‘প্রেমিকের সহায়তায়’ মেয়েকে হত্যার পর ট্রাংকে লুকিয়ে রাখেন মা
Why this classification
This is a single, concrete murder: a three-and-a-half-year-old girl was strangled, her body was hidden in a trunk, and the body was discovered on 7 February 2026 in Gopalganj. The mother was detained, and the killing itself happened about 20 days earlier, but the discovery and police action are recent, so it is treated as a valid current incident.
Killed
1
Injured
0
Summary
গোপালগঞ্জ পৌরসভার গোবরা মধ্যপাড়ায় প্রেমিক মিরাজের সহায়তায় সাড়ে ৩ বছরের শিশু ফারিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা সেতু বেগমের বিরুদ্ধে; ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ঘরের ট্রাংক থেকে পচা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ মাকে আটক করেছে। পুলিশ ও নানীর বক্তব্য অনুযায়ী, হত্যার প্রায় ২০ দিন পর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘প্রেমিকের সহায়তায়’ মেয়েকে হত্যার পর ট্রাংকে লুকিয়ে রাখেন মা
‘প্রেমিকের সহায়তায়’ মেয়েকে হত্যার পর ট্রাংকে লুকিয়ে রাখেন মা ফাইল ছবি গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০০:৪৬ গোপালগঞ্জে ট্রাংক থেকে সাড়ে ৩ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ পৌরসভার গোবরা মধ্যপাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নানী বলছেন, প্রেমিকের সহায়তায় মেয়েকে হত্যা করেছে তার মা। গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শ্বাসরোধে শিশুটিকে হত্যা করা হয়। ঘটনার ২০ দিন পর ট্রাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মাকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানান, পুলিশ নিহত শিশুর মায়ের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘরের ভেতরে ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা হয় মরদেহটি। মরদেহটি পচে গেছে। সুরাতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের নানী পারভিন আক্তার বলেন, ‘গোবরা মধ্যপাড়ার রুবেল শেখের সঙ্গে আমার মেয়ে সেতু বেগমের বিয়ে হয় ৫ বছর আগে। তাদের একটি মেয়ে শিশু আছে। নাম ফারিয়া। বয়স সাড়ে ৩ বছর। রুবেল কাতারপ্রবাসী। তাই ফারিয়াকে নিয়ে সেতু গোবরা মধ্যপাড়া থাকত। টিকটক করতে গিয়ে সেতুর সঙ্গে পরিচয় হয় ফরিদপুর জেলার হাট কৃষ্ণপুর গ্রামের মিরাজ নামে এক যুবকের। পরে তারা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরাজের সহায়তা সেতু তার মেয়েকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহটি ট্রাংক লুকিয়ে রেখে ঘরে তালা দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে চলে যায় সে। ঘটনার ১৯ দিন পর গতকাল শুক্রবার সেতুকে ওই যুবক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ফরিদপুর জেলার তালমা নামক স্থানে সেতুকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেতু আমার কাছে ফোন করে সব ঘটনা জানায়। আজ দুপুরে আমি বিষয়টি গোপালগঞ্জ থানা-পুলিশকে জানাই। আর মেয়েকে পুলিশের হাতে তুলে দেই।’ - বিষয় : - গোপালগঞ্জ - শ্বাসরোধে হত্যা - টিকটক
