ইজিবাইক চালককে শিকলে বেঁধে মুক্তিপণ দাবি, বাবা-ছেলে কারাগারে
Why this classification
This is a single, specific incident in Dhobaura, Mymensingh, from May 18, 2026. The victim was chained, beaten, and held for ransom, and police rescued him in a raid, so it is a real physical attack and not a simple arrest.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ১৮ মে থেকে ইজিবাইক চালক বাবুল মিয়াকে শিকলে বেঁধে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং তার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ২১ মে সন্ধ্যায় পুলিশের অভিযানে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ইজিবাইক চালককে শিকলে বেঁধে মুক্তিপণ দাবি, বাবা-ছেলে কারাগারে
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় এক ইজিবাইক চালককে শিকলে বেঁধে তিনদিন আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত ওই চালককে উদ্ধার করা হয়। পরে মামলা শেষে শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ধোবাউড়া উপজেলার দর্শা হরচন্দ্রপুর গ্রামের মো. সামছুল আলম (২৩) ও তার বাবা আজহারুল ইসলাম (৪৫)। পুলিশ জানায়, উপজেলার পূর্ব তারাইকান্দি গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে বাবুল মিয়া (৩০) ঢাকায় ইজিবাইক চালাতেন। সেখানে সামছুল আলমও একই পেশায় কাজ করতেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে সম্প্রতি বাবুলকে কুমিল্লা থেকে গাঁজার একটি চালান আনতে পাঠান সামছুল। তবে পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কেউ ওই চালান নিয়ে যায় এবং বাবুলকে ছেড়ে দেয়। পরে বাবুল বিষয়টি সামছুলকে জানালেও তিনি তা বিশ্বাস করেননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ১৮ মে কৌশলে বাবুলকে ধোবাউড়ায় নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সামছুল। এরপর বাড়ির একটি ঘরে বাবুলের দুই পা শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ১৯ মে থেকে বাবুলের পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বাবুলের পরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ দেন। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামছুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিকলে বাঁধা অবস্থায় বাবুলকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় সামছুল ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বাবুলের স্ত্রী চম্পা আক্তার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। তবে বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে আগে কোনো মাদক সংশ্লিষ্ট তথ্য পুলিশের রেকর্ডে নেই। কৌশলে তাকে এলাকায় এনে একটি ঘরে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধর করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাখাওয়াত সুমন/এসএইচএ
