ভাঙ্গায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

This is a single, specific incident in Keraniganj, Dhaka, reported on Wednesday 8 April 2026, which is within the 14-day window. The victim alleges that her brother-in-law and his brother-in-law raped her in an empty house, and she has filed a complaint, so it qualifies as a violent sexual assault.

Reported by:JugantorSamakalAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
08/04/26•হাসনাবাদ, কেরানীগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

ফরিদপুরের ভাঙ্গার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দুয়াইর গ্রামের এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল (বুধবার) রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে একটি ফাঁকা বাড়িতে তার শালা-দুলাভাই পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দিতে এলেও স্থানীয় মাতব্বররা মীমাংসার জন্য পরিবারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন, এবং পুলিশ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে বলেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

80% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Alamgir Hossain (accused, dulavai/brother-in-law)Md. Jalil Khan (accused, shala/brother-in-law)Local elders (matubbar)OC Mohammad Mizanur Rahman

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 13/01/26open original ↗

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে খুন: র‌্যাব

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে খুন: র্যাব রেস্তোরাঁ কর্মী গ্রেপ্তার ফাতেমা আক্তার নিলি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৮:৫৮ রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর বাসায় স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার নিলিকে প্রথমে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঘরের মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর বটি দিয়ে গলাকেটে হত্যা নিশ্চিত করে বের হয়ে যান রেস্তোরাঁ কর্মচারী মিলন মল্লিক (২৮)। তাকে বাগেরহাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। র্যাব বলছে, ফাতেমাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয় মিলন। এতে রাজি না হওয়ায় ফাতেমাকে হত্যা করেন তিনি। হত্যায় ব্যবহৃত বটি ও নাইলনের রশি উদ্ধার করা হয়েছে। মিলন নিহত ফাতেমার বাবা সজিব মিয়ার রেস্তোরাঁয় সাত বছর আগে এক বছরের মতো সময় কাজ করে ছেড়ে দেন। গত দুই মাস ধরে নতুন করে ওই রেস্তোরাঁয় কাজ শুরু করেন মিলন। ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের টিনশেড থেকে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সজিব মিয়া বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় মামলা করেন। পুলিশের পাশাপাশি মামলাটির ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব-৩ । র্যাব-৩ ও র্যাব-৬ এর যৌথ অভিযানে রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাগেরহাট জেলা সদরের বড় সিংগা এলাকা থেকে মিলন মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি বাগেরহাট সদরের মান্ডা বাশখালীতে। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব- ৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, নিহত ফাতেমার বাবার রেস্তোরাঁর কর্মচারী হিসাবে মিলন মল্লিকের ওই বাসায় যাতায়াত ছিল। ফাতেমার বাবা, মা ও ভাই জমি সংক্রান্ত কাজে ছয় জানুয়ারি হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন। এ কারণে রেস্তোরাঁয় কর্মরত চার কর্মচারীর মধ্যে তিনজন ছুটিতে ছিলেন। তবে ছুটি না নিয়ে কর্মচারী মিলন রেস্তোরাঁ খোলা রাখেন। রেস্তোরাঁর খাবার রান্না হয় সজীবের বাসায়। মিলন বাসা থেকে খাবার আনা-নেওয়া করেন। র্যাব জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মিলন মল্লিক ঘটনার দিন দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটে ওই বাসায় প্রবেশ করেন এবং খাবার নিয়ে পাঁচ মিনিট পরই ফাতেমার বোন শোভা আক্তারের সঙ্গে বের হয়ে যান। শোভা যান ব্যায়ামাগারে। এটি মিলন জানতেন। দুপুর দুইটা ২৫ মিনিটে মিলন ফের ওই বাসায় প্রবেশ করেন এবং ২০ মিনিট পর বের হয়ে যান। এই সময়ের মধ্যেই ফাতেমাকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। র্যাবের ভাষ্য, বেশ কিছুদিন ধরে মিলন শিক্ষার্থী ফাতেমাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার আগের রাতে মিলন ওই বাসায় খাবার আনতে যান এবং ফাতেমাকে পুনরায় একই প্রস্তাব দেন। মেয়েটি রাজি না হয়ে তাকে গালিগালাজ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ঘটনার দিন মিলন নাইলনের রশি নিয়ে ওই বাসায় গিয়ে ফাতেমার গলায় রশি পেঁচিয়ে ধরেন। এ সময় ফাতেমা মেঝেতে পড়ে যান। ভিকটিম চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হওয়ার আশঙ্কায় মিলন রান্নাঘরের বটি দিয়ে তাকে গলাকেটে হত্যা করে। রান্নাঘরের বটি এনে তাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মিলন বাসার আসবাবপত্র তল্লাশি করে কিছু নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান র্যাব কর্মকর্তা ফায়েজুল আরেফীন। মিলনের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সময় পরিহিত কালো প্যান্ট ও নীল গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি ও নাইলনের দড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। র্যাব-৩ অধিনায়ক ফায়েজুল আরেফীন বলেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কিনা, তা তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

