আলফাডাঙ্গায় ঘুস নিতে গিয়ে অফিস সহকারী ধরা

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

This is a single, specific incident in Faridpur on 1 April 2026 in which an office assistant was caught taking a bribe and then got into a physical scuffle with the complainant. Because a physical clash took place, it is not a simple arrest and is included, though the violence is minor with no injuries reported.

Reported by:JugantorSingle source
01/04/26•আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস

Killed

0

Injured

0

Summary

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী (কম্পিউটার) যশময় সাহা নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য ৩ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে ২ হাজার টাকা নেওয়ার সময় ভুক্তভোগী ইউসুফের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান। ঘটনাটি ১ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) দুপুরে ঘটে এবং পরে তাকে ইউএনও-র কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 2

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

যশময় সাহা (অফিস সহকারী, কম্পিউটার, আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস)মো. ইউসুফ (ভুক্তভোগী, পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা)উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 03/04/26open original ↗

আলফাডাঙ্গায় ঘুস নিতে গিয়ে অফিস সহকারী ধরা

আলফাডাঙ্গায় ঘুস নিতে গিয়ে অফিস সহকারী ধরা Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী (কম্পিউটার) যশময় সাহা ঘুস নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নতুন ভোটার আইডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ৩ হাজার টাকা ঘুস দাবি করেন তিনি। ভুক্তভোগী মো. ইউছুফ নামে এক যুবকের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ঘুসও নেন যশময়। এ সময় ভুক্তভোগী ইউছুফ ও যশময় সাহার মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘুসের টাকাসহ যশময় সাহাকে ঝাপটে ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসকক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন ইউএনও। ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনের ছেলে ইউসুফ উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী (কম্পিউটার) যশময় সাহার কাছে তার ছোট ভাই নাসির উদ্দিনের নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে কাগজপত্র নিয়ে যান। এ সময় দ্রুত কাজ করতে হলে ইউসুফের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করেন যশময়া। ইউসুফ প্রথমে দেড় হাজার, পরে আরও ৫০০ টাকা দেন এবং জানতে চান এই টাকা কি সরকারি কোষাগারে অথবা ওপর মহলে দেওয়া লাগে কি না? অফিস সহকারী না বললে তখন দুইজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে ইউএনওর কক্ষে নিয়ে বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী ইউসুফ। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে যশময় সাহার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, আমার কাছে এসেছিল। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।