শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর জানায় ক্রাইম পেট্রোলে আসক্ত কিশোরী

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

একটি ১৪ বছর বয়সী কিশোরী ২.৫ বছরের শিশুকে বালতির পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে এবং পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে; এটি একটি সাম্প্রতিক, নির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
20/06/26•দেওপাড়া, কালীগঞ্জ

Killed

1

Injured

0

Summary

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১৪ বছরের কিশোরী ভাড়াটিয়ার আড়াই বছরের শিশু আরিশাকে বালতির পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে। পুলিশ হেফাজতে সে হত্যার দায় স্বীকার করে; ঘটনাটি শনিবার (২০ জুন) বিকালে দেওপাড়া এলাকায় ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

অভিযুক্ত ১৪ বছর বয়সী কিশোরীনিহত শিশু আরিশা আক্তার জান্নাতআলহাজ শেখ (নিহত শিশুর বাবা)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 09/05/26open original ↗

কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে হত্যার ঘটনায় মামলা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী সন্তান ও শ্যালককে জবাই করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে নিহত শারমিন বেগমের বাবা সাহাদত মোল্লা কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পলাতক ঘাতক ফুরকানসহ অজ্ঞাত চার, পাঁচজনকে আসামী করা হয়েছে। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত নারী শারমিন খানমের বাবা সাহাদত মোল্লা বাদী হয়ে ফুরকানকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আরও চার, পাঁচজনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামী করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোন গ্রামের একটি আবাসিক কলোনি থেকে রক্তমাখা অবস্থায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন, অভিযুক্ত ফুরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন বেগম (৩২), শ্যালক রসুল মিয়া (২২), বড় মেয়ে মীম (১৪), হাবিবা (১০) ও ফারিয়া (২)। তারা গোপালগঞ্জ জেলা শহর থেকে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের কাপাসিয়া রাউৎকোন গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত শুক্রবার (৮) মে গভীর রাতের কোনো এক সময় ওই পাঁচ জনকে জবাই করে নির্মমভাবে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী ফুরকান পালিয়ে যায়। পরে শনিবার ভোরে পলাতক স্বামী নিহতের স্বজনদের কাছে মোবাইল ফোনে খুনের কথা জানান। আশিকুর রহমান/এনটি

Source 2: Jugantor · 21/06/26open original ↗

শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর জানায় ক্রাইম পেট্রোলে আসক্ত কিশোরী

শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর জানায় ক্রাইম পেট্রোলে আসক্ত কিশোরী Advertisement কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম গ্রেফতার কিশোরী গাজীপুরের কালীগঞ্জে মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে ভাড়াটিয়ার আড়াই বছরের এক শিশুকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ১৪ বছরের কিশোরীর বিরুদ্ধে। পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যার দায় স্বীকার সে। পুলিশ জানায়, হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কিশোরী নিজেই থানায় জানায়- সে হত্যা করেছে। শিশুটি অপরাধ ভিত্তিক টেলিভিশন ধারাবাহিক ক্রাইম পেট্রোলে আসক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। রোববার দুপুরে শিশু হত্যায় অভিযুক্ত কিশোরীকে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করে থানা পুলিশ। পরে আদালতের বিচার তাকে হাজতবাসে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় মৃত শিশুর বাবা রোববার সকালে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে শনিবার বিকালে পৌরসভার দেওপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোরী নিজেই থানায় গিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। নিহত শিশু আরিশা আক্তার জান্নাত রাজবাড়ী জেলার রামকান্তপুর এলাকার আলহাজ শেখ ও গোলাপি বেগমের মেয়ে। আলহাজ শেখ চাকরির সুবাদে পরিবার নিয়ে তিনি কালীগঞ্জ পৌরসভার দেওপাড়া এলাকায় আবুল কালামের বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন এবং সেভেন রিংস সিমেন্ট কারখানায় কর্মরত। অভিযুক্ত কিশোরী বাড়ির মালিকের মেয়ে (১৪)। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পুলিশ ও নিহত শিশুর বাবার বরাতে জানা গেছে, দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। অভিযুক্ত কিশোরীর মা ছোট্ট আরিশাকে বিশেষভাবে পছন্দ করতেন এবং আদর করতেন। শনিবার বিকালে বাড়ির উঠানে দুজন একসঙ্গে খেলছিল। এ সময় দুই পরিবারের লোকজন ঘরের ভেতরে কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর আরিশাকে দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে গোসল খানায় ঢুকে বালতির পানিতে শিশুটিকে ডুবন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বাবা-মা। পরের ডাক-চিৎকার করলে বাড়ির লোকজন এসে আরিশা আক্তার জান্নাতকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিশার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোরী হাসপাতালে গিয়ে আরিশার অবস্থা জানতে চায়। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সে সরাসরি থানায় গিয়ে পুলিশকে বলে, আমি আরিশাকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছি। এরপর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ চিহ্নিত করেছে। কিশোরীর মা মৃত আরিশাকে খুবই আদর করতেন — এই বিষয়টি অভিযুক্ত কিশোরী মেনে নিতে পারেনি। এ থেকে তার মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়া সে দীর্ঘদিন ধরে ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর মতো অপরাধভিত্তিক টেলিভিশন ধারাবাহিকে আসক্ত ছিল, যা তাকে এ ঘটনায় প্ররোচিত করে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন। অভিযুক্ত কিশোরী মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ নয় বলেও জানা গেছে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন ও পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম বলেন, 'অভিযুক্ত কিশোরীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ হত্যার পেছনে আরও কোনো কারণ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।