Source 2: Ajker Patrika · 12/01/26open original ↗

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

‘অনৈতিক প্রস্তাবে’ রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রী খুন নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ৩৬ রাজধানীর খিলগাঁও থানার বনশ্রী এলাকায় স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার নিলিকে (১৭) গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ঘাতক মিলন মল্লিককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়া এবং প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিলিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন মিলন। গতকাল রোববার সকালে বাগেরহাটের মান্ডা বাঁশখালী এলাকা থেকে র্যাব-৩ ও ৬-এর যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মিলন মল্লিক (২৮) নিহত নিলির বাবা মো. সজীবের হোটেলের কর্মচারী ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, হোটেল কর্মচারী মিলন নিলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে সাড়া না দেওয়ায় এবং প্রতিবাদ করায় নিলির ওপর ক্ষিপ্ত হন মিলন। পরে তিনি নিলিকে হত্যা করেন। এ ঘটনার পর মিলন মল্লিক তাঁর গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মান্ডা বাঁশখালী এলাকায় পালিয়ে যান। তাঁর বাবার নাম সেকেন্দার মল্লিক। বাগেরহাট থেকেই গতকাল সকালে তাঁকে র্যাবের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলন মল্লিককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গত শনিবার বেলা ১টা ৩৬ মিনিটে মিলন মল্লিক হোটেলমালিক সজীবের খিলগাঁও থানার বনশ্রীর এল-ব্লকের বাসায় প্রবেশ করেন। এ সময় বাসায় হোটেলমালিকের বড় মেয়ে শোভা আক্তার ও ছোট মেয়ে নিলি ছিল। বেলা ১টা ৪১ মিনিটে ওই বাসা থেকে বের হয়ে যান মিলন, একই সময় হোটেলমালিকের বড় মেয়ে শোভাও তাঁর সঙ্গে বের হন। শোভা জিমে চলে যান। এরপর বেলা ২টা ২৫ মিনিটে মিলন পুনরায় একা ওই বাসায় প্রবেশ করেন এবং প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করে ২টা ৪৫ মিনিটে বের হয়ে যান। এই সময়ের মধ্যেই নিলিকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার আগের রাতেও খাবার দিতে গিয়ে একই প্রস্তাব দিলে নিলি তাঁকে বকাঝকা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মিলন। র্যাব জানায়, ঘটনার দিন পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নাইলনের দড়ি নিয়ে মিলন ভিকটিমের বাসায় যান। একপর্যায়ে তাঁর অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তিনি দড়ি দিয়ে নিলির গলা চেপে ধরেন। ভিকটিম চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হওয়ার আশঙ্কায় রান্নাঘরে থাকা ধারালো বঁটি দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করেন। হত্যার পর কিছু নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান মিলন। এরপর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শোভা জিম থেকে ফিরে দেখেন, তাঁর বোন বাসার ডাইনিং রুমের বেসিনের নিচে উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে নিলিকে পাশের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে গতকাল সকালে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। এরপর খিলগাঁও থানা-পুলিশ নিলির লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এ ঘটনায় নিলির বাবা মো. সজীব অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পরেই র্যাব ও পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারে দ্রুত অভিযান শুরু করে। র্যাব বাগেরহাট থেকে মিলনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ঘটনার দিন পরিহিত কালো প্যান্ট ও নীল রঙের গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত বঁটি ও নাইলনের দড়ি উদ্ধার করে। র্যাব-৩-এর অধিনায়ক জানান, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা সহযোগী রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পঠিত সর্বশেষ ১ ২ ৩ ৪ ৫ খুঁজুন রংপুরের পীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় এক পথচারী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের লালদীঘি ওভারপাস থেকে প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে বিসমিল্লাহ পেট্রল পাম্পের বিপরীত পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে... ৩ মিনিট আগে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ষাটনল টার্মিনালে লঞ্চ থেকে নামার সময় মেঘনা নদীতে পড়ে মো. রবিন হোসেন (৩৬) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনার ১০ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও তাঁকে উদ্ধার করা যায়নি। নিখোঁজ যুবক ওই উপজেলায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে ঘটনার খবরেরও প্রায় ৩ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে.... ১ ঘণ্টা আগে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহকারী রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে নোটিশ জারির খরচের কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ১ ঘণ্টা আগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এ সময় নেতা-কর্মীরা ‘বন্ধু কোটায় মন্ত্রী, কর্মী কোটায় চাকরি’ ইত্যাদি লেখা প্লাকার্ড ও লালকার্ড প্রদর্শন করে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে দলীয়করণের.... ১ ঘণ্টা আগে

Source 3: Jugantor · 12/04/26open original ↗

ভাঙ্গায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

ভাঙ্গায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ অভিযুক্ত শালা-দুলাভাই Advertisement ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভাঙ্গার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দুয়াইর গ্রামের তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শালা-দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শনিবার থানায় অভিযোগ দিতে আসেন ওই তরুণী। বুধবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ হাসনাবাদ এলাকায় একটি ফাঁকা বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত দুলাভাই আলমগীর হোসেন ও শালা মো. জলিল খাঁ দুজনের বাড়ি নাসিরাবাদ গ্রামে। অভিযুক্ত দুলাভাই তার আপন শালার জন্য ওই মেয়ের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। বুধবার সকালে ওই তরুণীকে তার শালা দেখতে চায় বলে ডেকে নেয় দুলাভাই। পরে তাকে একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে প্রথমে দুলাভাই এবং পরে শালা পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী তরুণীর। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় মাতুব্বররা গত দুদিন মীমাংসা করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, যেহেতু ঘটনাস্থল কেরানীগঞ্জ এলাকায়। সেহেতু কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে হবে।