বরিশালে ইজারাদারকে কোপাল যুবদল নেতার লোকরা
Why this classification
This incident is classified as political violence because local leaders and members of Jubo Dal directly attacked a ferry leaseholder and his associates with sharp weapons after their extortion demand of monthly 200,000 taka was refused, resulting in multiple injuries.
Killed
0
Injured
6
Summary
২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যায় বরিশালের লাহারহাট ফেরিঘাট টার্মিনালে চাঁদা না পেয়ে ইজারাদার ও তার লোকজনের ওপর হামলা চালায় যুবদল নেতা মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারীরা। এ ঘটনায় ইজারাদারসহ ছয়জন আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শ্রমিক দল নেতার ঘরে বোমা নিক্ষেপ, মামলায় বিএনপি নেতাও আসামি
শ্রমিক দল নেতার ঘরে বোমা নিক্ষেপ, মামলায় বিএনপি নেতাও আসামি ছবি-সংগৃহীত বরিশাল ব্যুরো ও বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬ | ০১:১৫ শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যে থানায় মামলা হয়েছে। রহস্যময় মামলাটি হয়েছে গত শুক্রবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে বরিশালের বানারীপাড়া থানায়। জানা গেছে, মামলায় সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানাসহ ৪০ জন নামধারী এবং অজ্ঞাতনামা ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামির মধ্যে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সালেক মল্লিক শিমুলের নামও রয়েছে। মামলার বাদী মো. রাসেল বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পেশায় তিনি অটোরিকশাচালক। ঘটনাস্থল সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড় বাইশারী ইউনিয়নের গরদ্বার গ্রাম এবং বানারীপাড়া থানা নদীর পূর্ব পাড়ে। দুটির স্থানের দূরত্ব দুই কিলোমিটার। এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, তাকে (রাসেল) সপরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে বাইশারী গ্রামে শুক্রবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে আসামিরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে তাঁর ঘরে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বানারীপাড়া স্টেশনের টিম লিডার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে গরদ্বার গ্রামে বোমা থেকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পান। তারা সেখানে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার মধ্যে ফের খবর আসে আগুন নেভানো হয়েছে। তাই ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে যায়নি। মামলার আাসামি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনি বলেন, পুরো ঘটনাটি সাজানো। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে বিএনপি নাটক মঞ্চস্থ করেছে। এজাহারের অন্যতম আসামি উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সালেক মল্লিক শিমুল জানান, এ মামলার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন তাঁকে আসামি করা হয়েছে। বাদী রাসেলকেও তিনি চেনেন না। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাকে আসামি করার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহ আলম মিঞা বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করব না। ঘটনাটি আমি আজ (রোববার) জেনেছি।’ বাদী রাসেলকে চেনেন কিনা– এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দেখলে হয়তো চিনব, কিন্তু এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না।’ বাদী মো. রাসেলের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে পারেনি সমকাল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. একরামুল হক জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের আলামত পেয়েছেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আবদুল্লাহ ফকির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বরিশালে ইজারাদারকে কোপাল যুবদল নেতার লোকরা
চাঁদা না দেওয়ার জের বরিশালে ইজারাদারকে কোপাল যুবদল নেতার লোকরা Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশালের লাহারহাটে ফেরিঘাট ইজারাদার সাইফুল ইসলাম খানের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন সদর উপজেলার টঙ্গিবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রাসেল। চাঁদা না পেয়ে দলবল নিয়ে ইজরাদারের ওপর হামলা চালান তিনি। এতে ইজারাদার সাইফুল ও সঙ্গে থাকা রেজাউল করিম, সরোয়ার হোসেন, আল আমিন, নয়ন মল্লিক ও সজল খলিফা আহত হন। গুরুতর আহত রেজাউলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর অন্যদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় লাহারহাট ফেরিঘাট টার্মিনালে এ ঘটনা ঘটে। ইজারাদার অভিযোগ করেন, চলতি বছরের শুরুতে বিধি অনুসরণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে তিনি ফেরিঘাট টার্মিনালের ইজারা পান। শুরু থেকেই মেহেদী হাসান রাসেল, তার সঙ্গী রনি হাওলাদার, রাজন খান, ইব্রাহিম মল্লিক, রাজিব এই ইজারা তাদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে মাসিক ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বুধবার এই হামলা হয়। রাসেল ১৫-২০ জন সঙ্গী নিয়ে অতর্কিত আমাদের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার লোকজনকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। আমি কোনোভাবে পাশের দোকানে ঢুকে বন্দর থানায় ফোন করে পুলিশের সাহায্য চাই। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
