‘আমি তো একা ধূমপান করছি না, তারা এতটাই মেরেছে যে দাগ দেখলে বুঝতে পারবেন’

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

This article reports a specific incident on 4 July 2026 in which a student was allegedly beaten by concert organisers and volunteers after a dispute over smoking. The university disputes that it was a beating and calls it minor pushing, but the physical altercation itself is reported, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
04/07/26•সমাজবিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ৪ জুলাই শনিবার সন্ধ্যায় চবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে সিইউবিএস-এর কনসার্টে ধূমপান নিয়ে বাকবিতণ্ডার পর অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল মুমিন তানবিরকে আয়োজকদের একাংশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আয়োজকরা এটিকে ভুল বোঝাবুঝি বলেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একে সামান্য ধাক্কাধাক্কি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

60% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

আবদুল মুমিন তানবির (অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, ভুক্তভোগী)দুইজন সিনিয়র (অভিযুক্ত, পরিচয় অজ্ঞাত)মাহিয়ান সামি ঈপ্সিত (সিইউবিএস ভাইস প্রেসিডেন্ট)তাহসিন চৌধুরী (বিডিনিউজ২৪ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি)মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (সহকারী প্রক্টর, চবি)

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 05/07/26open original ↗

‘আমি তো একা ধূমপান করছি না, তারা এতটাই মেরেছে যে দাগ দেখলে বুঝতে পারবেন’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘আমি তো একা ধূমপান করছি না, তারা এতটাই মেরেছে যে দাগ দেখলে বুঝতে পারবেন’ ধূমপান করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬ | ২৩:১৭ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদে আয়োজিত কনসার্টে ধূমপান করাকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে আয়োজক সংগঠন বলছে, ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, এটি বড় ধরনের কোনো ঘটনা নয়। আজ শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটির (সিইউবিএস) আয়োজিত কনসার্টে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল মুমিন তানবির অভিযোগ করেন, কনসার্টস্থলে অনেকেই ধূমপান করছিলেন। এ সময় দু’জন সিনিয়র এসে তাকে অন্য জায়গায় গিয়ে ধূমপান করতে বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি তো একা ধূমপান করছি না, সবাই করছে। এরপর হঠাৎ তারা আমাকে গালিগালাজ করতে করতে মারধর শুরু করেন। আজকের অনুষ্ঠানের আয়োজকদের সবাই এই মারধরের সঙ্গে জড়িত। তারা আমাকে এতটাই মারধর করেছেন যে শরীরের দাগ দেখলে বুঝতে পারবেন।’ এ ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি তাহসিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‘কনসার্টস্থলে হট্টগোল দেখে কী হয়েছে জানতে এগিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, ভুক্তভোগী আমার ছোট ভাই এবং তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা আমাকে বলেন, ‘আপনি বেশি কথা বলছেন, এখান থেকে চলে যান।’’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সিওবিএসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহিয়ান সামি ঈপ্সিত বলেন, ‘ঘটনার সময় সেখানে আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তাদের এক স্বেচ্ছাসেবক ওই শিক্ষার্থীকে শুধু অন্য জায়গায় গিয়ে ধূমপান করতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। কে প্রথমে হাত তুলেছেন, সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদের কাছে যারা ছিলেন, তাদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীই প্রথমে হাত তোলেন। এরপর পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে যায়।’ সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার কোনো নির্দেশ ছিল না। যদি আমাদের কোনো স্বেচ্ছাসেবক সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থাকেন বা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দিয়ে থাকেন, তাহলে আমরা তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। বিষয়টি তদন্ত করে ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, কনসার্টে প্রায় এক হাজার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেছেন। সবার ব্যক্তিগত আচরণের দায় তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব না হলেও কেউ সংগঠনের নীতিমালা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই না আমাদের কোনো আয়োজনে ধূমপান, মাদক, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটুক। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক পরিবেশ সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকুক, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সমাজবিজ্ঞান অনুষদের কনসার্টে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আয়োজকদের একটি বিষয় নিয়ে সামান্য বাগ্বিতণ্ডা হয়েছিল। পরে তারা নিজেরাই বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলেছে। এটি তেমন বড় কোনো ঘটনা নয়।’ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটিকে মারধর বলা যাবে না। মুহূর্তের উত্তেজনায় সামান্য ধাক্কাধাক্কির মতো ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি। যদি তার কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে আগামীকাল প্রক্টর অফিসে এসে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’