সন্তানের সামনে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নির্যাতন: সাবেক স্বামী গ্রেপ্তার
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Pirojpur. Parties reported: Md. Hayder Ali, Rashida Begum. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গত ৯ মে ২০২৬ তারিখে যৌতুকের দাবিতে রাশিদা বেগম নামে এক নারীকে তাঁর সাবেক স্বামী হায়দার আলী প্রকাশ্যে মারধর ও নির্যাতন করেন। নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সন্তানের সামনে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নির্যাতন: সাবেক স্বামী গ্রেপ্তার
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নে রাশিদা বেগম (৪৫) নামে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীকে সন্তানের সামনে রাস্তায় ফেলে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক স্বামী মো. হায়দার আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে একই দিন সন্ধ্যার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের গগন গ্রামের কর্মকার বাড়িতে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের শিকার রাশিদা বেগম ছয় সন্তানের জননী। দীর্ঘ বছর স্বামীর নির্যাতন সহ্য করার পর কিছুদিন আগে তিনি স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। তবে তালাকের পরও ক্ষান্ত হননি হায়দার আলী। ৯ মে রাশিদার বাবার বাড়ির সামনে এসে তাঁকে সন্তানের সামনে বেদম মারধর করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রাশিদাকে প্রায়ই মারধর করতেন হায়দার আলী। সংসারে একে একে ছয়টি সন্তান জন্ম নিলেও কমেনি নির্যাতনের মাত্রা। রাশিদার বৃদ্ধ বাবা জীবিত থাকাকালে মেয়েকে রক্ষা করতে জামাইকে টাকা দিতেন। কয়েক বছর আগে তাঁর মৃত্যুর পর বন্ধ হয়ে যায় সেই আর্থিক সহায়তা। এর পর থেকেই নির্যাতন আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার দিন হায়দার আলী শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে কৌশলে রাশিদাকে রাস্তায় ডেকে এনে প্রকাশ্যে মারধর করেন। এ সময় ছোট্ট সন্তানটি বুকফাটা কান্নায় মাকে বাঁচানোর আকুতি জানালেও থামেনি নির্যাতন। সেই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাবেক স্বামী হায়দার আলী রাস্তায় ফেলে রাশিদা বেগমকে নির্যাতন করছেন। ছবি: সংগৃহীতরাশিদার ভাই মো. এনামুল হক বলেন, ‘আমার বোন জামাই একজন জুয়াড়ি। বহু সালিস করেও সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত বোন ডিভোর্স দেয়। কিন্তু ডিভোর্সের পরও আমাদের বাড়ির সামনে এসে এমন অমানুষিক নির্যাতন করেছে।’বলদিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহীহ আহমেদ বলেন, ‘হায়দার আলী একজন অনলাইন জুয়াড়ি ও মাদকাসক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য নির্যাতন করেছে। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মামলার পরপরই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হয়। রোববার সন্ধ্যার পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
