এমডির সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে সই নেওয়া ব্যক্তি গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Barishal. Parties reported: Mostafizur Rahman Litu, Agrani Housing Company Limited. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaJugantorCorroborated · 3 sources
27/06/26•Sadar Road, Barishal

Killed

0

Injured

1

Summary

গত ২৬শে জুন বা ২৭শে জুন (২৭ জুন সন্ধ্যায়) বরিশালে অগ্রণী হাউজিংয়ের এমডিকে নিজ কার্যালয়ে মারধর ও লাঞ্ছিত করে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমানসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 3

Parties involved

Mostafizur Rahman LituAgrani Housing Company Limited

Tags

ExtortionLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 05/07/26open original ↗

এমডির অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

বরিশালে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে ধরে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ জুন সন্ধ্যার পর নগরীর সদর রোডে অগ্রণী হাউজিং অফিসে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ বিষয়টির সিসিটিভি ফুটেজ শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা ভাইরাল হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার আজিজ আদালতে নালিশি মামলা করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, আব্দুল আজিজের কক্ষে চারজন যুবক প্রবেশ করেন। তাঁদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামের এক ব্যক্তি তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে দুটি চেক ও একটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ঘটনার সময় আজিজকে ‘বাচ্চু বাচ্চু’ বলে কাউকে ডাকতে শোনা যায়। পরে আরও একজন কক্ষে প্রবেশ করলে তাঁকে কিছুক্ষণ আটকে রেখে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে সেটা হস্তান্তরের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত লিটু অগ্রণী হাউজিংয়ের কাছাকাছি কাঠপট্টি সড়কের বাসিন্দা। তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর বড় ভাই মাহবুবুর রহমান পিন্টু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি। ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ বলেন, লিটু একসময় তাঁদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগের বিপরীতে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব নিষ্পত্তি করা হয় এবং কোনো পাওনা নেই—এমন অঙ্গীকারনামাও দেওয়া হয়। এরপরও তিনি ১ কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন। ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অফিসে ঢুকে তাঁকে মারধর করে জোরপূর্বক ৭০ লাখ টাকার একটি চেক, একটি সাদা চেক ও দুটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। আব্দুল আজিজ আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি ব্যাংকে অভিযোগ করায় ওই চেক থেকে টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও স্বীকার করেন। নগরীর সদর রোডে অবস্থিত অগ্রণী হাউজিং অফিসে ঢুকে এমডিকে মারপিট করেন মোস্তাফিজুর রহমান লিটু। ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁরা সবাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ছিলেন। তাঁর দাবি, আব্দুল আজিজ তাঁদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আফরোজা খানম নাসরিন বলেন, ‘কেউ অপরাধ করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। তবে প্রকাশ্যে এভাবে লাঞ্ছিত করা কাম্য নয়। যদি বিএনপি বা সহযোগী সংগঠনের কেউ জড়িত থাকেন, তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ থানায় এসে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।’ আদালতের আদেশের কাগজ রোববার থানায় পৌঁছাতে পারে বলে তিনি জানান।

