ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as gender-based violence in Mymensingh. Parties reported: Jamaat, BNP. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:JugantorSingle source
12/02/26•Bishnupur, Ishwarganj

Killed

0

Injured

1

Summary

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) রাতে তাছলিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে তার স্বামী ফরিদ মিয়া বেধড়ক মারধর ও মৌখিক তালাক দিয়েছেন। অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক বলে জানা গেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

74% · severity 4

Parties involved

JamaatBNP

Tags

Domestic ViolenceElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 16/02/26open original ↗

ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীকে মারধর ও মৌখিক তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি সোমবার জানাজানি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষ্ণুপুর গ্রামের ফরিদ মিয়া তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারকে (২৩) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ছাতা প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেন। তবে তাছলিমা ভোট দেন ধানের শীষে প্রতীকে। এ নিয়েই দাম্পত্য কলহের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই রাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদ মিয়া স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করেন এবং একপর্যায়ে মৌখিকভাবে তিন তালাক ঘোষণা করেন। ভুক্তভোগী তাছলিমা বলেন, আমি ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় আমাকে মারধর করা হয়েছে এবং অন্যায়ভাবে তালাক দেওয়া হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিষয়টি নিশ্চিত করে আঠারবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, ফরিদ তাদের দলের সমর্থক হলেও কোনো সাংগঠনিক পদে নেই। ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য মুকসেদ আলী ও আঠারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনার পর থেকে ফরিদ মিয়া বাড়ি ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ফরিদ মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। রাজনৈতিক মতভিন্নতার জেরে সংসার ভাঙার এ ঘটনা এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সচেতন মহল বলছে, ভোটাধিকার ব্যক্তির সাংবিধানিক অধিকার; সে অধিকার প্রয়োগের কারণে কোনো নারীর ওপর নির্যাতন কিংবা তালাক দেওয়ার মতো ঘটনা গণতান্ত্রিক সমাজে কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।