পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির মারামারি

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

Supporters of two rival BNP factions physically fought in front of an exam centre in Siddhirganj, Narayanganj, on 23 April 2026, after a dispute over a banner with a wrong title. The article reports a physical scuffle and public panic but no injuries or deaths, so it is classified as a political clash.

Reported by:SamakalSingle source
23/04/26•Rebati Mohan Pilot School and College exam centre, Siddhirganj (Ward 5, NCC)

Killed

0

Injured

0

Summary

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে ব্যানারে ভুল পদবি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই, তবে সেখানে থাকা অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

Imam Hossain Badal (former general secretary, Siddhirganj Union BNP)Sirajul Islam (president, Ward 5 BNP)Shah Alam Hira (former member secretary, Siddhirganj Thana BNP)Supporters of both BNP factions

Affected infrastructure

banner at the gate of Ward 5 BNP president's house

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/04/26open original ↗

পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির মারামারি

ব্যানারে ভুল থাকায় দ্বন্দ্ব পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির মারামারি সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে বিএনপির দুগ্রুপের মারামারি সমকাল সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | ০৯:৪৮ | প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন একটি কেন্দ্রের সামনে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংসদ সদস্যকে স্বাগত জানিয়ে টানানো ব্যানারে ভুল পদবি ব্যবহার করা নিয়ে বিতর্ক থেকে এ সংঘাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান সিদ্ধিরগঞ্জে চলমান এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তোরণ ও ব্যানার তৈরি করেন। এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন বাদলের ছবি সংবলিত একটি ব্যানার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলামের বাড়ির গেটে টানানো হয়। তবে সেটিতে বাদলের পরিচয় লেখা ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য চলে যাওয়ার পরপরই ব্যানারে লেখা এ পদবি নিয়ে আপত্তি জানান সিরাজুল ইসলাম।  এ সময় ইমাম হোসেন বাদল নিজ হাতে ব্যানারের ভুল হওয়া অংশ কেচি দিয়ে কেটে ফেলেন। তবে তাঁর সমর্থকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শাহআলম হীরাকে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে ইমাম হোসেন বাদল সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পরীক্ষার হলের ঠিক সামনে এমন ঘটনায় সেখানে থাকা অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার বাড়ির সামনে একটি ব্যানার লাগাইছে, সেখানে লিখেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। বিষয়টি আমার কাছে খারাপ লেগেছে, কারণ সে তো কখনও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিল না।    শাহআলম হীরা বলেন, এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান আসার খবর পেয়ে সকাল থেকেই আমরা পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করি এবং পরে এমপি আসার পর আমরা সবাই তাঁকে অভ্যর্থনা জানাই। তিনি পরিদর্শন করে চলে যাওয়ার পরও আমরা সেখানে অবস্থান করছিলাম, হঠাৎ উচ্চ স্বরে গালাগালের শব্দ পাই।  সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন বাদল বলেন, সকাল থেকেই তারা নানা ধরনের উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেছে, আমরা তাতে কোনে কর্ণপাত করিনি। যে স্থানটিতে অভিভাবকরা বসবে, সেই গেটে আমার একটি ব্যানার টানানো ছিল। তারা বলছে সেটিতে নাকি ভুল হয়েছে। আমি জানার পর সেটি কেটে দিয়েছি। এরপরও উচ্চবাচ্য করেছে। তখন ছেলেপেলেদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে।  সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুক কুমার দাস বলেন, আমি কেন্দ্রের ভেতরে থাকায় বাইরে কী ঘটেছে, সেটা বলতে পারছি না।  সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, কেন্দ্রের বাইরে দুই গ্রুপের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। অন্য কিছু হয়নি। আমাদের পুলিশ সদস্যরা সেখানে অবস্থান করছেন। - বিষয় : - বিএনপি