হাসপাতালে ভর্তি নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a specific, recent incident of sexual harassment and physical molestation of a patient by a hospital ward boy inside a medical facility in Sirajganj, making it a valid gender-based violence record.

Reported by:Dhaka PostSingle source
10/10/26•কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

Killed

0

Injured

0

Summary

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে করিম সরকার নামের এক ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

করিম সরকারডা. আব্দুল মুকিতরূপালী খাতুন

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 10/10/26open original ↗

হাসপাতালে ভর্তি নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি এক নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়ের নাম করিম সরকার (২৯)। তিনি উপজেলার কর্ণসূতি গ্রামের আব্দুল করিম সরকারের ছেলে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে তিনি ওই হাসপাতালে ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জ্বরে আক্রান্ত ওই নারী গত শুক্রবার বিকেলে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। শনিবার ভোরে করিম নারী ওয়ার্ডে গিয়ে ওই নারীর নাম-ঠিকানা ও ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কি না, তা জানতে চান। একপর্যায়ে তিনি নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। এ সময় ওই নারী চিৎকার করে মাকে ডাকেন এবং পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। অভিযোগ ওঠার পর অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় সেখান থেকে চলে যান। হাসপাতালের এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এর আগেও করিমের বিরুদ্ধে এক নারীর সঙ্গে একই ধরনের আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। ভুক্তভোগী নারী বলেন, ওই ওয়ার্ডবয় আমার কাছে এসে নাম-ঠিকানা জানতে চান এবং ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কি না, তা জিজ্ঞেস করেন। কথা বলার একপর্যায়ে তিনি আমার কপাল ও গলায় হাত দেন। পরে পিঠে হাত দিয়ে বুকে স্পর্শ করেন। এ সময় আমি চিৎকার করি এবং পরে নার্সকে বিষয়টি জানাই। হাসপাতালের বহির্বিভাগের ইনচার্জ ও জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স রূপালী খাতুন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এ ঘটনায় হাসপাতালের কর্মীরাও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আব্দুল মুকিত বলেন, ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত করিম সরকার ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। মো. নাজমুল হাসান/এএমকে