ঘরে ঝুলছিল মা-মেয়ের লাশ
Why this classification
Two people were found hanging in their home, and the wife's sister alleges that the husband murdered them after long abuse. The husband has fled and police are awaiting the post-mortem, so the deaths may be a crime, although suicide has not been ruled out.
Killed
2
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় একটি বসতঘর থেকে সুমি আক্তার (২৮) ও তার দেড় বছরের মেয়ে ওয়াসিহা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এবং তাদের স্বামী মোহাম্মদ মিজান পলাতক রয়েছেন। নিহতের বোন পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ করেছেন, তবে পুলিশ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
72% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঘরে ঝুলছিল মা-মেয়ের লাশ
ঘরে ঝুলছিল মা-মেয়ের লাশ Advertisement কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম আনোয়ারা থানা চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় সুমি আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূ ও তার দেড় বছরের মেয়ে ওয়াসিহা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে বৈরাগ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুয়াপঞ্চক, দেয়াং বাজার আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি বসতঘর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরে প্রবেশ করলে মা ও মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে খবর পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুমির স্বামী মোহাম্মদ মিজান (২৫) পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকায়। নিহতের বড় বোন বেবি আক্তার অভিযোগ করেন, আমার বোন আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাকে নির্যাতন করে আসছে তার স্বামী। গুয়াপঞ্চক ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইদ্রিস জানান, নিহতের স্বামী আমাকে বলেন- তার স্ত্রী ও মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা জানা যাবে।
