সুন্দরবনে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ২১ জেলে, ড্রোনের মাধ্যমে চলছে খোঁজ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is classified as a violent incident of kidnapping and extortion carried out by armed bandits in the Sundarbans within the valid recency window.

Reported by:Ajker PatrikaSamakalDhaka PostJugantorCorroborated · 4 sources
25/09/26•Sundarbans

Killed

0

Injured

0

Summary

সুন্দরবনের পূর্ব সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা থেকে বনদস্যু বাহিনীর হামলায় ২১ জন জেলে অপহৃত হয়েছেন। অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মো. শরীফুল ইসলামলেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহাবুব হোসেন

Affected infrastructure

fishing trawlermobile phones

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 22/05/26open original ↗

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, ২১ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, ২১ জেলে উদ্ধার অপহৃত ২১ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয় এবং দস্যুদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়। ছবি: সমকাল মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬ | ১৩:১৩ সুন্দরবনে বনদস্যু দুই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অপহৃত ২১ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং দস্যুদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যাওয়া ২১ জন জেলেকে অপহরণ করে দুর্ধর্ষ বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী ও দয়াল বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সুন্দরবনের শিবসা নদীর বড় দুধমুখ খালে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডও পাল্টা গুলি চালায়। পরবর্তীতে বন্দুকযুদ্ধের পরিস্থিতিতে দস্যু বাহিনীর সদস্যরা বনের গভীরে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ৫ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি উদ্ধার করা হয়। ওই স্থান থেকে জাহাঙ্গীর বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ১১ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে একই দিন ভোর ৪টার দিকে কোস্ট গার্ড সুন্দরবনের আন্ধারমানিকের টোটা ও কেওড়াতলা খালে দয়াল বাহিনীর আস্তানায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে দয়াল বাহিনীর সদস্যরা বনের গভীরে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে আরও ১০ জন জিম্মি জেলেকে উদ্ধার করা হয়। কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দকৃত অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। - বিষয় : - সুন্দরবন - বনদস্যু - বন্দুকযুদ্ধ

Source 2: Ajker Patrika · 30/09/26open original ↗

সুন্দরবনে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ২১ জেলে, ড্রোনের মাধ্যমে চলছে খোঁজ

সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ২১ জেলের চার দিন পার হলেও এখনো তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জিম্মি জেলেরা কোথায় এবং কী অবস্থায় রয়েছেন, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে স্বজন ও মহাজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া অন্য জেলেদের মধ্যেও। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন জানিয়েছে, অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে। দস্যু ও জেলেদের অবস্থান শনাক্তে আকাশপথে আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নৌপথে কোস্ট গার্ডের একাধিক দল সম্ভাব্য এলাকাগুলোতে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে। জেলেদের নিরাপত্তায় বন বিভাগের টহলও জোরদার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্র ও শনিবার (২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের নারকেলবাড়িয়া, আমড়ারিয়া, ভদ্রা ও ভাঙ্গা এলাকায় পৃথকভাবে জেলেদের ওপর হামলা চালায় বনদস্যুরা। এ সময় মজনু, করিম শরীফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা ২১ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। দস্যুরা একটি মাছ ধরার ট্রলার, পাঁচটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামালও লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। অপহরণের পর থেকে ভুক্তভোগী জেলে ও তাঁদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দস্যুদের ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। পরিচয় প্রকাশ পেলে পরবর্তী সময়ে পেশাগত ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপহৃত জেলেদের কয়েকজন মহাজন জানিয়েছেন, জেলেদের মুক্তির বিষয়ে তাঁরা দস্যুদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। মুক্তিপণ হিসেবে কী পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে তা প্রকাশ করতে চাননি তাঁরা। মহাজনদের দাবি, জেলেদের মুক্তি নিয়ে দস্যুদের সঙ্গে তাঁদের দর-কষাকষি চলছে। দাবি করা অর্থ পরিশোধ করা হলে জেলেদের ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে দস্যুরা। দ্রুত মুক্তিপণ দেওয়ার জন্যও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা। এদিকে অপহরণের ঘটনায় সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া সাধারণ জেলেদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দস্যু আতঙ্কে বনে যেতে দ্বিধা করছেন। তাঁদের দাবি, সুন্দরবনে দস্যুদের তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করে জেলেদের নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সুন্দরবনের কোকিলমনি এলাকার দৃশ্য। ফাইল ছবি পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, অপহৃত জেলেদের এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সুন্দরবনে অবস্থানরত জেলেদের রাতে দলবদ্ধভাবে এবং সংশ্লিষ্ট বন অফিসের আশপাশে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন বিভাগের সব স্টেশন, টহল ফাঁড়ি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত বনরক্ষীদের জেলেদের নিরাপত্তায় টহল বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহাবুব হোসেন বলেন, ‘সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চলছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ড্রোন ব্যবহার করে দস্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপহৃতদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।’

