ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো মায়ের
Why this classification
A son struck his mother on the head with a tree branch in Rupsa, Khulna on the morning of Friday 10 April 2026, and she died, which is a clear fatal attack within the 14-day window. Local residents also obstructed police and attacked officers while trying to take him into custody.
Killed
1
Injured
0
Summary
খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে ১০ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) সকালে ছেলে নাদিম ইসলাম গাছের ডাল দিয়ে মা মিম্মি বেগমের মাথায় আঘাত করলে তিনি মারা যান। নাদিমকে আটকের সময় এলাকাবাসী বাধা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়, পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে এবং নাদিমকে নিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো মায়ের
ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো মায়ের সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:৫২ | প্রিন্ট সংস্করণ খুলনার রূপসায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত নাদিম ইসলামকে আটকের সময় বাধার শিকার হয় পুলিশ। এদিন রাজশাহীর মোহনপুরে ভ্যানচালককে ইটের আঘাতে হত্যা করেছেন এক যাত্রী। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুরে জমিতে পাওয়া গেছে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার নবাবগঞ্জে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। রূপসায় নিহত মিম্মি বেগম (৪৪) উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুরের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি আইচগাতী উত্তরপাড়ার আবদুস সালামের বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন। আইচগাতি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্জ্বল হোসেনের ভাষ্য, মিম্মি বেগমের ছেলে নাদিম শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মায়ের ওপর চড়াও হন। তিনি গাছের একটি ডাল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে মা মিম্মি বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সাড়ে ৮টার দিকে এলাকাবাসী আইচগাতি ক্যাম্পে খবর দিলে পুলিশ পৌনে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় তারা নাদিমকে আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে বাধা দেয়। তারা পুলিশের ওপর হামলা করে নাদিমকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা তখন পাশের বাড়িতে অবস্থান নেন। খুলনা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে ও নাদিমকে নিয়ে যায়। ক্ষিপ্ত যাত্রীর আঘাতে নিহত চালক রাজশাহীর মোহনপুরে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে ভ্যানচালক আলম আলীকে হত্যা করেছেন এক যাত্রী। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মোহনপুরের পাঠক ক্লাবের কাছে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মজিবুর রহমানসহ আরও দুই যাত্রী আলম আলীর ভ্যানে করে যাচ্ছিলেন। মোহনপুরের পাঠক ক্লাবের সামনে তারা চলন্ত ভ্যান থামাতে সংকেত দেন। এ সময় আলম কিছুটা সামনে গিয়ে ভ্যানটি থামান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবুর রহমান ইট দিয়ে আলমের মাথার পেছনে কয়েকটি আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আলম ভ্যান থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী মজিবর রহমানকে পিটুনি দেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে আটক করতে যায়। এ সময় উত্তেজিত জনতার হামলায় পুলিশের এএসআই বেলাল উদ্দিনসহ দুই সদস্য সামান্য আহত হন। মোহনপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, নিহত আলম আলীর ছেলে নয়ন বাদী হয়ে তিনজন যাত্রীকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ মজিবুর রহমানকে আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা লক্ষ্মীপুরে পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে এক অটোরিকশা চালককে হত্যা অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত ফরহাদ হোসেন (৩০) সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরমনসা গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি জমির মাঠ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাঁর চোখ উপড়ানো ছিল বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন। ফরহাদের স্ত্রী নার্গিস বেগমের অভিযোগ, টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা তাঁর ডান চোখ উপড়ে ফেলে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। স্বজনেরা জানায়, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ২টার দিকে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ফরহাদ হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার ভোরে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দিলেও সংযোগ মেলেনি। সকালে বাড়ির প্রায় এক কিলোমিটার দূরের জমিতে ফরহাদের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান পরিবারের সদস্যরা। সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ জানান, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যুবক হত্যা, ইউপি সদস্য আটক ঢাকার নবাবগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে কামরুল ইসলাম মিঠুন (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আগলা ইউনিয়নের ছাতিয়া গ্রামে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আগলা ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নান্নুকে আটক করেছে। নিহত মিঠুন ছাতিয়া গ্রামের কিম্মত আলীর ছেলে। তাঁর বড় ভাই আকতার বলেন, ১৫-১৬ দিন আগে তাদের গরু স্থানীয় হান্নান ও বোরহানদের জমির ঘাস খেয়ে ফেলেছিল। এ নিয়ে মারামারি হয়েছিল। প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। তাঁর ভাষ্য, ‘পুরোনো ঘটনার জেরে আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে নান্নু মেম্বারের নেতৃত্বে নির্মমভাবে হত্যা করেছে হান্নান, বোরহান ও তাদের সহযোগীরা।’ মিঠুনের বোন ইয়াসমিনের দেওয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে একই এলাকার বিপ্লব নামে এক যুবক তাঁর ভাইকে ফোনে কল দিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে চূড়াইন চকে ফেলে রাখে। পরিবারের সদস্যরা সংবাদ পেয়ে মিঠুনকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ওই যুবকের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন চিকিৎসকেরা। পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে। নবাবগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার আলম আজাদ জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নান্নুকে আটক করা হয়েছে। নিহত যুবকের পরিবার অভিযোগ দিয়েছে। এতে আসামি করা হলে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - হত্যা
জমি নিয়ে বিরোধে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু
জমি নিয়ে বিরোধে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু Advertisement পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম খুলনার পাইকগাছায় জমি ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নাবা গ্রামে তাদের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, মৃত মাদার চন্দ্র বৈরাগীর দুই ছেলে বিরেন্দ্র চন্দ্র বৈরাগী (৬৫) ও কিরণ চন্দ্র বৈরাগীর (৬০) মধ্যে জমি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ঘটনার দিন দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ছোট ভাই কিরণ চন্দ্র বৈরাগী লাঠি দিয়ে বড় ভাইকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত কপিলমুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার ওসি মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এদিকে স্থানীয় কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হবে বলে নিহতের স্বজনরা নিশ্চিত করেছেন।
