একপক্ষে আ.লীগ নেতা, অন্যপক্ষে বিএনপি, সংঘর্ষে আহত ২০
Why this classification
প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যাতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ রয়েছে। এটি একটি সাম্প্রতিক, সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
20
Summary
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে সামাজিক বিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 20
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
একপক্ষে আ.লীগ নেতা, অন্যপক্ষে বিএনপি, সংঘর্ষে আহত ২০
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু একপক্ষে আ.লীগ নেতা, অন্যপক্ষে বিএনপি, সংঘর্ষে আহত ২০ প্রতীকী ছবি হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬ | ০২:০৭ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সামাজিক বিরোধে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে উপজেলার ৬নং ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে সাবেক ইউপি সদস্য মশিউর রহমান মশাল, মোজাফ্ফর হোসেন ও কবির হোসেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মিজানুর রহমান ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ছোটন রহমান ছোট ঝিনাইদহ সদর হাসাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অন্যরা হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সামাজিক বিরোধ চলছে। একপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ফলসী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ঝিনাইদহ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি করম আলী ও সাবেক ইউপি সদস্য মশিউর রহমান মশাল। গত শুক্রবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের ভাই ছোটন রহমান ছোটকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। এর জেরে চেয়ারম্যানের লোকজন আজ সকাল ৬টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি করম আলী অভিযোগ করেন, সকালে চেয়ারম্যানের পক্ষের আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এ সময় তারা বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মশিউর রহমান মশালসহ ১৫-১৬ জনকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ফারুক হোসেন নামে ওই গ্রামের একজন বাসিন্দা জানান, শুক্রবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ছোটকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। এরই জেরে শনিবার সংঘর্ষ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই গ্রামের এক ব্যক্তি জানান, গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে সামাজিক বিরোধ চলছে। এর আগেও মে মাসে দু’দফায় সংঘর্ষ হয়। ইসরাফিল হোসেন আরও একজন জানান, কয়েকদিন আগে চেয়ারম্যানের ভাইয়ের পুকুর থেকে রাতের আঁধারে কে বা কারা মাছ লুট করে। সেই ঘটনায় মামলা হয়। মামলার জেরে চেয়ারম্যানের ভাই ছোটকে গত শুক্রবার প্রতিপক্ষরা কুপিয়ে আহত করে। ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান বলেন, একের পর এক তাঁর লোকজনের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। তাঁর ভাইকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। সংঘর্ষের সময় ককটেল ফাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাইজাল হোসেন বলেন, এটি সামাজিক বিরোধ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কিছু লোক ইউপি চেয়ারম্যানের গ্রুপ থেকে বের হয়ে গেছে। তাই প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উনি তাদের ওপর একের পর এক হামলা করছেন। তিনি আরও দাবি করেন, চেয়ারম্যানের ভাই একজন নারীকে লাঞ্চিত করেছিল, ওই নারীর পরিবারের লোকজন তাঁর ওপর হামলা করেছে। কিন্তু চেয়ারম্যান ঘুমন্ত প্রতিপক্ষের ওপর ভোরে হামলা করিয়েছেন। এ সময় চেয়ারম্যানের লোকজন ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ককটেল ফাটানোর খবরটি সঠিক নয়। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোর হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। - বিষয় : - ঝিনাইদহ - আওয়ামী লীগ - বিএনপি - সংঘর্ষ
