বারবার বাড়ি যাওয়ায় পায়ে শেকল দিয়ে আটকে রাখা হয় শিশুকে, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident involves a severe physical assault and confinement of a child by a madrasah teacher, verified through a police arrest and a formal case filed by the victim's mother.

Reported by:SamakalSingle source
05/07/26•শলুয়া হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা, আড়ংঘাটা

Killed

0

Injured

1

Summary

খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় বারবার বাড়ি যাওয়ায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের পায়ে শেকল দিয়ে মুগুরের সঙ্গে তালা ঝুলিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে মুহতামিম মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শিশুটি শেকলসহ পালিয়ে বাড়িতে চলে যায়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 4

Parties involved

Unknown

Other actors

মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিন (মুহতামিম)রত্না বেগম (শিশুর মা)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 07/07/26open original ↗

বারবার বাড়ি যাওয়ায় পায়ে শেকল দিয়ে আটকে রাখা হয় শিশুকে, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

বারবার বাড়ি যাওয়ায় পায়ে শেকল দিয়ে আটকে রাখা হয় শিশুকে, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার ছবি: সমকাল খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬ | ২০:৩০ বারবার মাদ্রাসা থেকে বাড়ি চলে যেত শিশুটি। এজন্য পায়ে শেকল পরিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল তাকে, মারধর তো ছিলই। যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সেই শেকলসহ পালিয়ে যায় শিশুটি। নির্যাতনের দাগ দেখে মাদ্রাসার প্রধানের (মুহতামিম) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিশুর মা। এ ঘটনায় রোববার রাতে মুহতামিম মাওলানা মো. আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়। নগরীর আড়ংঘাটার থানার শলুয়া হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটির বাবা মহসিন সর্দার একজন দিনমজুর। ছেলেকে কোরআনের হাফেজ বানানোর আশায় স্থানীয় হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায় ভর্তি করেন। কিন্তু মাদ্রাসায় শিশুটি থাকতে চাইতো না। প্রায় পালিয়ে বাড়ি চলে আসতো। গত শনিবার তাকে আবার মাদ্রাসায় দিয়ে আসলে মাদ্রাসার মুহতামিম আসলাম উদ্দিন একটি কক্ষে তাকে আটকে রাখেন। এবার যাতে পালাতে না পারে সেজন্য শিশুটির পায়ে শেকল দিয়ে বেঁধে মুগুরের সঙ্গে তালা ঝুলিয়ে দেন। তাকে মারধরও করা হয়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কৌশলে শিশুটি শেকলসহ পালিয়ে বাড়ি চলে যায়। এ দৃশ্য দেখে শিশুর মা রত্না বেগম বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে রোববার থানায় মামলা করেন। পুলিশ রাতেই ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। নগরীর আড়ংঘাটার থানার ওসি হালিমুর রহমান বলেন, শিশুটির একপায়ে শেকল দিয়ে মুগুরের সঙ্গে তালা মেরে দেওয়া হয়েছিল। ওপর পা ফাঁকা ছিল। শিশুটি সেই অবস্থায় পালিয়ে বাড়ি চলে যায়। এ ঘটনায় মামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য অন্য শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে। - বিষয় : - খুলনা - মাদ্রাসা শিক্ষক আটক - কারাগার