ছাত্রদলে যোগ না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মারধর

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A group of senior students allegedly beat several junior students at the Pabna university campus on Saturday night (18 April 2026) after they refused to join Chhatra Dal politics and skipped a picnic. The article reports injuries, including a student hospitalised, which makes this a concrete physical attack within the 14-day window.

Reported by:JugantorSingle source
18/04/26•পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিভেটেড

Killed

0

Injured

3

Summary

শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) রাতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিভেটেডে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত না হওয়ায় এবং পিকনিকে না আসায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে সিনিয়ররা মারধর করে। এতে রিমনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন এবং রিমনকে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

ইমরান হোসেনরাইসুল ইসলাম সিজানশুভজিৎ কর্মকারসিয়াম সরকাররিমনআশিকরবিনট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান অভিপ্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 20/04/26open original ↗

ছাত্রদলে যোগ না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মারধর

রাজনীতিমুক্ত পাবিপ্রবি ক্যাম্পাস ছাত্রদলে যোগ না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মারধর Advertisement পাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজনীতিমুক্ত পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ছাত্রদলে যোগ না দেওয়ায় জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিভেটেডের ওপর এ ঘটনা ঘটে। মারধরে আহতরা হলেন-১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী রিমন, আশিক, রবিনসহ বেশ কয়েকজন। এ সময় মারধরে আহত রিমন নিজ কক্ষে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন-ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন, রাইসুল ইসলাম সিজান, শুভজিৎ কর্মকার এবং সিয়াম সরকার। তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সিনিয়র কয়েক শিক্ষার্থী ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হতে দীর্ঘদিন ধরেই ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের চাপ দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় সিনিয়ররা তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ নিয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পিকনিকের নাম করে ক্যাম্পাসে ডাকেন। ওই পিকনিকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জুনিয়ররা যাননি। পরে সিনিয়ররা ওই ব্যাচের ৭-৮ জন জুনিয়রকে শনিবার রাতে ক্যাম্পাসে ডাকেন। তখন জুনিয়ররা কেন পিকনিকে আসেননি এ নিয়ে প্রথমে সিনিয়ররা তাদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন এবং একপর্যায়ে গিয়ে তারা ওই জুনিয়রদের মারধর করেন। আহত শিক্ষার্থী রিমন বলেন, সিনিয়ররা আমাদের ডেকে নিয়ে অন্যায়ভাবে গায়ে হাত তুলেছেন। আমি এই অন্যায়ের বিচার আশা করছি। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম সিজান বলেন, ডিপার্টমেন্টের চেইন অব কমান্ড অনুযায়ী ইমিডিয়েট সিনিয়র ব্যাচ জুনিয়র ব্যাচকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। প্রায় ১০ মাস হয়ে গেলেও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জুনিয়ররা আমাদের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের জুনিয়রদের আমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়নি। তাই আমরা দুই ব্যাচকেই ক্যাম্পাসে পিকনিকের জন্য ডেকেছিলাম। কিন্তু ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ওরা আসেনি। এজন্য আমরা তাদের ডেকেছিলাম বিষয়টি মিনিমাইজ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু ওরা এসেই এগ্রেসিভ মুডে ছিল। একপর্যায়ে আমাদের ওপর হামলারও চেষ্টা করে। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান অভি বলেন, আমি ক্যাম্পাসে নেই। ক্যাম্পাসে ফিরে উভয়পক্ষ নিয়ে বসব। প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, মারামারির বিষয়টি আমি জানতে পেরে ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি আপাতত ক্যাম্পাসে নেই। তিনি আসলে তার সঙ্গে আমি বিষয়টি নিয়ে বসব।