বিয়েবাড়িতে সাউন্ড বক্স বাজানো নিয়ে হামলায় আহত কৃষকের মৃত্যু
Why this classification
This is a single, real incident in Kaliganj, Gazipur, in which neighbours beat a 56-year-old farmer with sticks after a dispute over a wedding sound box and a quarrel between children. The victim died on 2 April 2026 after 10 days on life support, and a murder case has been filed against 11 named people.
Killed
1
Injured
0
Summary
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ২৪ মার্চ বিয়েবাড়ির সাউন্ড বক্স ও ঝগড়া নিয়ে প্রতিবেশী হালিম, শরিফসহ একদল লোক লাঠি দিয়ে ইদ্রিস আলী ওরফে ইজ্জত আলী (৫৬) কে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত করে। ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ২ এপ্রিল ২০২৬ সকালে তাঁর মৃত্যু হয় এবং নিহতের মেয়ে ১১ জনের নামে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিয়েবাড়িতে সাউন্ড বক্স বাজানো নিয়ে হামলায় আহত কৃষকের মৃত্যু
বিয়েবাড়িতে সাউন্ড বক্স বাজানো নিয়ে হামলায় আহত কৃষকের মৃত্যু Advertisement কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে সাউন্ড বক্স বাজানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিবেশীর হামলায় আহত ইদ্রিস আলী ওরফে ইজ্জত আলী শেখ (৫৬) নামে এক কৃষক মারা গেছেন। লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ১০ দিন পর বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গোল্লারটেক এলাকার সম্মানীপাড়া কাদেরের বাড়িসংলগ্ন রাস্তায়। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ রাতে প্রতিবেশী কাদেরের মেয়ে ময়না আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে বক্স বাজানো হচ্ছিল। একে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ২৪ মার্চ সকালে ইজ্জত আলীর নাতনি সিনহার সঙ্গে প্রতিবেশী হালিমের ৮ বছর বয়সের ছেলে রাব্বির ঝগড়া হয়। পরে এই ঝগড়া কেন্দ্র করে পুনরায় তাদের মাঝে দফায় দফায় সংঘাতের সৃষ্টি হয়। পরে একপর্যায়ে প্রতিবেশী হালিম বাগমার, শরিফ, মারুফ, ইতি আক্তার, শাকিল খরাদী তার ভাই ইমন, শাহীনসহ হারুন, ফয়সাল ও সাইফুল দেশীয় অস্ত্র লাঠিটা নিয়ে ইজ্জত আলীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। তাতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। পরে ইজ্জত আলীর পরিবারের লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে ৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে ৭ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান। অপরদিকে মৃত্যুর খবর পেয়ে অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়তের মেয়ে শিউলি, নিপা, লিজা ও তার মা সেলিনা বেগমসহ-স্বজনরা হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন ঘটনা সততা স্বীকার করে বলেন, নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