Source 2: Jugantor · 06/07/26open original ↗

ব্যবসায়ীর অণ্ডকোষ চেপে ধরে ৭০ লাখের চেকে সই

ব্যবসায়ীর অণ্ডকোষ চেপে ধরে ৭০ লাখের চেকে সই মূল অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ২ Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীর অণ্ডকোষ চেপে ধরে ৭০ লাখের চেক-স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার মোস্তাফিজুর রহমান লিটু -যুগান্তর বরিশালে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ঢুকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) মারধরের একপর্যায়ে অণ্ডকোষ চেপে ধরে ৭০ লাখ টাকার চেক ও সাদা স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২৭ জুন নগরীর সদর রোডে অগ্রণী হাউজিং কোম্পানি লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটিতে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার রাতে ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এদিন দুপুরে নগরীর সদর রোড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা যায়, ২৭ জুন সন্ধ্যায় ওই হাউজিং প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এমডি আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে মারধর এবং একপর্যায়ে অণ্ডকোষ চেপে ধরে ৭০ লাখ টাকার দুটি চেক ও ছয় পাতার স্ট্যাম্পে সই করিয়ে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আদালতে মামলার আবেদন করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ছাড়া গ্রেফতার অন্যজন হলেন আবুল কালাম আজাদ। ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের পাওনা টাকা আদায় নিয়ে এ ঘটনা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ বলেন, ২৭ জুন সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে নগরীর সদর রোডে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে তার ওপর হামলা করা হয়। এ ঘটনার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চারজন ব্যক্তি আব্দুল আজিজের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু তাকে মারধর করে দুটি চেক, একটি সাদা চেক ও সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেন। ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদার দাবি করেন, মোস্তাফিজুর রহমান একসময় তাদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরে বিনিয়োগের বিপরীতে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে সব হিসাব চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হয় এবং এ সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামাও দেওয়া হয়। এরপরও লিটু এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন। আব্দুল আজিজ ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোয় ওই চেক থেকে কোনো অর্থ উত্তোজন করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী জানান, এ ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি এফআইআর হিসাবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে গ্রেফতারের আগে অভিযোগ অস্বীকার করে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বলেছেন, ঘটনার সময় উপস্থিত সবাই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ছিলেন। তার অভিযোগ, আব্দুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের অর্থ আত্মাসাৎ করেছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আশিক সাঈদ বলেছেন, নগরীতে অভিযান চালিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ও আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বেশকিছু ভিডিওতে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে যুবদল নেতা বলায় প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বরিশাল মহানগর ও জেলা যুবদল। এ সময় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিন জানান, যুবদলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই মোস্তাফিজুর রহমানের। এমনকি দলের কোনো কমিটিতে থাকা তো দূরের কথা, কোনোদিন কোনো মিটিং-মিছিলেও আসেননি তিনি।

Source 3: Prothom Alo · 05/07/26open original ↗

এমডির সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে সই নেওয়া ব্যক্তি গ্রেপ্তার