Source 3: Dhaka Post · 22/05/26open original ↗

সুন্দরবনে আরও ৬ জেলে অপহরণ

সুন্দরবনে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী আবারও ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। তারা আরও ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে। এ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় ১৮ জেলেকে অপহরণ করলো তারা। বুধবার (২০ মে) রাতে অস্ত্রের মুখে ওই ছয় জেলেকে অপহরণ করে গহীন বনে নিয়ে যায় বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী। এতে সুন্দরবনে জীবিকা নির্বাহ করা জেলে ও মৌয়ালদের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। অপহরণ হওয়া জেলেরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আপন দুই ভাই হাফিজুল (২৪) ও ফাইজুর (২০), এ ছাড়া, ছলেমান (৪০), বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা গ্রামের বাসিন্দা হাসিব (২১) ও একজন অজ্ঞাত। স্থানীয় জেলে ও বনজীবীদের অভিযোগ, সুন্দরবনে বনদস্যুদের আতঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় বনে যেতে হয় প্রাণ হাতে নিয়ে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান ও অপহরণ হওয়া জেলেদের উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে শরণখোলা রেঞ্জের ছাপড়াখালী এলাকার নদীতে মাছ ধরার সময় জাহাঙ্গীর বাহিনী জেলেদের ওপর হামলা করে এবং ছয় জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এর আগে, মঙ্গলবার গভীর রাতে একই বাহিনী শরণখোলা রেঞ্জের ফুসফুসের চর এলাকা থেকে আরও ১২ জেলেকে জিম্মি করে। সুন্দরবনের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার বিকেলে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, অপহরণ হওয়া জেলেদের মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবনের গহীনে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। কুখ্যাত এই জাহাঙ্গীর বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এই অপহরণ করে জেলে ও মৌয়ালদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করছে মুক্তিপণ হিসেবে। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অপহরণ হওয়া ১৮ জেলেকে উদ্ধারে স্মার্ট পেট্রোলিং টিমসহ বনরক্ষীরা অভিযান চালাচ্ছে। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, সুন্দরবনে ছয় জেলে অপহরণ হওয়ার ঘটনা শুনেছি। কিন্তু এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এএমকে

Source 4: Jugantor · 22/05/26open original ↗

সুন্দরবনে আরও ৬ জেলে অপহরণ

বেপরোয়া জাহাঙ্গীর বাহিনী সুন্দরবনে আরও ৬ জেলে অপহরণ Advertisement শরণখোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পূর্ব সুন্দরবনে জেলে অপহরণ থামছে না। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বনদস্যুরা আরও ৬ জেলেকে অপহরণ করেছে। বুধবার রাতে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী সুন্দরবনের ছাপড়াখালী এলাকার নদী থেকে ওই ৬ জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে। সুন্দরবনে জেলে মৌয়ালীদের কাছে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম এখন জাহাঙ্গীর বাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরণখোলার রাজাপুর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, বুধবার গভীররাতে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ছাপড়াখালী এলাকার নদীতে মাছধরার সময় জেলেদের নৌকা ও ট্রলারে হামলা করে ৬ জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী। অপহৃত জেলেরা হচ্ছেন-শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আপন দুই ভাই হাফিজুল ও ফাইজুর, বেল্লাল মীর, ছলেমান এবং পাথরঘাটার পদ্মা গ্রামের হাসিব। আরেক জেলের নাম জানা যায়নি। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনের ফুসফুসেরচর এলাকা থেকে ১২ জেলে অপহৃত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জেলে বলেন, সুন্দরবনে জেলে ও মৌয়ালীদের কাছে এখন মূর্তিমান আতঙ্কের নাম জাহাঙ্গীর বাহিনী। সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে পূর্বের ন্যায় র্যাবের অভিযান পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন জেলে ও মৎস্যজীবীরা। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, সুন্দরবনে ৬ জেলে অপহরণের খবর তার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।