মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা
Why this classification
এটি একটি সাম্প্রতিক হত্যাচেষ্টা: ৫ জুন রাতে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে ট্রলারে ওঠার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তি আওয়ামী লীগ নেতাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়; স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি বেঁচে যান। তাই ঘটনাটি সহিংস হিসেবে রেকর্ড করা হলো।
Killed
0
Injured
0
Summary
শুক্রবার (৫ জুন) রাত পৌনে ১০টায় নোয়াখালীর হাতিয়া চেয়ারম্যান ঘাটে ট্রলারে ওঠার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তি অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়। স্থানীয় জেলে ও ঘাটের লোকজন তাকে উদ্ধার করলে তিনি প্রাণে রক্ষা পান।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
88% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ
হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ ছবি: সমকাল হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৭:৫৬ | আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:১৮ হাতিয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদের গাড়িবহরে হামলা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের প্রকল্প বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে এমপি হান্নান মাসউদ ঘটনাস্থলে সড়কে অবস্থান নেন। হান্নান মাসউদের দাবি, তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে এবং অনেকেই আহত হয়েছেন। জাতীয় যুবশক্তির জেলা ও ইউনিয়নের আহ্বায়ক হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের খোঁজ নিতে এবং এলাকা পরিদর্শনে যান এমপি হান্নান মাসউদ। প্রকল্প বাজার এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থকদের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে এমপি হান্নান মাসউদ ঘটনাস্থলের সড়কে অবস্থান নেন। বর্তমানে উভয় পক্ষই সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়েছেন। যার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ সময় এমপি হান্নান মাসউদ বলেন, আমি প্রকল্প বাজারে পরিদর্শনে এসেছি। এ সময় বেলাল মাঝির নেতৃত্বের চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি এখানে অবস্থান নিয়েছি। সন্ত্রাসী বেলাল মাঝিকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমি এখান থেকে অবস্থান ছাড়বো না। তিনি ২০১৮ সালেও সাবেক এমপি ফজলুল আজিম–এর ওপর হামলা করেছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বেলাল মাঝির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থলে আছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। - বিষয় : - সংসদ সদস্য - হান্নান মাসউদ - হামলা
মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা
মেঘনা নদীতে ফেলে আ.লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা Advertisement নোয়াখালী (উত্তর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম নোয়াখালীর হাতিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতার নাম অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ। তিনি হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি। শনিবার (৬ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত খেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা সেখানে পৌঁছান। পরে জানতে পারেন, রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর হাতিয়ায় ফেরার জন্য একটি ট্রলার ভাড়া করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর তিনি নিজে ট্রলারে ওঠতে উদ্যত হন। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মেঘনা নদীতে পড়ে যান। আকস্মিক এ ঘটনায় ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ও হৈ-হুল্লোড় করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি কিছুক্ষণ ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত একজন ব্যক্তি তাকে একটি গামছা ছুড়ে দিলে সেটি ধরে তিনি পানিতে টিকে থাকেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন বলেও জানান। ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। তবে সত্য-মিথ্যা জানি না। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