বরিশালে অগ্রণী হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে মারধর ও লাঞ্ছিত করে চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান (ডানে) ও আবুল কালাম আজাদ। গ্রেপ্তারের পর শনিবার বিকেলে তাঁদের পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়ছবি: প্রথম আলো বরিশালে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ঢুকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) মারধর ও শরীরের সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার দুজন হলেন প্রধান আসামি মোস্তাফিজুর রহমান (লিটু) এবং তাঁর এক সহযোগী আবুল কালাম আজাদ। মামলাটি করেছেন মারধর ও লাঞ্ছনার শিকার বরিশাল নগরের সদর রোডের অগ্রণী হাউজিং কোম্পানি লিমিটেডের এমডি আবদুল আজিজ হাওলাদার। আরও পড়ুন এমডিকে মারধর, সংবেদনশীল স্থান চেপে ধরে সই নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ১১ ঘণ্টা আগে ঘটনার ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, ভুক্তভোগী ও পুলিশের বরাতে জানা যায়, ২৭ জুন সন্ধ্যায় কর্মস্থলে নিজ কক্ষে বসে আজিজ হাওলাদার চা পান করছিলেন। এ সময় আকস্মিক চারজন ব্যক্তি ভেতরে ঢোকেন। তাঁরা সবাইকে বের করে দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান আজিজ হাওলাদারকে জাপটে ধরেন এবং তাঁকে চড়থাপ্পড় মারাসহ শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে দুটি চেকে ও দুটি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আজিজ হাওলাদারের সই নেওয়া হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মোস্তাফিজুর নগরের কাঠপট্টি এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, তিনি বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে সংগঠনে তাঁর কোনো পদ–পদবি নেই। তাঁর বড় ভাই মাহবুবুর রহমান (পিন্টু) বরিশাল নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি। ভুক্তভোগী আজিজ হাওলাদার বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে মোস্তাফিজুর রহমান আমার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সব ধরনের হিসাব আগেই চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় ওই অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ২৭ জুন তিনি সহযোগীদের নিয়ে আমার ওপর নির্যাতন চালিয়ে চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেন।’ বরিশাল নগরের সদর রোডে অগ্রণী হাউজিং কোম্পানির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির এমডি আবদুল আজিজকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে চেক ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক সই করাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমানছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া এ ঘটনায় আজিজ হাওলাদার গত বৃহস্পতিবার বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। বিচারক মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। রোববার আদালতের আদেশ থানায় পৌঁছালে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ বিষয়টি অবগত হয়। এরপর এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে নামে পুলিশ। আজ বেলা দুইটার দিকে নগরের সদর রোডের একটি বিপণিবিতানের সামনে থেকে মূল আসামি মোস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর সহযোগী আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বরিশালের কোতোয়ালি থানায় রাখা হয়েছে। থানায় বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ভিডিওতে যা দেখা যাচ্ছে সব ঠিক আছে। অনেকটা বাধ্য হয়েই কাজটি করতে হয়েছে। আবদুল আজিজ হাওলাদার আমাদের সঙ্গে হাউজিং ব্যবসায় প্রতারণা করেছেন।’ মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘আমি অগ্রণী হাউজিংয়ের একজন পরিচালক। আমার হিসাব অনুযায়ী এমডির কাছে ৫৪ লাখ টাকা পাব; কিন্তু তিনি দাবি করেছেন, ৩৬ লাখ টাকা পাব। এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই ঝামেলা চলছে। বিগত আমলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করিয়েছে। এ ছাড়া হাউজিংয়ের আরেকজন পরিচালক মিজানুর রহমান ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। এর পেছনেও এমডির হাত রয়েছে।’ টাকা লেনদেনের বিষয়ে কোনো মামলা বা থানায় অভিযোগ করেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর জানান, স্বাভাবিকভাবে তিনি বিষয়টি সমাধান করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আজিজ হাওলাদারের সঙ্গে আজ দুপুরে প্রথম আলোর কথা হয়। তিনিও জানান, একসময় তাঁদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিন বছর আগে বিনিয়োগের বিপরীতে তাঁর মূলধন ও লভ্যাংশ হিসাব করে সমপরিমাণ জমি তাঁকে হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব নিষ্পত্তি করা হয়। ওই সময় কোনো পাওনা নেই—এমন অঙ্গীকারনামাও দেন মোস্তাফিজুর। যুবদলের সংবাদ সম্মেলন অন্যদিকে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বিএনপি, যুবদল বা অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেছেন যুবদল বরিশাল জেলা, মহানগর ও কেন্দ্রীয় নেতারা। রোববার বেলা একটায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ দাবি করেন। লিখিত বক্তব্যে মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান (মামুন) বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কেউ কেউ যুবদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। কেননা মোস্তাফিজুর রহমান নামে ওই ব্যক্তি যুবদলের কোনো কমিটিতেই নেই। তিনি যুবদল, বিএনপি, এমনকি দলের অন্য কোনো সহযোগী সংগঠনের কর্মীও নন তিনি, আগেও ছিলেন না।দলের মিছিল-সভায় তাঁর অংশ নেওয়ার ছবিও পাওয়া যাবে না। সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘যত দূর জেনেছি ঘটনাটি কয়েক দিন আগের। এখন সেই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে অভিযুক্তকে যুবদল নেতা আখ্যা দিয়ে বিএনপির নামে বদনাম করার চেষ্টা করছে কোনো একটি চক্র। আমরা দাবি করছে, সাংবাদিকেরা সত্য ঘটনা প্রচার করবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশাল বিভাগপুলিশবরিশালমারধরগ্রেপ্তার