জামরুল খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A 13-year-old girl was lured into a house by a 65-year-old man, gagged with paper, and raped, leaving visible injuries and hospitalising her. This is a single, specific, recent violent incident in Bhola, and the suspect was arrested the next day.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
13/05/26•উত্তর দিঘলদী, ভোলা সদর

Killed

0

Injured

1

Summary

ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী এলাকায় ১৩ মে ২০২৬ তারিখে জামরুলের লোভ দেখিয়ে ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে বসতঘরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরদিন ৬৫ বছর বয়সী অভিযুক্ত গোপাল দেবনাথকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী ভোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

গোপাল দেবনাথ (৬৫), অভিযুক্ত, স্থানীয় বাসিন্দা১৩ বছর বয়সী ভুক্তভোগী কিশোরী, দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীভুক্তভোগীর বাবা, মামলার বাদীভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলামভোলার পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছারভোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জোনায়েদ হোসেন

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 15/05/26open original ↗

ভোলায় জামরুল খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

ভোলা সদর উপজেলায় মাদরাসা ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ১৩ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে,এবং সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে গোপাল দেবনাথ (৬৫) নামে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার উত্তর দিঘলদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই একই এলাকার বাসিন্দা। এর আগে,বুধবার দুপুরে ওই এলাকাতেই এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ,মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সুত্রে জানা গেছে,গোপাল দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে একাই বসবাস করে আসছিলেন। গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে মাদরাসা ছুটি হওয়ার পর তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিল মেয়েটি। পথিমধ্যে গোপাল দেবনাথের বাড়ির সামনের জামরুল গাছের নিচে ফল কুড়ানোর সময় গোপাল কৌশলে তাদেরকে জানায় যে, তার ঘরের ভিতরে জামরুল গাছ থেকে পেড়ে রেখেছেন। আরও জানা যায়,জামরুলের লোভ দেখিয়ে গোপাল ভুক্তভোগীসহ তার দুই সহপাঠীকে তার বসতঘরের মধ্যে ডেকে নিয়ে যায় এবং তিনি ঘরের দরজা আটকানোর চেষ্টা করিলে ভুক্তভোগীর দুই সহপাঠী দৌড়ে পালিয়ে গেলে ভুক্তভোগীকে ধরে ফেলে। এবং ভুক্তভোগী ডাকচিৎকার দিলে তার মুখের মধ্যে কাগজ ঢুকিয়ে গোপাল তাকে বসতঘরের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়িতে ফিরে পরিবার ও তার দুই সহপাঠীদেরকে ঘটনাটি বিস্তারিত জানালে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গোপাল দেবনাথের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.জোনায়েদ হোসেন বলেন,ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং শঙ্কামুক্ত। তার গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভুক্তভোগীর নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন,এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে অভিযান চালিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার পর আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সাথে দেখা করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার। এছাড়া ভুক্তভোগীর যথাযথ চিকিৎসাসহ ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন তিনি। মো.খাইরুল ইসলাম/ এসএমডব্লিউ

Source 2: Jugantor · 15/05/26open original ↗

জামরুল খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

জামরুল খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম ভোলা সদর উপজেলায় মাদ্রাসা ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ১৩ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে গোপাল দেবনাথ (৬৫) নামে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলার উত্তর দিঘলদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই একই এলাকার বাসিন্দা। এর আগে বুধবার দুপুরে ওই এলাকাতেই এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ, মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গোপাল দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে একাই বসবাস করে আসছিলেন। গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার পর তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গোপাল দেবনাথের বাড়ির সামনের জামরুল গাছের নিচে ফল কুড়ানোর সময় গোপাল কৌশলে তাদের জানায় যে, তার ঘরের ভিতরে জামরুল গাছ থেকে পেড়ে রেখেছেন। আরও জানা যায়, জামরুলের লোভ দেখিয়ে গোপাল ভুক্তভোগীসহ তার দুই সহপাঠীকে তার বসতঘরের মধ্যে ডেকে নিয়ে যায় এবং তিনি ঘরের দরজা আটকানোর চেষ্টা করিলে ভুক্তভোগীর দুই সহপাঠী দৌড়ে পালিয়ে গেলে ভুক্তভোগীকে ধরে ফেলে। ভুক্তভোগী ডাকচিৎকার দিলে তার মুখের মধ্যে কাগজ ঢুকিয়ে গোপাল তাকে বসতঘরের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়িতে ফিরে পরিবার ও তার দুই সহপাঠীকে ঘটনাটি বিস্তারিত জানালে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গোপাল দেবনাথের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জোনায়েদ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সে এখন শঙ্কামুক্ত। তার গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভুক্তভোগীর নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে অভিযান চালিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা আসামিকে গ্রেফতার করেছি। আদালতে সোপর্দ করার পর আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার। এছাড়া ভুক্তভোগীর যথাযথ চিকিৎসাসহ ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন তিনি।