যুগান্তর প্রতিনিধিসহ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a recent physical attack on journalists by local youth, a farmer group leader linked to BNP, and police forces. Because a political party (BNP) and its affiliates were directly involved, the incident is classified as political violence.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
17/07/26•Kaliganj Thana (front)

Killed

0

Injured

2

Summary

১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে শুক্রবার রাত ৯টায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দুই সাংবাদিকের ওপর শারীরিক হামলা হয়। স্থানীয় যুবদল, কৃষক দল ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও দুইজন সাংবাদিক আহত হন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

BNPLaw EnforcementLocals

Other actors

Shahriar Alom SohagMission AliOC Zillal HossainJalal UddinMithuYasinHasan (Komlapur)Tito (Nadiapara)Rabiul (Faraspur)

Tags

Party ClashDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Law Enforcement, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 18/07/26open original ↗

কালীগঞ্জে ওসির সামনে ২ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে থানার সামনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সময় কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। হামলায় আহত দুই সাংবাদিককে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন দীপ্ত টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক যুগান্তরের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাহরিয়ার আলম সোহাগ এবং নাগরিক টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি মিশন আলী। আহত সাংবাদিক মিশন আলীর অভিযোগ, তিন দিন আগে শহরের আড়পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মিলন হোসেন নামে এক যুবককে কয়েকজন মারধর করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুলিশ আড়পাড়া এলাকার মিঠু ও ইয়াসিন নামে দুই যুবককে থানায় নিয়ে আসে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই এলাকার লোকজন পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে থানায় আসে। এ সময় ওসি জেল্লাল হোসেন জালাল ও শাহীন লস্করসহ কয়েকজনকে ফোন করে থানায় ডেকে আনেন। তিনি আরও জানান, এ খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে তারা সংবাদ সংগ্রহের জন্য কালীগঞ্জ থানার সামনে যান। সেখানে কয়েকজন নারীকে মারধরের ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল ভিডিও ধারণে বাধা দেন এবং বিএনপির কোনো ভিডিও করা যাবে না বলে হুমকি দেন। একপর্যায়ে জালাল তার ওপর হামলা চালান। পরে ইসলামী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার কর্মচারী কমলাপুর গ্রামের হাসান, নদীপাড়ার টিটো ও ফারাসপুর গ্রামের রবিউলসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেন। আহত অপর সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম সোহাগ বলেন, আড়পাড়া এলাকা থেকে মামলা না নেওয়ার অভিযোগে ১৬ থেকে ২০ জন নারী থানায় এসেছিলেন। এ সময় উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালালসহ কয়েকজন ওই নারীদের ওপর হামলা চালান। সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গেলে হামলাকারীরা সাংবাদিকদের ওপরও চড়াও হন। তিনি অভিযোগ করেন, ওসির সামনেই এ হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওসির বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্য এবং এক আসামির মোবাইল ফোন গায়েব হওয়ার অভিযোগ নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এর জেরে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, সাংবাদিকরা একটি ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালান। খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এএমকে

Source 2: Jugantor · 19/07/26open original ↗

যুগান্তর প্রতিনিধিসহ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

কালীগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে বাধা যুগান্তর প্রতিনিধিসহ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে থানার সামনে শাহরিয়ার আলম সোহাগ ও মিশন আলী নামের দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় ওই দুই সাংবাদিক কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আহত সাংবাদিক সোহাগ দীপ্ত টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ও যুগান্তরের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এবং মিশন আলী নাগরিক টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। সাংবাদিক মিশন আলী বলেন, শহরের আড়পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসা কেন্দ্র করে মিলন হোসেন নামে এক যুবককে মারধর করে এলাকার কয়েক যুবক। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আড়পাড়া এলাকার মিঠু ও ইয়াসিন নামের দুই যুবককে থানায় তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। রাতে এলাকাবাসী থানায় আসে পুলিশের সঙ্গে কথা বলার জন্য। এ সময় ওসি জেল্লাল হোসেন কৃষক দলের বহিষ্কৃত নেতা জালাল উদ্দিন ও শাহীন লস্করকে ফোনে থানায় ডেকে আনেন। এ খবর পেয়ে রাত ৯টায় সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কালীগঞ্জ থানার সামনে যান সোহাগ। এ সময় যুবদল ও কৃষক দলের কয়েক নেতাকর্মী থানায় আসা মহিলাদের ওপর হামলা করে। হামলার ভিডিও ধারণ করতে গেলে উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ভিডিও করতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে জালাল উদ্দিন বিএনপিদের কোনো ভিডিও করা যাবে না বলে সাংবাদিকদের হুমকি দেন। এরপর জালাল প্রথমে আমার ওপর হামলা করেন। এরপর ইসলামী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার স্টাফ কমলাপুর গ্রামের হাসান, নদীপাড়ার টিটো এবং ফারাসপুর গ্রামের রবিউল আমাকে মারধর করে। সোহাগ আরও বলেন, ওসির মাদক নিয়ে বাণিজ্য ও আসামির মোবাইল গায়েব নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়। এ ঘটনায় ওসি তার পেটোয়া বাহিনী দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এ বিষয়ে কৃষক দল নেতা জালাল উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অপরদিকে ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, আড়পাড়া গ্রাম থেকে মাদক মামলার আসামি আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এ খবর পেয়ে ওই গ্রামের নারী ও পুরুষরা থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ডেকে গ্রামের মানুষগুলোকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করি। এসময় কৃষক দলের জালালসহ কয়েকজন নারীদের গাড়িতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় সাংবাদিকরা ভিডিও করলে বিএনপি নেতারা তাতে বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি হয়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে আমি বিএনপি নেতাকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেই। সাংবাদিকদের আমরা নিরাপত্তা দিয়েছি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আমার বা কোনো সহকর্মীর বিরোধ নেই। সাংবাদিকরা একটি এজাহার দিয়েছেন। দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, ঝিনাইদহ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ নাসিম আনসারিসহ জেলার সিনিয়র নেতারা।