরি আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। সেই প্রমাণ হিসেবে সে নিজেই ঢাকায় গিয়ে আমাকে সই করে স্ট্যাম্প দিয়েছে। এখন সেই টাকার স্ট্যাম্প ফেরত নেওয়ার জন্য আমাকে মারধর করেছে, চুল কেটে দিয়েছে এবং মুখে আলকাতরা মেখে বেঁধে রেখেছে। পলক আমাকে হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়েছে। আমি বাঁচার জন্য এক বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখান থেকে টেনে এনে মারধর করা হয়।’ দেলোয়ার দপ্তরির মেয়ে বলেন, ‘ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে তাদের হয়রানি করে আসছেন এবং তাঁর কারণে পারিবারিক অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে।’ তাঁর দাবি, মাদক বিক্রির অভিযোগে স্থানীয় কয়েকজন নারী তাঁকে হাতেনাতে আটক করেন। পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। - বিষয় : - নির্যাতন
শরীয়তপুরে নারীর মাথার চুল কেটে, মুখে কালি মেখে, খুঁটিতে বেঁধে মারধরের অভিযোগ
মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকায় এক নারীকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খুঁটিতে বেঁধে রাখার আগে তাঁর মাথার চুল কেটে মুখে কালি লাগিয়ে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার একজন প্রবাসীর স্ত্রী (৩৭) সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। ওই এলাকার দেলোয়ার কোটারির পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তিকে তিনি টাকা ধার দিয়েছিলেন। ধারের টাকা পরিশোধ নিয়ে তাঁদের সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিরোধ শুরু হয়। গতকাল সকালে দেলোয়ার কোটারির স্ত্রী ও মেয়ে ওই নারীকে স্থানীয় একটি মার্কেটের কাছে আটক করেন। স্থানীয় কয়েকজন নারীকে নিয়ে তাঁরা ওই গৃহবধূকে মারধর করে মাথার চুল কেটে মুখে কালি মেখে দেন। এরপর জুতার মালা গলায় পরিয়ে তাঁকে একটির সড়কের পাশের বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পালং মডেল থানার পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাঁকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মারধরের শিকার নারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে দেলোয়ার কোটারির টাকাপয়সার লেনদেন আছে। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করে সে টাকা নিয়েছেন। তাঁর কাছে টাকা চাইলেই তিনি টালবাহানা করছিলেন। এক সপ্তাহ আগে আমি টাকার জন্য চাপ দিয়েছি। এরপর আমি সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় চলে যাই। ঢাকা থেকে ফিরলেই দেলোয়ারের স্ত্রী ও মেয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে আমাকে মারধর করেছেন। তাঁরা মাথার চুল কেটে, মুখে কালি মেখে আমাকে বেঁধে রেখেছে। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করব।’ দেলোয়ার কোটারির মেয়ে মৌসুমি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই নারী আমার বাবাকে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি আমার বাবা-মায়ের সংসারে নানাভাবে ঝামেলা সৃষ্টি করেছেন। তিনি এলাকায় মাদক বিক্রি করেন। আজ মাদক বিক্রি করার সময় তাঁকে স্থানীয় কয়েকজন নারী হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ তাঁকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তিনি কোনো টাকা পাবেন না। এখন তাঁর অপকর্ম আড়াল করতে টাকা পাওয়ার মিথ্যা কথা বলছেন।’ পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন নারীর টাকা পাওনা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। এর জের ধরে কয়েকজন নারী মিলে তাঁকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন। স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে ঘটনা জানালে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। ওই নারী কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আইনগত পদক্ষেপ নিতে চাইলে পুলিশ সহায়তা করবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন শরীয়তপুর সদরঅপরাধশরীয়তপুরনারী নির্যাতনঢাকা বিভাগ
