মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A religious teacher allegedly raped a 10-year-old student after intimidating him, on the night of 19 May 2026, which is within the 14-day window. This is a single, concrete incident of sexual violence against a child in Bangladesh, so it is classified as violence even though the report centres on the arrest that followed.

Reported by:Dhaka PostSamakalCorroborated · 2 sources
19/05/26•Darul Uloom Qawmi Hafezia Madrasa, Dhamoirhat

Killed

0

Injured

0

Summary

নওগাঁর ধামইরহাটে দারুল উলুম কওমি হাফেজিয়া মাদরাসায় ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে ধর্মীয় শিক্ষক মমিনুল হক (২৬) গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনাটি ১৯ মে রাতে ঘটেছে বলে জানা গেছে, এবং মাদরাসা সভাপতির করা মামলায় ২১ মে গ্রেপ্তার করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Mominul Haque (26), religious teacher of the madrasaMintu Rahman, acting OC of Dhamoirhat Police StationNur Nabi, madrasa president (complainant)

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 19/05/26open original ↗

বাসচালকে মারধরের প্রতিবাদে নওগাঁয় দূরপাল্লার বাস বন্ধ

বাসচালকে মারধরের প্রতিবাদে নওগাঁয় দূরপাল্লার বাস বন্ধ ছবি: সমকাল নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ | ১৭:১৪ বাসচালককে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে নওগাঁ থেকে বগুড়া, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস রাত দেড়টার দিকে নওগাঁর ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছায়। যাত্রী নামিয়ে বাসটি ঘোরানোর সময় চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন যুবক হঠাৎ করে চালককে মারধর করেন। পরে বাসটি কাউন্টারে গেলে সেখানে গিয়ে ভাঙচুরেরও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে বলেও তারা জানান। গাইবান্ধা যাওয়ার জন্য কাউন্টারের সামনে অপেক্ষায় থাকা যাত্রী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঈদের জন্য বাড়ি যাব। একটু আগে আগেই ছুটি নিয়েছি। এসে দেখছি বাস বন্ধ। নওগাঁতে মাঝেমাঝেই শ্রমিকেরা এমন কর্মসূচি দিয়ে আমাদের ভোগান্তিতে ফেলে।’ মুনিরা আক্তার নামে আরেক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জরুরি কাজে ঢাকা যাবো। কাউন্টারে এসে শুনি বাস চলবে না। সময়মতো পৌঁছানো দরকার ছিল, এখন কীভাবে যাব বুঝতে পারছি না।’ নওগাঁ জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘একতা বাস কাউন্টারের স্টাফদেরকে কে বা কারা মারধর করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে কি হয়েছে জেনে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাতে পারব।’ নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে বৈঠক চলছে।’ - বিষয় : - বাস চলাচল বন্ধ

Source 2: Dhaka Post · 21/05/26open original ↗

মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

নওগাঁর ধামইরহাটে মাদরাসার শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) বলাৎকারের অভিযোগে মমিনুল হক (২৬) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে উপজেলার দারুল উলুম কওমি হাফেজিয়া মাদরাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মমিনুল হক ওই মাদরাসার ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পত্নীতলা উপজেলার বরইল গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে। ধামইরহাট থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৮টার দিকে ধর্মীয় শিক্ষক মমিনুল হক মাদরাসার সকল শিক্ষার্থীকে এশার নামাজ আদায়ের জন্য পাশের মসজিদে পাঠিয়ে দেন। প্রয়োজনীয় কথা আছে বলে মাদরাসার ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। পরবর্তীতে অনন্য শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই শিক্ষক তাকে বলাৎকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযান চালিয়ে তাকে মাদরাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধামইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা ঢাকায় কাজ করে। সে বাবা-মাকে ছাড়াই ওই মাদরাসায় থেকে পড়াশোনা করতো। বলাৎকারের বিষয়টি সে তার বাবা-মাকে জানালে তার বাবা-মা মাদরাসার সভাপতিকে জানান। বিষয়টি জেনে ওই মাদরাসার সভাপতি নূর নবি থানায় বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মনিরুল ইসলাম শামীম/আরএআর