আনসার কর্মকর্তার চোখ থেঁতলে দিলেন হকারেরা, আহত আরও ৫
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Parties reported: Hawkers, Ansar. Reported casualties: 0 killed and 6 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
6
Summary
২০২৬ সালের ৮ মে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফুটপাতে দোকান বসাতে বাধা দেওয়ায় হকারদের হামলায় ৬ আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। হামলায় প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানের দুই চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজনকে এনাম মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
76% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আনসার কর্মকর্তার চোখ থেঁতলে দিলেন হকারেরা, আহত আরও ৫
ঢাকার সাভারে মহাসড়কসহ ফুটপাতে ভাসমান দোকান বসাতে বাধা দেওয়ায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এক আনসার কর্মকর্তার চোখে। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে আরেক আনসার সদস্যের। এ ছাড়া হামলায় আরও চার আনসার সদস্য আহত হয়েছেন।আজ শুক্রবার বিকেলে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিউমার্কেটের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে হকারেরা এই হামলা চালান বলে জানা গেছে।আহত ব্যক্তিরা হলেন আনসার ও ভিডিপির প্লাটুন কমান্ডার মো. শামসুজ্জামান (২১) এবং সদস্য মো. মুন্না (২৩), মো. মাহিন (২০), বরকতউল্লাহ মামুন (২৬), রিয়াদ (২২) ও তৌহিদুল ইসলাম (২১)। প্লাটুন কমান্ডার মো. শামসুজ্জামানের দুই চোখই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাভার উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। শামসুজ্জামানের চোখে গুরুতর আঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় একটি হাসপাতালের চিকিৎসক শফিকুল ইসলামও। তাঁকে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে।উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার কার্যালয় এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হকারেরা সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ ফুটপাতে ভাসমান দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছিলেন। এতে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছিল। দুর্ভোগের শিকার হতেন পথচারীরা। এসব কারণে মাস দেড়েক আগে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হকার উচ্ছেদ করা হয়। এর পর থেকে সকালে ২০ জন আনসার সদস্য এবং বিকেলে আরও ২০ জন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিলেন। আনসার সদস্যদের দায়িত্বে থাকতেন একজন করে প্লাটুন কমান্ডার। হামলার শিকার আহত আনসার সদস্য বরকাতুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমিসহ ২০ জন আনসার সদস্য বিকেলের পালায় ডিউটি করছিলাম। নিউমার্কেটের সামনে হকারেরা ফুটপাত ও মহাসড়ক দখল করে ভাসমান দোকান বসিয়েছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৫টার দিকে প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানের নেতৃত্বে ১৪ থেকে ১৫ জন আনসার সদস্য ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে যাওয়ার পরপরই চাপাতি, রড, লাঠি ও ইট হাতে থাকা ৪০ থেকে ৫০ জন হকার আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের হাতে শুধু লাঠি থাকায় তাদেরকে প্রতিহত করতে পারিনি। ফলে তারা একতরফা হামলা চালিয়ে আমাদের আহত করে। হামলার সময় তারা রড, লাঠি ও ইট দিয়ে আমাদের আঘাত করে।’ মামুন আরও বলেন, ‘হকারদের রডের আঘাতে আমার চোখের ওপরে কেটে যায়। অল্পের জন্য চোখ দুটি বেঁচে গেছে। তবে ইটের আঘাতে প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানের চোখে মারাত্মক জখম হয়েছে। মাথা ফেটে গেছে আমার সহকর্মী মুন্নার।’সাভার ল্যাব জোন হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পর আহত ছয় আনসার সদস্যকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মুন্নাকে স্থানান্তর করা হয়েছে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অন্যদের আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ল্যাব জোন হাসপাতালের চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম বলেন, প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানের দুই চোখেই মারাত্মক আঘাত লেগেছে। আঘাতের কারণে আপাতত তিনি দেখতে পাচ্ছেন না।সাভার উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ‘হকারেরা ইট দিয়ে প্লাটুন কমান্ডার শামসুজ্জামানের দুই চোখ থেঁতলে দিয়েছে। তাঁর চোখের পরিণতি কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।’এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীকে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।
