দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে সন্দেহে সোহেলকে হত্যা: পুলিশ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Mymensingh. Parties reported: Selim Mia, Sohel Sarkar. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের সন্দেহে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে সোহেল সরকার নামের এক তরুণকে কৌশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ২২ জুলাই অম্বিকাগঞ্জ কলেজ সংলগ্ন বাগান থেকে তাঁর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ায় সোহেলকে গলা কেটে হত্যা করেন সেলিম
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নে সোহেল সরকার (২৬) নামে এক যুবককে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঢাকা নিয়ে যাওয়ায় সোহেলকে গলা কেটে হত্যা করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা মো. সেলিম ওরফে নাপিত সেলিম। Advertisement শনিবার (২৫ জুলাই) দিনভর অভিযান চালিয়ে ভালুকাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হত্যায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সদর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকার আব্দুল রশিদের ছেলে মো. সেলিম ওরফে নাপিত সেলিম (৩২), মজিবর রহমানের ছেলে মো. সেলিম (৩০), মো. রমজান আলীর ছেলে মো. আব্দুল কাদির ওরফে আলামিন (২৫) ও আব্দুল জলিলের ছেলে লাল চাঁন ওরফে লালু (২৬)। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার বিবরণে পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন সোহেল সরকার। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নিহত যুবকের বাবা মো. নূরুল ইসলাম কোতোয়ালি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ওই দিন বিকালে লোকমারফত জানতে পারেন অম্বিকাগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের মাঠের পাশের বাগানে একজন ব্যক্তির গলাকাটা মাথা অর্ধগলিত অবস্থায় পড়ে আছে। সোহেলের পরিবারের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা গা-ঢাকা দেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবস্থান এবং পরিচয় শনাক্ত করে। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগারা গ্রাম থেকে জড়িত সন্দেহে মো. সেলিম মিয়াকে আটক করা হয়। ওই দিনই সেলিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার সারবাজার এলাকা থেকে মো. সেলিম ওরফে নাপিত সেলিম, বেলা সাড়ে ১১টায় পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকা থেকে মো. আব্দুল কাদির ওরফে আলামিন এবং নগরীর মহারাজা রোড থেকে লাল চাঁন ওরফে লালুকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারাল দা, কোদাল ও সোহেলের পরিধেয় রক্তমাখা পোশাক ও স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রধান অভিযুক্ত সেলিম পুলিশকে জানান, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সোহেল সরকারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় ৩ মাস ধরে তারা ঢাকায় একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। পরে কৌশলে সোহেলকে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে ডেকে এনে সহযোগীদের নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মাথা ও দেহ আলাদা করে মাটিচাপা দেন। Advertisement
দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে সন্দেহে সোহেলকে হত্যা: পুলিশ
গ্রেপ্তার চার আসামি। আজ রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা চত্বরেছবি: প্রথম আলো দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহে খুন করা হয়েছিল শ্রমিক সোহেল সরকারকে (২৫)। পুলিশ বলছে, এই হত্যাকাণ্ডে চারজন জড়িত ছিল। তাঁদের গতকাল শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কারণ বের গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রধান অভিযুক্ত সেলিমের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সোহেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল—এমন সন্দেহ থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, ১৬ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন সোহেল। পরে তাঁর পরিবার কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। ২২ জুলাই বিকেলে অম্বিকাগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের মাঠসংলগ্ন একটি বাগানে অর্ধগলিত অবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন মাথা পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে কাছাকাছি একটি স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি সোহেলের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় সোহেলের বাবা নূরুল ইসলাম গতকাল অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা ও প্রমাণ গোপনের অভিযোগে মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় রাতে ভালুকা, ময়মনসিংহ সদর ও মীরকান্দাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা, কোদাল, রক্তমাখা পোশাক ও স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন প্রধান অভিযুক্ত সদর উপজেলার মীরকান্দাপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়া (৩০), আবদুল কাদির ওরফে আল আমিন (২৫), মো. সেলিম ওরফে নাপিত সেলিম (৩২) ও লাল চাঁন ওরফে লালু (২৬)। আসামিদের আজ রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে প্রধান অভিযুক্ত সেলিম দাবি করেছেন, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তিন মাস ধরে সোহেল ঢাকায় গোপনে বসবাস করছিলেন। নিহত সোহেলের বোনের ভাশুর সেলিম। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি কৌশলে সোহেলকে ঢাকা থেকে ডেকে আনেন। পরে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহের মাথা ও দেহ আলাদা করে মাটিচাপা দেন। আরও পড়ুন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল বিচ্ছিন্ন মাথা, মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল দেহ ২২ জুলাই ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন লাশময়মনসিংহমামলাঅপরাধময়মনসিংহ বিভাগআসামিহত্যা
